এখন আমি নবূখদ্নিৎসর সেই স্বর্গরাজ্যের প্রশংসা, প্রতিষ্ঠা ও সমাদর করিতেছি; কেননা তাঁহার সমস্ত ক্রিয়া সত্য, ও তাঁহার পথ সকল ন্যায্য; আর যাহারা স্বগর্ব্বে চলে, তিনি তাহাদিগকে খর্ব্ব করিতে পারেন।
Cross references
আর তোমার, তোমার প্রজাদের ও দাসগণের অঙ্গে ভেক উঠিবে।
এখন আমি জানি, সকল দেব হইতে সদাপ্রভু মহান্; সেই বিষয়ে মহান্, যে বিষয়ে উহারা ইহাদের বিপক্ষে গর্ব্ব করিত।
তিনি শৈল, তাঁহার কর্ম্ম সিদ্ধ, কেননা তাঁহার সমস্ত পথ ন্যায্য; তিনি বিশ্বাস্য ঈশ্বর,তাঁহাতে অন্যায় নাই; তিনিই ধর্ম্মময় ও সরল।
তোমরা এমন মহাশ্লাঘার কথা আর কহিও না, তোমাদের মুখ হইতে দর্প নির্গত না হউক; কেননা সদাপ্রভু জ্ঞানের ঈশ্বর, তাঁহাকর্ত্তৃক কর্ম্ম সকল তুলাতে পরিমিত হয়।
এই জন্য সদাপ্রভু তাঁহাদের বিরুদ্ধে অশূর-রাজের সেনাপতিদিগকে আনিলেন; আর তাহারা মনঃশিকে হাতকড়ী দিয়া তাঁহাকে শৃঙ্খলে বদ্ধ করিয়া বাবিলে লইয়া গেল।
আর তাঁহার প্রার্থনা, কিরূপে সেই প্রার্থনা গ্রাহ্য হইল, এবং তাঁহার সমস্ত পাপ ও সত্যলঙ্ঘন, এবং আপনাকে অবনত করিবার পূর্ব্বে তিনি যে যে স্থানে উচ্চস্থলী নির্ম্মাণ এবং আশেরা-মূর্ত্তি ও ক্ষোদিত প্রতিমা স্থাপন করিয়াছিলেন, দেখ, সেই সকলের বিবরণ দর্শকদের গ্রন্থে লিখিত আছে।
রাজা হামনকে কহিলেন, তুমি সত্বর হও, সেই পরিচ্ছদ ও অশ্ব লইয়া যেমন কহিলে, তেমনি রাজদ্বারে উপবিষ্ট যিহূদী মর্দখয়ের প্রতি কর; তুমি যে সকল কথা কহিলে, তাহার কিছু ত্রুটি করিও না।
তোমার উচ্চণ্ড ক্রোধ ঢালিয়া দেও, প্রত্যেক অহঙ্কারীকে দৃক্পাতমাত্র নত কর;
কেননা সদাপ্রভুর বাক্য যথার্থ, তাঁহার সকল ক্রিয়া বিশ্বস্ততাসিদ্ধ।
রাজার বলও বিচার ভালবাসে; তুমি ন্যায়বিধি অটল করিয়া থাক, তুমি যাকোবের মধ্যে বিচার ও ধার্ম্মিকতা সাধন করিয়া থাক।
হে সদাপ্রভু, আমি জানি, তোমার শাসনকলাপ ধর্ম্মময়, আর তুমি বিশ্বস্ততায় আমাকে দুঃখ দিয়াছ।
সদাপ্রভু আপনার সমস্ত পথে ধর্ম্মশীল, আপনার সমস্ত কার্য্যে দয়াবান্।
কিন্তু বাহিনীগণের সদাপ্রভু বিচারে উন্নত হন, পবিত্রতম ঈশ্বর ধর্ম্মশীলতায় পবিত্র বলিয়া মান্য হন।
তোমার অহঙ্কারের সময়ে তুমি আপন ভগিনী সদোমের নাম মুখে আনিতে না;
অভিপ্রায় এই, আমি যখন তোমার ক্রিয়া সকল মার্জ্জনা করিব, তখন তুমি যেন তাহা স্মরণ করিয়া লজ্জিতা হও, ও নিজ অপমান প্রযুক্ত আর কখনও মুখ না খুল, ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন।
আহা! তাঁহার চিহ্ন সকল কেমন মহৎ! তাঁহার আশ্চর্য্য কার্য্য সকল কেমন পরাক্রমশালী! তাঁহার রাজ্য অনন্তকালীন রাজ্য, ও তাঁহার কর্ত্তৃত্ব পুরুষানুক্রমে স্থায়ী।
রাজা এই কথা কহিলেন, এ কি সেই মহতী বাবিল নয়, যাহা আমি আপন বলের প্রভাবে ও আপন প্রতাপের মহিমার্থে রাজধানী করিবার জন্য নির্ম্মাণ করিয়াছি?
