সদাপ্রভু এই কথা কহেন, জ্ঞানবান্ আপন জ্ঞানের শ্লাঘা না করুক, বিক্রমী আপন বিক্রমের শ্লাঘা না করুক, ধনবান্ আপন ধনের শ্লাঘা না করুক।
Cross references
আর মনে মনে বলিও না যে, আমারই পরাক্রমে ও বাহুবলে আমি এই সকল ঐশ্বর্য্য পাইয়াছি।
পরে গাৎ-নিবাসী এক বীর পলেষ্টীয়দের শিবির হইতে বাহির হইল, তাহার নাম গলিয়াৎ, সে সাড়ে ছয় হস্ত দীর্ঘ।
পরে পলেষ্টীয় চারিদিকে চাহিয়া দেখিল, আর দায়ূদকে দেখিতে পাইয়া তুচ্ছজ্ঞান করিল; কেননা তিনি বালক, ঈষৎ রক্তবর্ণ ও দেখিতে সুন্দর ছিলেন।
তখন তিনি তাঁহার কাছে লোক পাঠাইয়া কহিলেন, শমরিয়ার ধূলি যদি আমার পশ্চাদগামী সমস্ত লোকের মুষ্টিপূরণে কুলায়, তবে দেবগণ আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
তিনি ধূর্ত্তদের কল্পনা ব্যর্থ করেন, তাহাদের হস্ত সঙ্কল্প সাধন করিতে পারে না।
আমি যদি স্বর্ণকে আশাভূমি করিয়া থাকি, সুবর্ণকে বলিয়া থাকি, তুমি মম আশ্রয়,
তাহার ফলকশ্রেণী শোভা পায়, তাহা মুদ্রাঙ্কিতের ন্যায় দৃঢ়রূপে বদ্ধ।
তিনি ধার্ম্মিকতা ও ন্যায়বিচার ভালবাসেন; পৃথিবী সদাপ্রভুর দয়াতে পরিপূর্ণ।
কোন রাজা মহাসৈন্য দ্বারা ত্রাণ পায় না; বীর মহাশক্তি দ্বারা নিস্তার পায় না;
আমার সহিত সদাপ্রভুর মহিমা কীর্ত্তন কর; আইস, আমরা একসঙ্গে তাঁহার নামের প্রতিষ্ঠা করি।
কিন্তু তুমি আমাদিগকে ত্যাগ করিয়াছ, অপমানগ্রস্ত করিয়াছ, আমাদের বাহিনীগণের সঙ্গে যাত্রা কর না।
যাহারা আপনাদের ধনে নির্ভর করে, আপনাদের সম্পত্তিবাহুল্যের শ্লাঘা করে,
তুমি ভীত হইও না, যখন কেহ ধনবান হয়, যখন তাহার কুলের ঐশ্বর্য্য বৃদ্ধি পায়,
ধার্ম্মিকেরা তাহা দেখিয়া ভীত হইবে, আর তাহার বিষয়ে উপহাস করিয়া বলিবে,
তোমরা উপদ্রবে নির্ভর করিও না, অপহরণের শ্লাঘা করিও না; ঐশ্বর্য্যের বাহুল্য হইলে তাহাতে মন দিও না।
ক্রোধের দিনে ধন উপকার করে না; কিন্তু ধার্ম্মিকতা মৃত্যু হইতে রক্ষা করে।
তখন আমি দেখিলাম, যেমন অন্ধকার অপেক্ষা দীপ্তি উত্তম, তেমনি অজ্ঞানতা অপেক্ষা প্রজ্ঞা উত্তম।
আর সে জ্ঞানবান হইবে, কি হীনবুদ্ধি হইবে, তাহা কে জানে? কিন্তু আমি সূর্য্যের নীচে যে শ্রমে পরিশ্রম করিয়া জ্ঞান দেখাইতাম, সেই সকল পরিশ্রমের ফলাধিকারী সে হইবে; ইহাও অসার।
আমি ফিরিলাম, ও সূর্য্যের নীচে দেখিলাম যে, দ্রুতগামীদের দ্রুতগমন, কি বীরদের যুদ্ধ, কি জ্ঞানবানদের অন্ন, কি বুদ্ধিমানদের ধন, কি বিজ্ঞদেরই অনুগ্রহলাভ হয়, এমন নয়, কিন্তু সকলের প্রতি কাল ও দৈব ঘটে।
ধিক্ তাহাদিগকে, যাহারা আপন আপন চক্ষে জ্ঞানবান, আপন আপন দৃষ্টিতে বুদ্ধিমান!
কারণ সে বলে, ‘আমার অধ্যক্ষগণ কি সকলে রাজা নহেন?
অতএব এইরূপ ঘটিবে; সিয়োন পর্ব্বতে ও যিরূশালেমে প্রভু আপনার সমস্ত কার্য্য সমাপ্ত করিলে পর আমি অশূর-রাজের চিত্তস্ফীতিরূপ ফলের ও তাহার উচ্চদৃষ্টিরূপ আড়ম্বরের প্রতিফল দিব।
তুমি এক বার আমার প্রভু অশূর-রাজের কাছে পণ কর; আমি তোমাকে দুই সহস্র অশ্ব দিই, যদি তুমি তদারোহী লোক দিতে পার।
আর, ‘তোমরা সদাপ্রভুকে জ্ঞাত হও,’ এই কথা বলিয়া তাহারা প্রত্যেকে আপন আপন প্রতিবাসীকে ও আপন আপন ভ্রাতাকে আর শিক্ষা দিবে না; কারণ তাহারা ক্ষুদ্র ও মহান সকলেই আমাকে জ্ঞাত হইবে, ইহা সদাপ্রভু কহেন; কেননা আমি তাহাদের অপরাধ ক্ষমা করিব, এবং তাহাদের পাপ আর স্মরণে আনিব না।
তোমরা কেমন করিয়া বলিতে পার, আমরা বীর ও যুদ্ধের জন্য বলবন্ত?
