এখন দেখ, তোমাদের কেহ কেহ বলে, অদ্য কিম্বা কল্য আমরা অমুক নগরে যাইব, এবং সেখানে এক বৎসর যাপন করিব, বাণিজ্য করিব ও লাভ করিব।
Cross references
আর পরস্পর কহিল, আইস, আমরা ইষ্টক নির্ম্মাণ করিয়া অগ্নিতে দগ্ধ করি; তাহাতে ইষ্টক তাহাদের প্রস্তর ও মেটিয়া তৈল চূণ হইল।
আইস, আমরা নীচে গিয়া, সেই স্থানে তাহাদের ভাষার ভেদ জন্মাই, যেন তাহারা এক জন অন্যের ভাষা বুঝিতে না পারে।
কল্যের বিষয়ে গর্ব্বকথা কহিও না; কেননা এক দিন কি উপস্থিত করিবে, তাহা তুমি জান না।
আমি মনে মনে বলিলাম, ‘আইস, আমি এক বার আমোদের দ্বারা তোমার পরীক্ষা করি, তুমি সুখভোগ কর,’ আর দেখ, তাহাও অসার।
এখন শুন, আমি আপন দ্রাক্ষাক্ষেত্রের প্রতি যাহা করিব, তাহা তোমাদিগকে জ্ঞাত করি; আমি তাহার বেড়া দূর করিব, তাহা ভক্ষিত হইবে; আমি তাহার প্রাচীর ভাঙ্গিয়া ফেলিব, তাহা দলিত হইবে।
এইরূপে প্রজা ও যাজক, দাস ও প্রভু, দাসী ও কর্ত্রী, ক্রেতা ও বিক্রেতা, অধমর্ণ ও উত্তমর্ণ, কুসীদগ্রাহী ও কুসীদদায়ক, সকলে সমান হইবে।
সেই কুকুরগণ উদরম্ভরি, তাহাদের কখনও তৃপ্তি বোধ হয় না; আর ইহারা বিবেচনা-বিহীন পালক; সকলে নির্ব্বিশেষে আপন আপন পথের দিকে, আপন আপন লাভের চেষ্টায়, ফিরিয়াছে।
কাল আসিতেছে দিন সন্নিকট হইল; ক্রেতা আনন্দ না করুক, বিক্রেতা শোক না করুক; কেননা তথাকার সমস্ত লোকারণ্যের প্রতি ক্রোধ উপস্থিত।
তাহাতে সে মনে মনে বিবেচনা করিতে লাগিল, কি করি? আমার শস্য রাখিবার ত স্থান নাই।
এবং যাহারা রোদন করিতেছে, তাহারা যেন রোদন করিতেছে না; যাহারা আনন্দ করিতেছে, তাহারা যেন আনন্দ করিতেছে না; যাহারা ক্রয় করিতেছে, তাহারা যেন কিছুই রাখে নাই;
এখন দেখ, হে ধনবানেরা, তোমাদের উপরে যে সকল দুর্দ্দশা আসিতেছে, সে সকলের জন্য রোদন ও হাহাকার কর।