আর সেই সময়ের শেষে আমি নবূখদ্নিৎসর স্বর্গের দিকে চক্ষু তুলিলাম, ও আমার বুদ্ধি আমাতে ফিরিয়া আসিল; তাহাতে আমি পরাৎপরের ধন্যবাদ করিলাম, এবং অনন্তজীবী ঈশ্বরের প্রশংসা ও সমাদর করিলাম; কারণ তাঁহার কর্ত্তৃত্ব অনন্তকালীন কর্ত্তৃত্ব ও তাঁহার রাজ্য পুরুষানুক্রমে স্থায়ী;
তাঁহারা দ্রাক্ষারস পান করিতে করিতে সুবর্ণময়, রৌপ্যময়, পিত্তলময়, লৌহময়, কাষ্ঠময় ও প্রস্তরময় দেবগণের প্রশংসা করিতে লাগিলেন।
কিন্তু তাঁহার অন্তঃকরণ গর্ব্বিত হইলে ও তাঁহার আত্মা কঠিন হইয়া পড়িলে তিনি দুঃসাহসী হইলেন, তাই আপন রাজসিংহাসন হইতে চ্যুত হইলেন, ও তাঁহা হইতে গৌরব নীত হইল।
সেই সময়ে যীশু এই কথা কহিলেন, হে পিতঃ হে স্বর্গের ও পৃথিবীর প্রভু, আমি তোমার ধন্যবাদ করিতেছি, কেননা তুমি বিজ্ঞ ও বুদ্ধিমানদের হইতে এই সকল বিষয় গুপ্ত রাখিয়া শিশুদের নিকটে প্রকাশ করিয়াছ;
ঈশ্বর, যিনি জগৎ ও তন্মধ্যস্থ সমস্ত বস্তু নির্ম্মাণ করিয়াছেন, তিনিই স্বর্গের ও পৃথিবীর প্রভু, সুতরাং হস্তনির্ম্মিত মন্দিরে বাস করেন না;
বরং তিনি আরও অনুগ্রহ প্রদান করেন; এই কারণ শাস্ত্র বলে, “ঈশ্বর অহঙ্কারীদের প্রতিরোধ করেন, কিন্তু নম্রদিগকে অনুগ্রহ প্রদান করেন।”
কিন্তু তোমরা “মনোনীত বংশ, রাজকীয় যাজকবর্গ, পবিত্র জাতি, [ঈশ্বরের] নিজস্ব প্রজাবৃন্দ, যেন তাঁহারই গুণকীর্ত্তন কর,” যিনি তোমাদিগকে অন্ধকার হইতে আপনার আশ্চর্য্য জ্যোতির মধ্যে আহ্বান করিয়াছেন।
তদ্রূপ, হে যুবকেরা, তোমরা প্রাচীনদের বশীভূত হও; আর তোমরা সকলেই এক জন অন্যের সেবার্থে নম্রতায় কটিবন্ধন কর, কেননা “ঈশ্বর অহঙ্কারীদের প্রতিরোধ করেন, কিন্তু নম্রদিগকে অনুগ্রহ প্রদান করেন।”
আর তাহারা ঈশ্বরের দাস মোশির গীত ও মেষশাবকের গীত গায়, বলে, “মহৎ ও আশ্চর্য্য তোমার ক্রিয়া সকল, হে প্রভু ঈশ্বর, সর্ব্বশক্তিমান্; ন্যায্য ও সত্য তোমার মার্গ সকল, হে জাতিগণের রাজন্!
পরে আমি যজ্ঞবেদির এই বাণী শুনিলাম, হাঁ, হে প্রভু ঈশ্বর, সর্ব্বশক্তিমান্, তোমার বিচারাজ্ঞা সকল সত্য ও ন্যায্য।
এই সকলের পরে আমি যেন স্বর্গস্থিত বৃহৎ লোকারণ্যের মহারব শুনিলাম, তাহারা বলিতেছে—হাল্লিলূয়া, পরিত্রাণ ও প্রতাপ ও পরাক্রম আমাদের ঈশ্বরেরই;