আর ইফ্রয়িম বলিয়াছে, আমি ত ঐশ্বর্য্যবান্ হইলাম, আপনার নিমিত্ত সংস্থান করিলাম; আমার সমস্ত শ্রমে এমন কোন অপরাধ পাওয়া যাইবে না, যাহাতে পাপ হয়।
Cross references
আর মনে মনে বলিও না যে, আমারই পরাক্রমে ও বাহুবলে আমি এই সকল ঐশ্বর্য্য পাইয়াছি।
আমি যদি স্বর্ণকে আশাভূমি করিয়া থাকি, সুবর্ণকে বলিয়া থাকি, তুমি মম আশ্রয়,
যাহারা আপনাদের ধনে নির্ভর করে, আপনাদের সম্পত্তিবাহুল্যের শ্লাঘা করে,
‘দেখ, ঐ ব্যক্তি ঈশ্বরকে আপন বল করিত না, সে আপনার ধনবাহুল্যে নির্ভর করিত; সে দুষ্টতায় আপনাকে বলবান করিত।’
তোমরা উপদ্রবে নির্ভর করিও না, অপহরণের শ্লাঘা করিও না; ঐশ্বর্য্যের বাহুল্য হইলে তাহাতে মন দিও না।
ছলনার নিক্তি সদাপ্রভুর ঘৃণিত; কিন্তু ন্যায্য বাট্খারা তাঁহার তুষ্টিকর।
এক বংশ আছে, তাহারা আপনাদের দৃষ্টিতে শুচি, তবু আপনাদের মালিন্য হইতে ধৌত হয় নাই।
ব্যভিচারিণীর পথও তদ্রূপ; সে খাইয়া মুখ মুছে, আর বলে, আমি অধর্ম্ম করি নাই।
কেননা সে বলিয়াছে, ‘আমার হস্তের বল ও আমার বিজ্ঞতা দ্বারা আমি কার্য্য সিদ্ধ করিয়াছি, কেননা আমি বুদ্ধিমান; আমি জাতিগণের সীমা সকল দূর করিয়াছি, ও তাহাদের সঞ্চিত ধন লুট করিয়াছি; এবং বীরের ন্যায় আমি সুখাসীনদিগকে নীচে নামাইয়াছি।
তুমি কেমন করিয়া বলিতে পার, আমি অশুচি নহি, বাল [দেবগণের] পশ্চাতে যাই নাই? উপত্যকাতে তোমার পথ দেখ; যাহা করিয়াছ, তাহা জ্ঞাত হও; তুমি আপন পথে ভ্রমণকারিণী উষ্ট্রী; তুমি প্রান্তরপরিচিতা বন্য গর্দ্দভী,
তথাপি বলিয়াছ, আমি নির্দ্দোষ, অবশ্য তাঁহার ক্রোধ আমা হইতে ফিরিয়াছে। দেখ, আমি তোমার বিচার করিব, কারণ তুমি বলিতেছ, ‘আমি পাপ করি নাই’।
পিঞ্জর যেমন পক্ষীতে পরিপূর্ণ, তদ্রূপ তাহাদের বাটী ছলে পরিপূর্ণ; এই জন্য তাহারা উন্নত ও ধানবান্ হইয়াছে।
তোমরা বলিয়া থাক, ‘অমাবস্যা কখন গত হইবে? আমরা শস্য বিক্রয় করিতে চাই। বিশ্রামদিন কখন গত হইবে? আমরা গোমের ব্যবসায় করিতে চাই। ঐফা ক্ষুদ্র ও শেকল ভারী করিব, আর ছলনার দাঁড়ি দ্বারা ঠকাইব;
এই জন্য সে আপন জালের উদ্দেশে বলিদান করে, ও আপন খালুইয়ের উদ্দেশে ধূপ জ্বালায়; কেননা তদ্দ্বারা তাহার অংশ পুষ্ট ও তাহার খাদ্য মেদোযুক্ত হয়।
