সে যত আত্মগৌরব ও বিলাস করিত, তাহাকে তত যন্ত্রণা ও শোক দেও। কেননা সে মনে মনে বলিতেছে, আমি রাণীর মত সিংহাসনে বসিয়া আছি, বিধবা নহি, কোন মতে শোক দেখিব না।
Cross references
রাজা হামনকে কহিলেন, তুমি সত্বর হও, সেই পরিচ্ছদ ও অশ্ব লইয়া যেমন কহিলে, তেমনি রাজদ্বারে উপবিষ্ট যিহূদী মর্দখয়ের প্রতি কর; তুমি যে সকল কথা কহিলে, তাহার কিছু ত্রুটি করিও না।
তোমার মহিলারত্নদিগের মধ্যে রাজকন্যারা আছেন, তোমার দক্ষিণ দিকে দাঁড়াইয়া আছেন রাণী, ওফীরীর সুবর্ণে ভূষিতা।
আর সেই দিন প্রভু, বাহিনীগণের সদাপ্রভু রোদন, বিলাপ, মস্তক মুণ্ডন ও কটিদেশে চট বন্ধন ঘোষণা করিলেন;
হে অনূঢ়া বাবিল-কন্যে, তুমি নামিয়া ধূলিতে বস; হে কল্দীয়দের কন্যে, ভূমিতে বস, সিংহাসন নাই; কেননা লোকে তোমাকে আর কোমলা ও সুখভোগিনী বলিয়া ডাকিবে না।
আর তুমি বলিলে, আমি চিরকাল ঠাকুরাণী থাকিব; তাই তুমি এ সকলে মনোযোগ কর নাই, শেষকালের ফলও বিবেচনা কর নাই।
তুমি রাজাকে ও মাতারাণীকে বল, তোমরা অবনত হও, বস, কেননা তোমাদের উষ্ণীষ, তোমাদের চারু মুকুট খসিয়া পড়িল।
হায়, সেই নগরী কেমন একাকিনী বসিয়া আছে, যে লোকে পরিপূর্ণা ছিল। সে বিধবার ন্যায় হইয়াছে, যে জাতিগণের মধ্যে প্রধানা ছিল। প্রদেশ-সমূহের মধ্যে যে রাজ্ঞী ছিল, সে কর্ম্মাধীনা দাসী হইয়াছে।
তুমি তাহাতে পান করিবে, গাদও খাইয়া ফেলিবে, এবং তাহার খোলা চাটিবে, ও আপন স্তন বিদীর্ণ করিবে; কেননা আমি ইহা কহিলাম, ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি সোরের অধ্যক্ষকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে, তুমি বলিয়াছ, আমি দেবতা, আমি সমুদ্রগণের মধ্যস্থলে ঈশ্বরের আসনে বসিয়া আছি; কিন্তু তুমি ত মনুষ্যমাত্র, দেবতা নহ, তথাপি আপন চিত্তকে ঈশ্বরের চিত্তের তুল্য বলিয়া মানিয়াছি।
এই সেই উল্লাসপ্রিয়া নগরী, যে নির্ভয়ে বসিয়া থাকিত, যে মনে মনে বলিত, আমিই আছি, আমা ভিন্ন আর কেহ নাই; সে একেবারে ধ্বংসের আস্পদ হইল, পশুদের শয়নস্থান হইল! যে কেহ তাহার নিকট দিয়া যাইবে, সে শিশ দিবে, আপন হস্ত সঞ্চালন করিবে।
যে প্রতিরোধী হইবে ও ‘ঈশ্বর’ নামে আখ্যাত বা পূজ্য সকলের হইতে আপনাকে বড় করিবে, এমন কি, ঈশ্বরের মন্দিরে বসিয়া আপনাকে ঈশ্বর বলিয়া দেখাইবে।