সে মনে মনে বলে, আমি বিচলিত হইব না, পুরুষানুক্রমে কখন বিপদ্গ্রস্ত হইব না।
Cross references
আমি সদাপ্রভুর শরণ লইয়াছি; তোমরা কি ভাবিয়া আমার প্রাণকে বল, পক্ষীর ন্যায় তোমাদের পর্ব্বতে উড়িয়া যাও;
মূঢ় মনে মনে বলিয়াছে, ‘ঈশ্বর নাই’। তাহারা নষ্ট, তাহারা ঘৃণার্হ কর্ম্ম করিয়াছে; সৎকর্ম্ম করে এমন কেহই নাই।
সুদের জন্য টাকা ধার দেয় না, নির্দ্দোষের বিরুদ্ধে উৎকোচ লয় না; এই সকল কর্ম্ম যে করে, সে কখনও বিচলিত হইবে না।
আমার সুখাবস্থায় আমি বলিয়াছিলাম, আমি কখনও বিচলিত হইব না।
দুষ্কর্ম্মের দণ্ডাজ্ঞা ত্বরায় সিদ্ধ হয় না, এই কারণ মনুষ্যসন্তানদের অন্তঃকরণ দুষ্কর্ম্ম করিতে সম্পূর্ণরূপে রত হয়।
আর তুমি বলিলে, আমি চিরকাল ঠাকুরাণী থাকিব; তাই তুমি এ সকলে মনোযোগ কর নাই, শেষকালের ফলও বিবেচনা কর নাই।
[প্রত্যেক জন বলে,] চল, আমি দ্রাক্ষারস আনি, আমরা সুরাপানে মত্ত হইব, এবং যেমন অদ্যকার দিন, তেমনি কল্যও হইবে; তাহা অত্যন্ত অধিক বলিয়া মহাদিন হইবে।
কেননা, জড়িত কন্টকের ন্যায় ও মদ্যপানে আর্দ্র হইলেও, তাহারা শুষ্ক খড়ের ন্যায় নিঃশেষে অগ্নি-ভক্ষিত হইবে।
কিন্তু সেই দুষ্ট দাস যদি মনে মনে বলে, ‘আমার প্রভুর আসিবার বিলম্ব আছে,’
লোকে যখন বলে, শান্তি ও অভয়, তখনই তাহাদের কাছে যেমন গর্ভবতীর প্রসব-বেদনা উপস্থিত হইয়া থাকে, তেমনি আকস্মিক বিনাশ উপস্থিত হয়; আর তাহারা কোন ক্রমে এড়াইতে পারিবে না।
সে যত আত্মগৌরব ও বিলাস করিত, তাহাকে তত যন্ত্রণা ও শোক দেও। কেননা সে মনে মনে বলিতেছে, আমি রাণীর মত সিংহাসনে বসিয়া আছি, বিধবা নহি, কোন মতে শোক দেখিব না।