কিন্তু এখন তিনি নিজ কোপে শাসন করেন নাই, দর্পের প্রতি বিশেষ অবধান করেন নাই,
Cross references
পরে সদাপ্রভু মোশি ও হারোণকে কহিলেন, তোমরা ইস্রায়েল-সন্তানগণের সাক্ষাতে আমাকে পবিত্র বলিয়া মান্য করিতে আমার বাক্যে বিশ্বাস করিলে না, এই জন্য আমি তাহাদিগকে যে দেশ দিয়াছি, সেই দেশে তোমরা এই মণ্ডলীকে প্রবেশ করাইবে না।
তবু এক্ষণে [দুঃখ] তোমার নিকটে আসিলে তুমি কাতর হইতেছ; তাহা তোমাকে স্পর্শ করিলে তুমি বিহ্বল হইতেছ।
তবে আমি কি প্রকারে তাঁহাকে উত্তর দিব? কেমন করিয়া কথা বাছিয়া তাঁহাকে কহিব?
যদিও তিনি আমাকে বধ করেন, তথাপি আমি তাঁহার অপেক্ষা করিব, কিন্তু তাঁহার সম্মুখে আপন পথের সমর্থন করিব।
নানা প্রকার ত্রাস আমার সম্মুখে উপস্থিত, সে সকল বায়ুর ন্যায় আমার সম্ভ্রম দূর করিতেছে; মেঘের ন্যায় আমার মঙ্গল অতীত হইতেছে।
কবরের মধ্যে কি তোমার দয়া, বিনাশস্থানে কি তোমার বিশ্বস্ততা প্রচারিত হইবে?
তবে আমি অপরাধের জন্য দণ্ড দ্বারা তাহাদিগকে শাস্তি দিব, অধর্ম্মের জন্য নানা প্রকারে আঘাত করিব;
পাপী যদ্যপি শত বার দুষ্কর্ম্ম করিয়া দীর্ঘকাল থাকে, তথাপি আমি নিশ্চয় জানি, ঈশ্বর-ভীত লোকদের, যাহারা ঈশ্বরের সাক্ষাতে ভীত হয়, তাহাদের মঙ্গল হইবে;
হে ইফ্রয়িম, আমি কিরূপে তোমাকে ত্যাগ করিব? হে ইস্রায়েল, কিরূপে তোমাকে পরহস্তে সমর্পণ করিব? কিরূপে তোমাকে অদ্মার তুল্য করিব? কিরূপে তোমাকে সবোয়িমের ন্যায় রাখিব? আমার মধ্যে অন্তঃকরণ ব্যাকুল হইতেছে, আমার করুণাসমষ্টি একসঙ্গে প্রজ্বলিত হইতেছে।
আর দেখ, এই সকল যে দিন ঘটিবে, সেই দিন পর্য্যন্ত তুমি নীরব থাকিবে, কথা কহিতে পারিবে না; যেহেতুক আমার এই যে সকল বাক্য যথাসময়ে সফল হইবে, ইহাতে তুমি বিশ্বাস করিলে না।
কোন শাসনই আপাততঃ আনন্দের বিষয় বোধ হয় না, কিন্তু দুঃখের বিষয় বোধ হয়; তথাপি তদ্দ্বারা যাহাদের অভ্যাস জন্মিয়াছে, তাহা পরে তাহাদিগকে ধার্ম্মিকতার শান্তিযুক্ত ফল প্রদান করে।
আমি যত লোককে ভালবাসি, সেই সকলকে অনুযোগ করি ও শাসন করি; অতএব উদ্যোগী হও, ও মন ফিরাও।