তাহার পথ সর্ব্বদা দৃঢ়; তোমার শাসনকলাপ ঊর্দ্ধ, তাহার দৃষ্টির বহির্ভূত; সমস্ত বিপক্ষের প্রতি সে ফুৎকার করে।
Cross references
আর ঈশ্বর পৃথিবীতে দৃষ্টিপাত করিলেন, আর দেখ, সে ভ্রষ্ট হইয়াছে, কেননা পৃথিবীস্থ সমুদয় প্রাণী ভ্রষ্টাচারী হইয়াছিল।
আর তাহারা বাহির হইয়া আপন আপন দ্রাক্ষাক্ষেত্রে ফল চয়ন করিল ও তাহা মাড়িল এবং উৎসব করিল, আর আপনাদের দেবতার মন্দিরে গিয়া ভোজন পান করিয়া অবীমেলককে শাপ দিল।
সবূল তাহাকে কহিল, কোথায় এখন তোমার সেই মুখ, যে মুখে বলিয়াছিলে, অবীমেলক কে যে আমরা তাহার দাসত্ব স্বীকার করি? তুমি যে লোকদিগকে তুচ্ছ করিয়াছিলে, উহারা কি সেই লোক নয়? এখন যাও, বাহির হইয়া উহার সহিত যুদ্ধ কর।
পরে রাজা ও তাঁহার লোকেরা দেশনিবাসী যিবূষীয়দের বিরুদ্ধে যিরূশালেমে যাত্রা করিলেন; তাহাকে তাহারা দায়ূদকে কহিল, তুমি এই স্থানে প্রবেশ করিতে পাইবে না, অন্ধেরা ও খঞ্জেরাই তোমাকে তাড়াইয়া দিবে। তাহারা ভাবিয়াছিল, দায়ূদ এই স্থানে প্রবেশ করিতে পারিবেন না।
তখন তিনি তাঁহার কাছে লোক পাঠাইয়া কহিলেন, শমরিয়ার ধূলি যদি আমার পশ্চাদগামী সমস্ত লোকের মুষ্টিপূরণে কুলায়, তবে দেবগণ আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
আর দেখ, এক জন ভাববাদী ইস্রায়েল-রাজ আহাবের নিকটে আসিয়া কহিলেন, সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তুমি কি ঐ সমস্ত মহালোকারণ্য দেখিয়াছ? দেখ, অদ্য আমি উহাদিগকে তোমার হস্তে সমর্পণ করিব; তাহাতে তুমি জানিতে পারিবে যে, আমিই সদাপ্রভু।
তিনি কাহাকে আশ্রয় দিলে সে নির্ভয়ে থাকে; কিন্তু তাহাদের পথে তাঁহার দৃষ্টি থাকে।
দুঃখীদের সর্ব্বনাশ, দীনহীনের কাতরোক্তি প্রযুক্ত, আমি এক্ষণে উঠিব, ইহা সদাপ্রভু কহেন, আমি ত্রাণাকাঙ্ক্ষীর ত্রাণ করিব।
কারণ যখন দুষ্টদের কল্যাণ দেখিয়াছিলাম, তখন গর্ব্বিতদের প্রতি ঈর্ষা করিয়াছিলাম।
সদাপ্রভু, তোমার কার্য্য সকল কেমন মহৎ। তোমার সঙ্কল্প সকল অতি গভীর।
পরধন-অপহারক সকলেরই এই গতি, সেই ধন তৎ-গ্রাহকদেরই প্রাণ নষ্ট করে।
যাহারা সরলতার পথ ত্যাগ করে, অন্ধকার-মার্গে চলিবার নিমিত্ত;
যাহারা বক্র পথের পথিক, আপন আপন আচরণে বিপথগামী।
বুদ্ধিমানের জন্য জীবনের পথ ঊর্দ্ধগামী, যেন সে অধঃস্থিত পাতাল হইতে সরিয়া যায়।
তুমি দুর্বৃত্ত লোকদের উপরে ঈর্ষা করিও না, তাহাদের সঙ্গে থাকিতেও বাসনা করিও না।
বীণা ও নেবল, তবল ও বাঁশী ও দ্রাক্ষারস, এই সকল তাহাদের ভোজে বিদ্যমান; কিন্তু তাহারা সদাপ্রভুর কার্য্য নেহারে না, তাঁহার হস্তের ক্রিয়া দেখিল না।
ধিক্ সেই ব্যবস্থাপকদিগকে, যাহারা অধর্ম্মের ব্যবস্থা স্থাপন করে, ও সেই লেখকদিগকে, যাহারা উপদ্রব লিখে;
হে সদাপ্রভু, তোমার হস্ত উত্তোলিত হইয়াছে, তবু তাহারা দেখে না; কিন্তু তাহারা প্রজাগণের পক্ষে তোমার উদ্যোগ দেখিবে ও লজ্জা পাইবে, হাঁ, অগ্নি তোমার বিপক্ষদিগকে দদ্ধ করিবে।
তোমরা বলিয়াছ, ‘আমরা মৃত্যুর সহিত নিয়ম করিয়াছি, পাতালের সহিত সন্ধি স্থির করিয়াছি; জলপ্রলয়রূপ কশা যখন উপনীত হইবে, তখন আমাদের কাছে আসিবে না, কেননা আমরা অলীকতাকে আপনাদের আশ্রয় করিয়াছি, ও মিথ্যা ছলের আড়ালে লুকাইয়াছি।’
তজ্জন্য তিনি তাহার উপরে আপন ক্রোধের তাপ ও যুদ্ধের প্রচণ্ডতা ঢালিয়া দিলেন; তাহাতে তাহার চারিদিকে অগ্নি জ্বলিয়া উঠিল, কিন্তু সে জানিল না; অগ্নি তাহার দাহ জন্মাইল, তথাপি সে মনোযোগ করিল না।
তাহারা গিবিয়ার সময়ের ন্যায় অত্যন্ত ভ্রষ্ট হইয়াছে; তিনি তাহাদের অপরাধ স্মরণ করিবেন, তাহাদের পাপ সকলের প্রতিফল দিবেন।
জ্ঞানবান্ কে? সে এই সকল বুঝিবে; বুদ্ধিমান্ কে? সে এই সকল জ্ঞাত হইবে; কেননা সদাপ্রভুর পথ সকল সরল, এবং ধার্ম্মিকগণ সেই সকল পথে চলে, কিন্তু অধর্ম্মাচারিগণ সেই সব পথে উছোট খায়।
তাহাদের পথে পথে ধ্বংস ও বিনাশ,