তন্তুবায়ের মাকু অপেক্ষা আমার আয়ু দ্রুতগামী, তাহা আশাবিহীন হইয়া শেষ হয়।
Cross references
আমার বল কি যে, প্রতীক্ষা করিতে পারি, আমার পরিণাম কি যে, সহিষ্ণু হইতে পারি?
আমার দিন সকল ডাক অপেক্ষাও দ্রুতগামী; সে সকল উড়িয়া যায়, মঙ্গলের দর্শন পায় না।
যদিও তিনি আমাকে বধ করেন, তথাপি আমি তাঁহার অপেক্ষা করিব, কিন্তু তাঁহার সম্মুখে আপন পথের সমর্থন করিব।
জল পাষাণকেও ক্ষয় করে, তাহার বন্যা ভূমির ধূলি ভাসাইয়া লইয়া যায়; তদ্রূপ তুমি মর্ত্ত্যের আশা ক্ষয় করিতেছ।
কেননা আর কয়েক বৎসর গত হইলে যে পথে গেলে ফিরিব না, সেই পথে যাইব।
আমার জীবাত্মা শেষ হইয়াছে, আমার আয়ু অবসান, কবর আমার নিমিত্ত প্রস্তুত।
আমার আয়ু গত, আমার অভিপ্রায় সকল ভগ্ন, আমার মনোরথ সকল ভগ্ন হইয়াছে।
তবে আমার আশা কোথায়? আর আমার আশা কে দেখিতে পাইবে?
তুমি তাহাদিগকে যেন বন্যায় ভাসাইয়া লইয়া যাইতেছ, তাহারা স্বপ্নবৎ; প্রাতঃকালে তাহারা তৃণের ন্যায়, যাহা বাড়িয়া উঠে।
আমার দিন হেলিয়া পড়া ছায়ার সদৃশ, আমি তৃণের ন্যায় শুষ্ক হইতেছি।
মর্ত্ত্য, তাহার আয়ু তৃণ সদৃশ; যেমন মাঠের পুষ্প, তেমনি সে প্রফুল্ল হয়।
মনুষ্য নিঃশ্বাসের তুল্য, তাহার আয়ু ছায়ার সদৃশ, যাহা চলিয়া যায়।
দুষ্ট লোক আপন দুষ্কার্য্যে নিপাতিত হয়, কিন্তু ধার্ম্মিক মরণকালে আশ্রয় পায়।
মেষপালকের তাম্বুর ন্যায় আমার আবাস উঠাইয়া আমা হইতে স্থানান্তর করা গেল; আমি তন্তুবায়ের ন্যায় আপন আয়ু জড়াইলাম; তিনি তাঁত হইতে আমাকে কাটিয়া ফেলিবেন; তুমি এক দিবারাত্রের মধ্যে আমাকে শেষ করিবে।
আমি প্রাতঃকাল পর্য্যন্ত নীরব থাকিলাম; তিনি সিংহের ন্যায় আমার অস্থি সকল চূর্ণ করেন, তুমি এক দিবারাত্রের মধ্যে আমাকে শেষ করিবে।
এক জনের রব, সে বলিতেছে, ‘ঘোষণা কর,’ এক জন কহিল, ‘কি ঘোষণা করিব?’ ‘মর্ত্ত্যমাত্র তৃণস্বরূপ, তাহার সমস্ত কান্তি ক্ষেত্রস্থ পুষ্পের তুল্য।
তুমি আপন চরণ পাদুকা-রহিত ও গলার নলী শুষ্ক হইতে দিও না। কিন্তু তুমি বলিয়াছ, আশা নাই, না, কেননা আমি বিদেশীদিগকে প্রেম করিয়া আসিতেছি, তাহাদেরই পশ্চাতে যাইব।
তৎকালে তোমরা খ্রীষ্ট হইতে বিভিন্ন, ইস্রায়েলের প্রজাধিকারের বহিঃস্থ, এবং প্রতিজ্ঞাযুক্ত নিয়মগুলির অসম্পর্কীয় ছিলে, তোমাদের আশা ছিল না, আর তোমরা জগতের মধ্যে ঈশ্বরবিহীন ছিলে।
ফলতঃ সূর্য্য সতাপে উঠিল, ও তৃণ শুষ্ক করিল, তাহাতে তাহার পুষ্প ঝরিয়া পড়িল, এবং তাহার রূপের লাবণ্য নষ্ট হইয়া গেল; তেমনি ধনবানও আপনার সকল গতিতে ম্লান হইয়া পড়িবে।
তোমরা ত কল্যকার তত্ত্ব জান না; তোমাদের জীবন কি প্রকার? তোমরা ত বাষ্পস্বরূপ, যাহা ক্ষণেক দৃশ্য থাকে, পরে অন্তর্হিত হয়।
অতএব তোমরা আপন আপন মনের কটি বাঁধিয়া মিতাচারী হও, এবং যীশু খ্রীষ্টের প্রকাশকালে যে অনুগ্রহ তোমাদের নিকটে আনীত হইবে, তাহার অপেক্ষাতে সম্পূর্ণ প্রত্যাশা রাখ।
কেননা “মর্ত্ত্যমাত্র তৃণের তুল্য, ও তাহার সমস্ত কান্তি তৃণপুষ্পের তুল্য; তৃণ শুষ্ক হইয়া গেল, এবং পুষ্প ঝরিয়া পড়িল,