তুমি ইদোমকে আঘাত করিয়াছ বলিয়া তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে; আপনার বড়াই কর, ও ঘরে বসিয়া থাক; অমঙ্গলের সহিত বিরোধ করিতে কেন প্রবৃত্ত হইবে? এবং তুমি ও যিহূদা উভয়ে কেন পতিত হইবে? কিন্তু অমৎসিয় কথা শুনিলেন না।
Cross references
তখন মোশি ফরৌণকে কহিলেন, আমার উপরে দর্প করিয়া বলুন; ভেক সকল যেন আপনা হইতে ও আপনার গৃহ সকল হইতে উচ্ছিন্ন হয়, কেবল নদীতে থাকে, আপনার ও আপনার দাসগণের ও প্রজা সকলের নিমিত্তে কোন্ সময়ের জন্য এমন বিনতি করিব? তিনি কহিলেন, কল্যকার জন্য।
তোমার চিত্তকে দর্পিত হইতে দিও না; এবং তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুকে ভুলিয়া যাইও না, যিনি মিসর দেশ হইতে, দাস-গৃহ হইতে, তোমাকে বাহির করিয়া আনিয়াছেন;
পরে অবীমেলক সেই দুর্গের কাছে উপস্থিত হইয়া তাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিল, এবং তাহা অগ্নি দ্বারা পোড়াইয়া দিবার জন্য দুর্গের দ্বার পর্য্যন্ত গেল।
তিনি লবণোপত্যকায় ইদোমের দশ সহস্র লোককে বধ করিলেন, ও যুদ্ধ দ্বারা সেলা হস্তগত করিয়া তাহার নাম যক্তেল রাখিলেন; অদ্যাপি তাহা রহিয়াছে।
কিন্তু শক্তিমান্ হইলে পর তাঁহার মন উদ্ধত হইল, তিনি দুরাচরণ করিলেন, আর তিনি আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে সত্যলঙ্ঘন করিলেন; কেননা তিনি ধূপবেদির উপরে ধূপ জ্বালাইতে সদাপ্রভুর মন্দিরে প্রবেশ করিলেন।
কিন্তু হিষ্কিয় প্রাপ্ত উপকারানুসারে প্রতিদান করিলেন না, কারণ তাঁহার মন গর্ব্বিত হইয়াছিল; অতএব তাঁহার এবং যিহূদার ও যিরূশালেমের উপরে ক্রোধ উপস্থিত হইল।
তখন তিনি দূত দ্বারা এই কথা বলিয়া পাঠাইলেন, হে যিহূদা-রাজ, তোমার সঙ্গে আমার বিষয় কি? আমি অদ্য তোমার বিরুদ্ধে আসি নাই, কিন্তু যে কুলের সহিত আমার যুদ্ধ বাধিয়াছে, তাহার বিরুদ্ধে যাইতেছি; আর ঈশ্বর আমাকে ত্বরা করিতে বলিয়াছেন; অতএব তুমি আমার সহবর্ত্তী ঈশ্বরের বিরুদ্ধাচরণ হইতে ক্ষান্ত হও, নচেৎ তিনি তোমাকে বিনষ্ট করিবেন।
অকারণে কোন ব্যক্তির সহিত বিরোধ করিও না, যদি সে তোমার অপকার না করিয়া থাকে।
যে ব্যক্তি ক্রোধী, সে বিবাদ উত্তেজিত করে; কিন্তু যে ক্রোধে ধীর, সে বিবাদ ক্ষান্ত করে।
বিনাশের পূর্ব্বে অহঙ্কার, পতনের পূর্ব্বে মনের গর্ব্ব।
বিবাদের আরম্ভ সেতুভঙ্গ জলের ন্যায়; অতএব উচ্চণ্ড হইবার পূর্ব্বে বিবাদ ত্যাগ কর।
বিবাদ হইতে নিবৃত্ত হওয়া মনুষ্যের গৌরব, কিন্তু মূর্খমাত্রেই বিবাদ করিবে।
তাড়াতাড়ি বিবাদ করিতে যাইও না; বিবাদের শেষে তুমি কি করিবে, যখন তোমার প্রতিবাসী তোমাকে লজ্জায় ফেলিবে?
যে জন পথে যাইতে যাইতে আপনার অসম্পর্কীয় বিবাদে রুষ্ট হয়, সে কুকুরের কাণ ধরে।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, জ্ঞানবান্ আপন জ্ঞানের শ্লাঘা না করুক, বিক্রমী আপন বিক্রমের শ্লাঘা না করুক, ধনবান্ আপন ধনের শ্লাঘা না করুক।
তোমার জ্ঞানের মহত্ত্বে বাণিজ্য দ্বারা আপনার ঐশ্বর্য্য বর্দ্ধিত করিয়াছ, তাই তোমার ঐশ্বর্য্যে তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে;
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি রোশের, মেশকের ও তূবলের অধ্যক্ষ মাগোগ দেশীয় গোগের দিকে মুখ রাখ, ও তাহার বিরুদ্ধে ভাববাণী বল,
পারস্য, কূশ ও পূট তাহাদের সঙ্গী হইবে; ইহারা সকলে ঢাল ও শিরস্ত্রাণধারী;
প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তুমি কি সেই ব্যক্তি, যাহার বিষয়ে আমি পূর্ব্বকালে আমার দাসগণ দ্বারা, অর্থাৎ যাহারা সেই সময়ে অনেক বৎসর ব্যাপিয়া ভাববাণী বলিত, সেই ইস্রায়েলীয় ভাববাদিগণ দ্বারা এই কথা কহিতাম যে, আমি তাহাদের বিরুদ্ধে তোমাকে আনাইব?
কিন্তু তাঁহার অন্তঃকরণ গর্ব্বিত হইলে ও তাঁহার আত্মা কঠিন হইয়া পড়িলে তিনি দুঃসাহসী হইলেন, তাই আপন রাজসিংহাসন হইতে চ্যুত হইলেন, ও তাঁহা হইতে গৌরব নীত হইল।
ঐ সমারোহ নীত হইবে ও সে উদ্ধতচিত্ত হইবে, আর সহস্র সহস্র লোককে নিপাত করিবে, তথাপি প্রবল থাকিবে না।
দেখ, তাহার প্রাণ দর্পে স্ফীত, তাহার অন্তর সরল নয়, কিন্তু ধার্ম্মিক ব্যক্তি আপন বিশ্বাস দ্বারা বাঁচিবে।
অথবা কোন্ রাজা অন্য রাজার সহিত যুদ্ধে সমাঘাত করিতে যাইবার সময়ে অগ্রে বসিয়া বিবেচনা করিবেন না, যিনি বিংশতি সহস্র সৈন্য লইয়া আমার বিরুদ্ধে আসিতেছেন, আমি দশ সহস্র লইয়া কি তাঁহার সম্মুখবর্ত্তী হইতে পারি?
অবনত ভ্রাতা আপন উন্নতির শ্লাঘা করুক;
বরং তিনি আরও অনুগ্রহ প্রদান করেন; এই কারণ শাস্ত্র বলে, “ঈশ্বর অহঙ্কারীদের প্রতিরোধ করেন, কিন্তু নম্রদিগকে অনুগ্রহ প্রদান করেন।”