ফলতঃ সূর্য্য সতাপে উঠিল, ও তৃণ শুষ্ক করিল, তাহাতে তাহার পুষ্প ঝরিয়া পড়িল, এবং তাহার রূপের লাবণ্য নষ্ট হইয়া গেল; তেমনি ধনবানও আপনার সকল গতিতে ম্লান হইয়া পড়িবে।
Cross references
বিজাতি-সন্তানেরা ম্লান হইবে, সকম্পে স্ব স্ব গোপনীয় স্থান হইতে আসিবে।
তাহার ভাণ্ড সকল দুগ্ধে পরিপূর্ণ, তাহার অস্থির মজ্জা সতেজ থাকে।
আমি দুষ্টকে মহাক্ষমতাশালী দেখিয়াছি, উৎপত্তি স্থানের সতেজ বৃক্ষের ন্যায় প্রসারিত দেখিয়াছি।
যাহারা আপনাদের ধনে নির্ভর করে, আপনাদের সম্পত্তিবাহুল্যের শ্লাঘা করে,
তুমি তাহাদিগকে পিচ্ছিল স্থানেই রাখিতেছ, তাহাদিগকে বিনাশে ফেলিয়া দিতেছ।
আমার হৃদয় তৃণের ন্যায় রৌদ্রাহত হইয়া শুষ্ক হইয়াছে; আমি আহার করিতে ভুলিয়া যাই।
আমার দিন হেলিয়া পড়া ছায়ার সদৃশ, আমি তৃণের ন্যায় শুষ্ক হইতেছি।
সে মাতৃগর্ভ হইতে উলঙ্গ আইসে; যেমন আইসে তেমনি উলঙ্গই পুনরায় চলিয়া যায়; পরিশ্রম করিলেও সে যাহা সঙ্গে করিয়া লইয়া যাইতে পারে, এমন কিছুই নাই।
হায়! ইফ্রয়িমের মাতালদের দর্পমুকুট; হায়! তাহার তেজোময় শোভার ম্লানপ্রায় পুষ্প, যাহা দ্রাক্ষারসে পরাভূতদের ফলশালী উপত্যকার মস্তকে রহিয়াছে।
এবং ফলশালী উপত্যকার মস্তকে স্থিত তাহাদের তেজোময় শোভার ম্লানপ্রায় যে পুষ্প, তাহা ফলসংগ্রহ-কালের পূর্ব্ববর্ত্তী এমন আশুপক্ব ডুমুরফলের সদৃশ হইবে, যাহা লোকে দেখিবামাত্র লক্ষ্য করে, করতলে করিবামাত্র গ্রাস করে।
তৃণ শুষ্ক হইয়া যায়, পুষ্প ম্লান হইয়া পড়ে, কারণ তাহার উপরে সদাপ্রভুর নিঃশ্বাস বহে; সত্যই লোকেরা তৃণস্বরূপ।
তাহারা ক্ষুধিত কি পিপাসিত হইবে না; এবং তপ্ত বালুকা কি রৌদ্র দ্বারা আহত হইবে না; কেননা যিনি তাহাদের প্রতি দয়াকারী, তিনি তাহাদিগকে চরাইবেন, জলের উনুইয়ের নিকটে লইয়া যাইবেন।
কিন্তু পর দিন অরুণোদয়কালে ঈশ্বর এক কীট নিরূপণ করিলেন, সে ঐ এরণ্ড গাছটীকে দংশন করিলে তাহা শুষ্ক হইয়া পড়িল।
কিন্তু সূর্য্য উঠিলে পর পুড়িয়া গেল, এবং তাহার মূল না থাকাতে শুকাইয়া গেল।
কিন্তু সূর্য্য উঠিলে পর পুড়িয়া গেল, এবং তাহার মূল না থাকাতে শুকাইয়া গেল।
আর তিনি তাহাদিগকে এই দৃষ্টান্ত কহিলেন, এক জন ধনবানের ভূমিতে প্রচুর শস্য উৎপন্ন হইয়াছিল।
এক জন ধনবান্ লোক ছিল, সে বেগুনে কাপড় ও সূক্ষ্ম বস্ত্র পরিধান করিত, এবং প্রতিদিন জাঁকজমকের সহিত আমোদ প্রমোদ করিত।
আর যাহারা সংসার ভোগ করিতেছে, যেন পূর্ণমাত্রায় করিতেছে না, যেহেতুক এই সংসারের অভিনয় অতীত হইতেছে।
এখন দেখ, হে ধনবানেরা, তোমাদের উপরে যে সকল দুর্দ্দশা আসিতেছে, সে সকলের জন্য রোদন ও হাহাকার কর।
অক্ষয় ও বিমল ও অজর দায়াধিকারের নিমিত্ত দিয়াছেন; সেই দায়াধিকার স্বর্গে তোমাদের নিমিত্ত সঞ্চিত রহিয়াছে;
তাহাতে প্রধান পালক প্রকাশিত হইলে তোমরা অম্লান প্রতাপমুকুট পাইবে।