তুমি আপন চরণ পাদুকা-রহিত ও গলার নলী শুষ্ক হইতে দিও না। কিন্তু তুমি বলিয়াছ, আশা নাই, না, কেননা আমি বিদেশীদিগকে প্রেম করিয়া আসিতেছি, তাহাদেরই পশ্চাতে যাইব।
Cross references
এই জন্য সদাপ্রভু তোমার বিরুদ্ধে যে শত্রুগণকে পাঠাইবেন, তুমি ক্ষুধায়, তৃষ্ণায়, উলঙ্গতায়, ও সকল বিষয়ের অভাব ভোগ করিতে করিতে তাহাদের দাসত্ব করিবে; এবং যে পর্য্যন্ত তিনি তোমার বিনাশ না করেন, সে পর্য্যন্ত তোমার গ্রীবাতে লৌহের যোঁয়ালি দিয়া রাখিবেন।
এবং এই শাপের কথা শ্রবণকালে কেহ যেন মনে মনে আপনার ধন্যবাদ করিয়া না বলে, আমি সিক্তের সহিত শুষ্কের ধ্বংস করিবার জন্য আপন হৃদয়ের কঠিনতায় চলিলেও আমার শান্তি হইবে।
তাহারা বিজাতীয় দেবগণ দ্বারা তাঁহার অন্তর্জ্বালা জন্মাইল, ঘৃণার্হ বস্তু দ্বারা তাঁহাকে অসন্তুষ্ট করিল।
আর ক্লেশের সময়ে তিনি, সেই আহস রাজা, সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে আরও সত্যলঙ্ঘন করিলেন।
কারণ দম্মেশকের যে দেবগণ তাঁহাকে আঘাত করিয়াছিল, তিনি তাহাদের উদ্দেশে বলিদান করিলেন; আর কহিলেন, অরামীয় রাজাদের দেবগণই তাঁহাদের সাহায্য করেন, অতএব আমি তাঁহাদেরই উদ্দেশে বলিদান করিব, তাহাতে তাঁহারা আমারও সাহায্য করিবেন। কিন্তু তাহারাই তাঁহার ও সমস্ত ইস্রায়েলের বিনাশের কারণ হইল।
বস্তুতঃ তুমি আপন প্রজাদিগকে, যাকোবের কুলকে, ত্যাগ করিয়াছ, কারণ তাহারা পূর্ব্বদেশের প্রথায় পরিপূর্ণ ও পলেষ্টীয়দের ন্যায় গণক হইয়াছে, এবং বিজাতিসন্তানদের হস্তে হস্ত দিয়াছে।
তৎকালে সদাপ্রভু আমোসের পুত্র যিশাইয় দ্বারা এই কথা কহিলেন, তুমি গিয়া আপন কটিদেশ হইতে চট মুক্ত কর, ও পদ হইতে পাদুকা খুল। তাহাতে তিনি তাহা করিলেন, বিবস্ত্র ও শূন্যপদ হইয়া ভ্রমণ করিতে লাগিলেন।
তোমার যাতায়াতের আধিক্য প্রযুক্ত পথশ্রান্তা হইয়াছিলে, তথাপি ‘আশা নাই’ ইহা বল নাই; তোমার হস্তের নাড়ী টের পাইয়াছ, এজন্য তুমি ক্লান্তা হও নাই।
কেবলমাত্র তোমার এই অপরাধ স্বীকার কর যে, তুমি আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে অধর্ম্মাচরণ করিয়াছ, ও প্রত্যেক হরিৎপর্ণ বৃক্ষের তলে বিদেশীদের সহিত আপন আচার ভ্রষ্ট করিয়াছ, আর তোমরা আমার রবে অবধান কর নাই, ইহা সদাপ্রভু কহেন।
