তোমার জ্ঞানের মহত্ত্বে বাণিজ্য দ্বারা আপনার ঐশ্বর্য্য বর্দ্ধিত করিয়াছ, তাই তোমার ঐশ্বর্য্যে তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে;
Cross references
এবং যাহাতে কিছুই সঞ্চয় কর নাই, উত্তম উত্তম দ্রব্যে পরিপূর্ণ এমন সকল গৃহ, ও যাহা খুদ নাই, এমন সকল খনিত কূপ, এবং যাহা প্রস্তুত কর নাই, এমন সকল দ্রাক্ষাক্ষেত্র ও জিতক্ষেত্র পাইয়া যখন তুমি ভোজন করিয়া তৃপ্ত হইবে,
তোমার গোমেষাদির পাল বৃদ্ধি পাইলে, তোমার স্বর্ণ ও রৌপ্য বৃদ্ধি পাইলে, এবং তোমার সকল সম্পত্তি বৃদ্ধি পাইলে,
আর মনে মনে বলিও না যে, আমারই পরাক্রমে ও বাহুবলে আমি এই সকল ঐশ্বর্য্য পাইয়াছি।
তুমি ইদোমকে আঘাত করিয়াছ বলিয়া তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে; আপনার বড়াই কর, ও ঘরে বসিয়া থাক; অমঙ্গলের সহিত বিরোধ করিতে কেন প্রবৃত্ত হইবে? এবং তুমি ও যিহূদা উভয়ে কেন পতিত হইবে? কিন্তু অমৎসিয় কথা শুনিলেন না।
তুমি কহিতেছ, দেখ, আমি ইদোমকে আঘাত করিয়াছি; এই জন্য দর্প করিতে তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে; তুমি এখন ঘরে বসিয়া থাক, অমঙ্গলের সহিত বিরোধ করিতে কেন প্রবৃত্ত হইবে? এবং তুমি ও যিহূদা, উভয়ে কেন পতিত হইবে?
তাহাতে অনেক লোক যিরূশালেমে সদাপ্রভুর উদ্দেশে নৈবেদ্য আনিল, এবং যিহূদা-রাজ হিষ্কিয়ের কাছে বহুমূল্য দ্রব্য আনিল; তাহাতে সেই সময় হইতে তিনি সকল জাতির দৃষ্টিতে উন্নত হইলেন।
আমি যদি স্বর্ণকে আশাভূমি করিয়া থাকি, সুবর্ণকে বলিয়া থাকি, তুমি মম আশ্রয়,
‘দেখ, ঐ ব্যক্তি ঈশ্বরকে আপন বল করিত না, সে আপনার ধনবাহুল্যে নির্ভর করিত; সে দুষ্টতায় আপনাকে বলবান করিত।’
তোমরা উপদ্রবে নির্ভর করিও না, অপহরণের শ্লাঘা করিও না; ঐশ্বর্য্যের বাহুল্য হইলে তাহাতে মন দিও না।
ঈশ্বর এক বার বলিয়াছেন, দুই বার আমি এই কথা শুনিয়াছি; পরাক্রম ঈশ্বরেরই।
যে আপন ধনে নির্ভর করে, সে পতিত হয়; কিন্তু ধার্ম্মিকগণ সতেজ পল্লবের ন্যায় প্রফুল্ল হয়।
তুমি কি নিজের দৃষ্টিতে জ্ঞানবান লোক দেখিতেছ? তাহা অপেক্ষা, বরং হীনবুদ্ধির বিষয়ে অধিক প্রত্যাশা আছে।
পাছে অতি তৃপ্ত হইলে আমি তোমাকে অস্বীকার করিয়া বলি, সদাপ্রভু কে? কিম্বা পাছে দরিদ্র হইলে চুরি করিয়া বসি, ও আমার ঈশ্বরের নাম অপব্যবহার করি।
ধিক্ তাহাদিগকে, যাহারা আপন আপন চক্ষে জ্ঞানবান, আপন আপন দৃষ্টিতে বুদ্ধিমান!
কারণ সে বলে, ‘আমার অধ্যক্ষগণ কি সকলে রাজা নহেন?
এবং মহাজলরাশিতে শীহোর নদীর বীজ, নীল নদীর শস্য তাহার লাভ হইত, এবং তাহা জাতিগণের হট্টস্বরূপ ছিল।
মুকুটবিতরণকারিণী সোর, যাহার বণিকেরা অধ্যক্ষ, মহাজনেরা পৃথিবীর গৌরবান্বিত, ইহার বিরুদ্ধে এই মন্ত্রণা কে করিয়াছে?