আবার মদ্য প্রযুক্ত সে বিশ্বাসঘাতক; সে অভিমানী বীর, সে ঘরে থাকে না; সে পাতালের ন্যায় অপরিমিত লোভী, সে মৃত্যুর সদৃশ, তৃপ্ত হয় না, কিন্তু সর্ব্বজাতিকে একত্র করিয়া আত্মসাৎ করে, এবং সর্ব্বলোকবৃন্দকে আপনার কাছে সংগ্রহ করে।
তাহাদের অধিকারিগণ তাহাদিগকে বধ করে, তথাপি আপনাদিগকে দোষী মনে করে না; এবং তাহাদের বিক্রয়কারীরা প্রত্যেক জন বলে, ধন্য সদাপ্রভু, আমি ধনী হইলাম; এবং তাহাদের পালকগণ তাহাদের প্রতি দয়ার্দ্র হয় না।
তোমরা আপন আপন বাক্য দ্বারা সদাপ্রভুকে ক্লান্ত করিয়াছ। তথাপি বলিয়া থাক, কিসে তাঁহাকে ক্লান্ত করিয়াছি? এই কথায় করিতেছ, তোমরা বলিতেছ, যে কেহ দুষ্কর্ম্ম করে, সে সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে উত্তম; তিনি তাহাদিগেতে প্রীত; অথবা, বিচারকর্ত্তা ঈশ্বর কোথায়?
তোমরা আমার বিরুদ্ধে শক্ত শক্ত কথা বলিয়াছ, ইহা সদাপ্রভু কহেন। কিন্তু তোমরা বলিতেছ, আমরা কিসে তোমার বিরুদ্ধে কথা বলিয়াছি? তোমরা বলিয়াছ, ঈশ্বরের সেবা করা অনর্থক;
কিন্তু সে আপনাকে নির্দ্দোষ দেখাইবার ইচ্ছায় যীশুকে বলিল, ভাল, আমার প্রতিবাসী কে?
আর আপন প্রাণকে বলিব, প্রাণ, বহুবৎসরের নিমিত্ত তোমার জন্য অনেক দ্রব্য সঞ্চিত আছে; বিশ্রাম কর, ভোজন পান কর, আমোদ প্রমোদ কর।
কোন ভৃত্য দুই কর্ত্তার দাসত্ব করিতে পারে না, কেননা সে হয় এক জনকে ঘৃণা করিবে, অন্যকে প্রেম করিবে, নয় ত এক জনে অনুরক্ত হইবে, অন্যকে তুচ্ছ করিবে। তোমরা ঈশ্বর এবং ধন উভয়ের দাসত্ব করিতে পার না।
তিনি তাহাদিগকে কহিলেন, তোমরাই ত মনুষ্যদের সাক্ষাতে আপনাদিগকে ধার্ম্মিক দেখাইয়া থাক, কিন্তু ঈশ্বর তোমাদের অন্তঃকরণ জানেন; কেননা মনুষ্যদের মধ্যে যাহা উচ্চ, তাহা ঈশ্বরের সাক্ষাতে ঘৃণিত।
বিবিধ নিন্দা, কুসন্দেহ, এবং নষ্ট বিবেক ও হীনসত্য লোকদের চিরবিসংবাদ; এ প্রকার লোকেরা ভক্তিকে লাভের উপায় জ্ঞান করে।
যাহারা এই যুগে ধনবান্, তাহাদিগকে এই আজ্ঞা দেও, যেন তাহারা গর্ব্বিতমনা না হয়, এবং ধনের অস্থিরতার উপরে নয়, কিন্তু যিনি ধনবানের ন্যায় সকলই আমাদের ভোগার্থে যোগাইয়া দেন, সেই ঈশ্বরেরই উপরে প্রত্যাশা রাখে;
তুমি কহিতেছ, আমি ধনবান্, ধন সঞ্চয় করিয়াছি, আমার কিছুরই অভাব নাই; কিন্তু জান না যে, তুমিই দুর্ভাগ্য, কৃপাপাত্র, দরিদ্র, অন্ধ ও উলঙ্গ।