তাহারা আপন আপন রৌপ্য চকে ফেলিয়া দিবে, তাহাদের সুবর্ণ অশুচি বস্তু হইবে; সদাপ্রভুর ক্রোধের দিনে তাহাদের স্বর্ণ কি রৌপ্য তাহাদিগকে রক্ষা করিতে পারিবে না; তাহা তাহাদের প্রাণ তৃপ্ত, কিম্বা তাহাদের উদর পূর্ণ করিবে না কেননা তাহাই তাহাদের অপরাধজনক বিঘ্ন হইয়াছে।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি সোরের অধ্যক্ষকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে, তুমি বলিয়াছ, আমি দেবতা, আমি সমুদ্রগণের মধ্যস্থলে ঈশ্বরের আসনে বসিয়া আছি; কিন্তু তুমি ত মনুষ্যমাত্র, দেবতা নহ, তথাপি আপন চিত্তকে ঈশ্বরের চিত্তের তুল্য বলিয়া মানিয়াছি।
মিসর দেশ ধ্বংস ও উৎসন্ন স্থান হইবে; তাহাতে তাহারা জানিবে যে, আমিই সদাপ্রভু; যেহেতু তুমি বলিতে, নদী আমার, আমিই তাহা উৎপন্ন করিয়াছি।
এখনও যদি তোমরা শৃঙ্গ, বংশী, বীণা, চতুস্তন্ত্রী, পরিবাদিনী ও মৃদঙ্গ প্রভৃতি সর্ব্বপ্রকার যন্ত্রের বাদ্য শুনিবামাত্র আমার নির্ম্মিত স্বর্ণ-প্রতিমাকে উপুড় হইয়া প্রণাম করিতে প্রস্তুত হও, ভালই; কিন্তু যদি প্রণাম না কর, তবে সেই দণ্ডেই প্রজ্বলিত অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হইবে; আর এমন দেবতা কে যে, আমার হস্ত হইতে তোমাদিগকে উদ্ধার করিবে?
রাজা এই কথা কহিলেন, এ কি সেই মহতী বাবিল নয়, যাহা আমি আপন বলের প্রভাবে ও আপন প্রতাপের মহিমার্থে রাজধানী করিবার জন্য নির্ম্মাণ করিয়াছি?
এখন আমি নবূখদ্নিৎসর সেই স্বর্গরাজ্যের প্রশংসা, প্রতিষ্ঠা ও সমাদর করিতেছি; কেননা তাঁহার সমস্ত ক্রিয়া সত্য, ও তাঁহার পথ সকল ন্যায্য; আর যাহারা স্বগর্ব্বে চলে, তিনি তাহাদিগকে খর্ব্ব করিতে পারেন।
হে রাজন্, পরাৎপর ঈশ্বর আপনার পিতা নবূখদ্নিৎসরকে রাজ্য, মহিমা, গৌরব ও প্রতাপ দিয়াছিলেন।
দ্রুতগামীর পলায়নের উপায় নষ্ট হইবে, বলবান আপন বল দৃঢ় করিবে না, ও বীর নিজ প্রাণ রক্ষা করিবে না;
হে মনুষ্য, যাহা ভাল, তাহা তিনি তোমাকে জানাইয়াছেন; বস্তুতঃ ন্যায্য আচরণ, দয়ায় অনুরাগ ও নম্রভাবে তোমার ঈশ্বরের সহিত গমনাগমন, ইহা ব্যতিরেকে সদাপ্রভু তোমার কাছে আর কিসের অনুসন্ধান করেন?
সদাপ্রভুর ক্রোধের দিনে তাহাদের রৌপ্য কি তাহাদের সুবর্ণ তাহাদিগকে উদ্ধার করিতে পারিবে না; কিন্তু তাঁহার অন্তর্জ্বালার তাপে সমস্ত দেশ অগ্নি-ভক্ষিত হইবে, কেননা তিনি দেশ-নিবাসী সকলের বিনাশ, হাঁ, ভয়ানক সংহার করিবেন।
তাঁহার কথায় শিষ্যেরা চমৎকৃত হইলেন; কিন্তু যীশু পুনর্ব্বার তাঁহাদিগকে কহিলেন, বৎসগণ, যাহারা ধনে নির্ভর করে, ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করা তাহাদের পক্ষে কেমন দুষ্কর!
আর আপন প্রাণকে বলিব, প্রাণ, বহুবৎসরের নিমিত্ত তোমার জন্য অনেক দ্রব্য সঞ্চিত আছে; বিশ্রাম কর, ভোজন পান কর, আমোদ প্রমোদ কর।
তখন লোকসমূহ উচ্চৈঃস্বরে বলিতে লাগিল, এ দেবতার রব, মানুষের নয়।
আপনাদিগকে বিজ্ঞ বলিয়া তাহারা মূর্খ হইয়াছে,
কারণ লিখিত আছে, “আমি জ্ঞানবান্দের জ্ঞান নষ্ট করিব, বিবেচক লোকদের বিবেচনা ব্যর্থ করিব।”