দেখ, তোমার ভগিনী সদোমের এই অপরাধ ছিল; তাহার ও তাহার কন্যাদিগের দর্প, ভক্ষ্যের পূর্ণতা এবং নিশ্চিন্ততাযুক্ত শান্তি ছিল; আর সে দুঃখী ও দরিদ্রের হস্ত সবল করিত না।
সর্ব্বপ্রকার ধনের প্রাচুর্য্য প্রযুক্ত তর্শীশ তোমার বণিক্ ছিল; তাহারা রৌপ্য, লৌহ, দস্তা ও সীসা দিয়া তোমার পণ্য পরিশোধ করিত।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি সোরের অধ্যক্ষকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে, তুমি বলিয়াছ, আমি দেবতা, আমি সমুদ্রগণের মধ্যস্থলে ঈশ্বরের আসনে বসিয়া আছি; কিন্তু তুমি ত মনুষ্যমাত্র, দেবতা নহ, তথাপি আপন চিত্তকে ঈশ্বরের চিত্তের তুল্য বলিয়া মানিয়াছি।
তোমার চিত্ত তোমার সৌন্দর্য্যে গর্ব্বিত হইয়াছিল; তুমি নিজ দীপ্তি হেতু আপন জ্ঞান নষ্ট করিয়াছ; আমি তোমাকে ভূমিতে নিক্ষেপ করিলাম, রাজগণের সম্মুখে রাখিলাম, যেন তাহারা তোমাকে দেখিতে পায়।
রাজা এই কথা কহিলেন, এ কি সেই মহতী বাবিল নয়, যাহা আমি আপন বলের প্রভাবে ও আপন প্রতাপের মহিমার্থে রাজধানী করিবার জন্য নির্ম্মাণ করিয়াছি?
এখন আমি নবূখদ্নিৎসর সেই স্বর্গরাজ্যের প্রশংসা, প্রতিষ্ঠা ও সমাদর করিতেছি; কেননা তাঁহার সমস্ত ক্রিয়া সত্য, ও তাঁহার পথ সকল ন্যায্য; আর যাহারা স্বগর্ব্বে চলে, তিনি তাহাদিগকে খর্ব্ব করিতে পারেন।
ঐ সমারোহ নীত হইবে ও সে উদ্ধতচিত্ত হইবে, আর সহস্র সহস্র লোককে নিপাত করিবে, তথাপি প্রবল থাকিবে না।
সে ব্যবসায়ী, তাহার হস্তে ছলনার নিক্তি, সে ঠকাইতে ভালবাসে।
চরাণী পাইলে তাহারা তৃপ্ত হইল, তৃপ্ত হইয়া গর্ব্বিতচিত্ত হইল, এই নিমিত্ত তাহারা আমাকে ভুলিয়া গিয়াছে।
সোর আপনার জন্য দৃঢ় দুর্গ নির্ম্মাণ করিয়াছে, এবং ধূলার ন্যায় রৌপ্য ও পথের কদ্দমের ন্যায় উত্তম স্বর্ণ সঞ্চয় করিয়াছে।
আর তিনি তাহাদিগকে এই দৃষ্টান্ত কহিলেন, এক জন ধনবানের ভূমিতে প্রচুর শস্য উৎপন্ন হইয়াছিল।
তোমরা পরস্পরের প্রতি একমনা হও, উচ্চ উচ্চ বিষয় ভাবিও না, কিন্তু অবনত বিষয় সকলের সহিত আকর্ষিত হও। আপনাদের জ্ঞানে বুদ্ধিমান্ হইও না।
যাহারা এই যুগে ধনবান্, তাহাদিগকে এই আজ্ঞা দেও, যেন তাহারা গর্ব্বিতমনা না হয়, এবং ধনের অস্থিরতার উপরে নয়, কিন্তু যিনি ধনবানের ন্যায় সকলই আমাদের ভোগার্থে যোগাইয়া দেন, সেই ঈশ্বরেরই উপরে প্রত্যাশা রাখে;
এখন দেখ, তোমাদের কেহ কেহ বলে, অদ্য কিম্বা কল্য আমরা অমুক নগরে যাইব, এবং সেখানে এক বৎসর যাপন করিব, বাণিজ্য করিব ও লাভ করিব।