মূঢ় মনে মনে বলিয়াছে, ‘ঈশ্বর নাই’। তাহারা নষ্ট, তাহারা ঘৃণার্হ কর্ম্ম করিয়াছে; সৎকর্ম্ম করে এমন কেহই নাই।
Cross references
আর সদাপ্রভু দেখিলেন, পৃথিবীতে মনুষ্যের দুষ্টতা বড় এবং তাহার অন্তঃকরণের চিন্তার সমস্ত কল্পনা নিরন্তর কেবল মন্দ।
তৎকালে পৃথিবী ঈশ্বরের সাক্ষাতে ভ্রষ্ট, পৃথিবী দৌরাত্ম্যে পরিপূর্ণ ছিল।
বিনয় করি, আমার প্রভু সেই পাষণ্ডকে অর্থাৎ নাবলকে গণনার মধ্যে ধরিবেন না; তাহার যেমন নাম, সেও তেমনি। তাহার নাম নাবল [মূর্খ], তাহার অন্তরে মূর্খতা। কিন্তু আপনার এই দাসী আমি আমার প্রভুর প্রেরিত যুবকদিগকে দেখি নাই।
তবে যে ঘৃণার্হ ও ভ্রষ্ট, যে জন জলের মত অধর্ম্ম পান করে, সে কি!
কিন্তু তুমি কহিতেছ, ঈশ্বর কি জানেন? অন্ধকারে থাকিয়া তিনি কি শাসন করেন?
দুষ্ট লোক নাক তুলিয়া [বলে,] তিনি অনুসন্ধান করিবেন না; ঈশ্বর নাই, ইহাই তাহার চিন্তার সার।
দুষ্টের হৃদয়মধ্যে অধর্ম্ম তাহার কাছে কথা বলে, ঈশ্বর-ভয় তাহার চক্ষুর অগোচর।
বীর, তুমি কেন অনিষ্টকার্য্যের শ্লাঘা করিতেছ? ঈশ্বরের দয়া নিত্যস্থায়ী।
মূঢ় মনে মনে বলিয়াছে, ‘ঈশ্বর নাই’। তাহারা নষ্ট, তাহারা ঘৃণার্হ অধর্ম্ম করিয়াছে; সৎকর্ম্ম করে, এমন কেহ নাই।
কারণ যখন দুষ্টদের কল্যাণ দেখিয়াছিলাম, তখন গর্ব্বিতদের প্রতি ঈর্ষা করিয়াছিলাম।
নরপশু জানে না, নির্ব্বোধ ইহা বুঝে না।
তাহারা বক বক করিতেছে, সগর্ব্বে কথা কহিতেছে, অধর্ম্মাচারী সকলে আত্মশ্লাঘা করিতেছে।
মূর্খেরা আপনাদের অধর্ম্মাচরণ প্রযুক্ত, আপনাদের অপরাধ প্রযুক্ত দুর্দ্দশাপন্ন হয়।
সদাপ্রভুর ভয় জ্ঞানের আরম্ভ; অজ্ঞানেরা প্রজ্ঞা ও উপদেশ তুচ্ছ করে।
‘অবোধেরা, কত দিন নির্বুদ্ধিতা ভালবাসিবে? নিন্দকেরা কত দিন নিন্দায় রত থাকিবে? হীনবুদ্ধিরা, কত দিন জ্ঞানকে ঘৃণা করিবে?