আর যদি তুমি মনে মনে বল, আমার দশা কেন ঘটিল? তোমার অপরাধের বাহুল্যে তোমার পরিচ্ছদের অন্ত তুলিয়া দেওয়া হইল, তোমার পাদমূলের প্রতি অত্যাচার করা হইল।
সদাপ্রভু এই জাতির বিষয়ে এই কথা কহেন, তাহারা এইরূপেই ভ্রমণ করিতে ভালবাসে, আপন আপন পা থামায় নাই; এই কারণ সদাপ্রভু তাহাদিগকে গ্রাহ্য করেন না; তিনি এখন তাহাদের অপরাধ স্মরণ করিবেন, তাহাদের পাপ সকলের প্রতিফল দিবেন।
কিন্তু তাহারা বলে, আশা নাই, কেননা আমরা আপনাদেরই সঙ্কল্পানুসারে চলিব, প্রত্যেকে আপন আপন দুষ্ট হৃদয়ের কঠিনতা অনুসারে কর্ম্ম করিব।
তোমার শান্তির সময়ে আমি তোমার কাছে কথা বলিয়াছিলাম, কিন্তু তুমি বলিয়াছিলে, আমি শুনিব না; তোমার বাল্যকালাবধি এই রীতি দাঁড়াইয়াছে, তুমি আমার রবে অবধান কর নাই।
কিন্তু আমাদেরই মুখনির্গত সমস্ত বাক্যানুরূপ কার্য্য করিবই করিব, আকাশরাণীর উদ্দেশে ধূপ জ্বালাইব ও পেয় নৈবেদ্য ঢালিব; আমরা ও আমাদের পিতৃপুরুষগণ, আমাদের রাজগণ, ও আমাদের অধ্যক্ষগণ যিহূদার নগরে নগরে ও যিরূশালেমের পথে পথে তাহাই করিতাম, আর তৎকালে আমরা ভক্ষ্যদ্রব্যে তৃপ্ত হইতাম, এবং সুখে ছিলাম, কোন অমঙ্গল দেখিতাম না।
স্তন্যপায়ী শিশুরা জিহ্বা পিপাসায় তালুতে সংলগ্ন হইয়াছে; বালকবালিকারা রুটী চাহিতেছে, কেহ তাহাদিগকে বাঁটিয়া দেয় না।
নতুবা আমি তাহাকে বিবস্ত্রা করিব, সে জন্মদিনে যেমন ছিল, তেমনি করিয়া তাহাকে রাখিব, এবং তাহাকে প্রান্তরের সমান ও মরুভূমির তুল্য করিব, তৃষ্ণা দ্বারা বধ করিব।
কিন্তু পিতা আপন দাসদিগকে বলিলেন, শীঘ্র করিয়া সব চেয়ে ভাল কাপড়খানি আন, আর ইহাকে পরাইয়া দেও, এবং ইহার হাতে অঙ্গুরী দেও ও পায়ে জুতা দেও;
তাহাতে সে উচ্চৈঃস্বরে কহিল, পিতঃ, অব্রাহাম, আমার প্রতি দয়া করুন, লাসারকে পাঠাইয়া দিউন, যেন সে অঙ্গুলির অগ্রভাগ জলে ডুবাইয়া আমার জিহ্বা শীতল করে, কেননা এই অগ্নিশিখায় আমি যন্ত্রণা পাইতেছি।
অথবা তাঁহার মধুর ভাব ও ধৈর্য্য ও চিরসহিষ্ণুতারূপ ধন কি হেয়জ্ঞান করিতেছ? ঈশ্বরের মধুর ভাব যে তোমাকে মনপরিবর্ত্তনের দিকে লইয়া যায়, ইহা কি জান না?
কেননা প্রত্যাশায় আমরা পরিত্রাণ প্রাপ্ত হইয়াছি; কিন্তু দৃষ্টিগোচর যে প্রত্যাশা, তাহা প্রত্যাশাই নয়। কেননা যে যাহা দেখে, সে তাহার প্রত্যাশা কেন করিবে?