যদি আনন্দ করিয়া থাকি, সম্পদ বাড়িয়াছে বলিয়া, হস্তে সমৃদ্ধি লাভ হইয়াছে বলিয়া;
Cross references
আর মনে মনে বলিও না যে, আমারই পরাক্রমে ও বাহুবলে আমি এই সকল ঐশ্বর্য্য পাইয়াছি।
এই সকল চিহ্ন তোমার প্রতি ঘটিলে পর তোমার হস্ত যাহা করিতে পায়, তাহা করিও, কেননা ঈশ্বর তোমার সহবর্ত্তী।
আর হামন তাহাদের কাছে আপন ঐশ্বর্য্যের প্রতাপ ও সন্তান-বাহুল্যের কথা, এবং রাজা কিরূপে সকল বিষয়ে তাহাকে উচ্চ পদ দিয়াছেন ও কিরূপে তাহাকে অধ্যক্ষগণ ও রাজার দাসগণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আসন দিয়াছেন, এই সমস্ত তাহাদের কাছে বর্ণনা করিল।
তোমরা উপদ্রবে নির্ভর করিও না, অপহরণের শ্লাঘা করিও না; ঐশ্বর্য্যের বাহুল্য হইলে তাহাতে মন দিও না।
তুমি কি ধনের দিকে চাহিতেছ? তাহা আর নাই; কারণ ঈগল যেমন আকাশে উড়িয়া যায়, তেমনি ধন আপনার জন্য নিশ্চয়ই পক্ষ প্রস্তুত করে।
কেননা সে বলিয়াছে, ‘আমার হস্তের বল ও আমার বিজ্ঞতা দ্বারা আমি কার্য্য সিদ্ধ করিয়াছি, কেননা আমি বুদ্ধিমান; আমি জাতিগণের সীমা সকল দূর করিয়াছি, ও তাহাদের সঞ্চিত ধন লুট করিয়াছি; এবং বীরের ন্যায় আমি সুখাসীনদিগকে নীচে নামাইয়াছি।
তাহাতে হিষ্কিয় দূতদের [আগমনে] আনন্দিত হইলেন, এবং আপনার কোষাগার, রৌপ্য, স্বর্ণ, সুগন্ধি দ্রব্য, ও বহুমূল্য তৈল এবং সমুদয় অস্ত্রাগার ও ধনাগার সমূহের সমস্ত বস্তু তাহাদিগকে দেখাইলেন। হিষ্কিয় তাহাদিগকে না দেখাইলেন, এমন কোন সামগ্রী তাঁহার বাটীতে বা তাঁহার সমস্ত রাজ্যে ছিল না।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, জ্ঞানবান্ আপন জ্ঞানের শ্লাঘা না করুক, বিক্রমী আপন বিক্রমের শ্লাঘা না করুক, ধনবান্ আপন ধনের শ্লাঘা না করুক।
তোমার জ্ঞানের মহত্ত্বে বাণিজ্য দ্বারা আপনার ঐশ্বর্য্য বর্দ্ধিত করিয়াছ, তাই তোমার ঐশ্বর্য্যে তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে;
রাজা এই কথা কহিলেন, এ কি সেই মহতী বাবিল নয়, যাহা আমি আপন বলের প্রভাবে ও আপন প্রতাপের মহিমার্থে রাজধানী করিবার জন্য নির্ম্মাণ করিয়াছি?
আর ইফ্রয়িম বলিয়াছে, আমি ত ঐশ্বর্য্যবান্ হইলাম, আপনার নিমিত্ত সংস্থান করিলাম; আমার সমস্ত শ্রমে এমন কোন অপরাধ পাওয়া যাইবে না, যাহাতে পাপ হয়।
এই জন্য সে আপন জালের উদ্দেশে বলিদান করে, ও আপন খালুইয়ের উদ্দেশে ধূপ জ্বালায়; কেননা তদ্দ্বারা তাহার অংশ পুষ্ট ও তাহার খাদ্য মেদোযুক্ত হয়।