বাসনার সিদ্ধি প্রাণে মধুর বোধ হয়; কিন্তু মন্দ হইতে সরিয়া যাওয়া হীনবুদ্ধিদের ঘৃণিত।
যদ্যপি উখলিতে গোমের মধ্যে মুষল দ্বারা অজ্ঞানকে কোট, তথাপি তাহার অজ্ঞানতা দূর হইবে না।
এমন ধার্ম্মিক লোক পৃথিবীতে নাই, যে সৎকর্ম্ম করে, পাপ করে না।
আহা পাপিষ্ঠ জাতি, অপরাধে ভারগ্রস্ত লোক, দুষ্কর্ম্মকারীদের বংশ, নষ্টাচারী সন্তানগণ; তাহারা সদাপ্রভুকে ত্যাগ করিয়াছে, ইস্রায়েলের পবিত্রতমকে অবজ্ঞা করিয়াছে, বিপথে গিয়াছে, পরাঙ্মুখ হইয়াছে।
তাহারা সদাপ্রভুকে অস্বীকার করিয়া বলিয়াছে, ‘উনি তিনি নন; আর আমাদের প্রতি অমঙ্গল ঘটিবে না, আমরা খড়্গ কি দুর্ভিক্ষ দর্শন করিব না,
তাহারা সকলে দারুণ অবাধ্য, পরীবাদ করিয়া বেড়ায়; তাহারা পিত্তল ও লৌহস্বরূপ; তাহারা সকলেই ভ্রাষ্টাচারী।
হে সর্পের বংশেরা, তোমরা মন্দ হইয়া কেমন করিয়া ভাল কথা কহিতে পার? কেননা হৃদয় হইতে যাহা ছাপিয়া উঠে, মুখ তাহাই বলে।
কেননা অন্তঃকরণ হইতে কুচিন্তা, নরহত্যা, ব্যভিচার, বেশ্যাগমন, চৌর্য্য, মিথ্যাসাক্ষ্য, নিন্দা আইসে।
কিন্তু ঈশ্বর তাহাকে কহিলেন, হে নির্ব্বোধ, অদ্য রাত্রিতেই তোমার প্রাণ তোমা হইতে দাবি করিয়া লওয়া যাইবে, তবে তুমি এই যে আয়োজন করিলে, এ সকল কাহার হইবে?
আর সেই বিচার এই যে, জগতে জ্যোতি আসিয়াছে, এবং মনুষ্যেরা জ্যোতি হইতে অন্ধকার অধিক ভাল বাসিল, কেননা তাহাদের কর্ম্ম সকল মন্দ ছিল।
কারণ ঈশ্বরকে জ্ঞাত হইয়াও তাহারা তাঁহাকে ঈশ্বর বলিয়া তাঁহার গৌরব করে নাই, ধন্যবাদও করে নাই; কিন্তু আপনাদের তর্কবিতর্কে অসার হইয়া পড়িয়াছে, এবং তাহাদের অবোধ হৃদয় অন্ধকার হইয়া গিয়াছে।
যেমন লিখিত আছে, “ধার্ম্মিক কেহই নাই, এক জনও নাই,
আর যখন তোমরা আপন আপন অপরাধে ও পাপে মৃত ছিলে, তখন তিনি তোমাদিগকেও জীবিত করিলেন;
তৎকালে তোমরা খ্রীষ্ট হইতে বিভিন্ন, ইস্রায়েলের প্রজাধিকারের বহিঃস্থ, এবং প্রতিজ্ঞাযুক্ত নিয়মগুলির অসম্পর্কীয় ছিলে, তোমাদের আশা ছিল না, আর তোমরা জগতের মধ্যে ঈশ্বরবিহীন ছিলে।
তাহারা স্বীকার করে যে, ঈশ্বরকে জানে, কিন্তু কার্য্যে তাঁহাকে অস্বীকার করে; তাহারা ঘৃণাস্পদ ও অবাধ্য এবং সমস্ত সৎক্রিয়ার পক্ষে অপ্রামাণিক।
কেননা পূর্ব্বে আমরাও নির্ব্বোধ, অবাধ্য, ভ্রান্ত, নানাবিধ অভিলাষের ও সুখভোগের দাস, হিংসাতে ও মাৎসর্য্যে কালক্ষেপকারী, ঘৃণার্হ ও পরস্পর দ্বেষকারী ছিলাম।
কিন্তু যাহারা ভীরু, বা অবিশ্বাসী, বা ঘৃণার্হ, বা নরঘাতক, বা বেশ্যাগামী, বা মায়াবী বা প্রতিমাপূজক, তাহাদের এবং সমস্ত মিথ্যাবাদীর অংশ অগ্নি ও গন্ধকে প্রজ্বলিত হ্রদে হইবে; ইহাই দ্বিতীয় মৃত্যু।