যাহারা আপনাদের ধনে নির্ভর করে, আপনাদের সম্পত্তিবাহুল্যের শ্লাঘা করে,
Cross references
আর হামন তাহাদের কাছে আপন ঐশ্বর্য্যের প্রতাপ ও সন্তান-বাহুল্যের কথা, এবং রাজা কিরূপে সকল বিষয়ে তাহাকে উচ্চ পদ দিয়াছেন ও কিরূপে তাহাকে অধ্যক্ষগণ ও রাজার দাসগণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আসন দিয়াছেন, এই সমস্ত তাহাদের কাছে বর্ণনা করিল।
আমি যদি স্বর্ণকে আশাভূমি করিয়া থাকি, সুবর্ণকে বলিয়া থাকি, তুমি মম আশ্রয়,
‘দেখ, ঐ ব্যক্তি ঈশ্বরকে আপন বল করিত না, সে আপনার ধনবাহুল্যে নির্ভর করিত; সে দুষ্টতায় আপনাকে বলবান করিত।’
তাহারা সমস্ত দিন আমার বাক্য মোচড়ায়; তাহাদের সমস্ত সঙ্কল্প অনিষ্টের জন্য আমার বিরুদ্ধ।
অধর্ম্মের দ্বারা তাহারা কি বাঁচিবে? হে ঈশ্বর, ক্রোধে জাতিগণকে নিপাত কর।
তোমরা উপদ্রবে নির্ভর করিও না, অপহরণের শ্লাঘা করিও না; ঐশ্বর্য্যের বাহুল্য হইলে তাহাতে মন দিও না।
অশুভ সংবাদেও সে ভয় করিবে না; তাহার চিত্ত স্থির, তাহা সদাপ্রভুতে নির্ভর করে।
তাহার চিত্ত সুস্থির; সে ভয় করে না, শেষে সে আপন বিপক্ষদের দশা দেখিবে।
ধনবানের ধনই তাহার দৃঢ় নগর, দরিদ্রদিগের দরিদ্রতাই তাহাদের সর্ব্বনাশ।
যে আপন ধনে নির্ভর করে, সে পতিত হয়; কিন্তু ধার্ম্মিকগণ সতেজ পল্লবের ন্যায় প্রফুল্ল হয়।
তুমি কি ধনের দিকে চাহিতেছ? তাহা আর নাই; কারণ ঈগল যেমন আকাশে উড়িয়া যায়, তেমনি ধন আপনার জন্য নিশ্চয়ই পক্ষ প্রস্তুত করে।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, জ্ঞানবান্ আপন জ্ঞানের শ্লাঘা না করুক, বিক্রমী আপন বিক্রমের শ্লাঘা না করুক, ধনবান্ আপন ধনের শ্লাঘা না করুক।
তোমার জ্ঞানে ও তোমার বুদ্ধিতে তুমি আপনার জন্য ঐশ্বর্য্য উপার্জ্জন করিয়াছ, আপন কোষে স্বর্ণ ও রৌপ্য সঞ্চয় করিয়াছ;
আর ইফ্রয়িম বলিয়াছে, আমি ত ঐশ্বর্য্যবান্ হইলাম, আপনার নিমিত্ত সংস্থান করিলাম; আমার সমস্ত শ্রমে এমন কোন অপরাধ পাওয়া যাইবে না, যাহাতে পাপ হয়।