আমি যত লোককে ভালবাসি, সেই সকলকে অনুযোগ করি ও শাসন করি; অতএব উদ্যোগী হও, ও মন ফিরাও।
Cross references
লোকদের মধ্যে আমার পক্ষে অন্তর্জ্বালা প্রকাশ করাতে হারোণ যাজকের পৌত্র ইলিয়াসরের পুত্র পীনহস ইস্রায়েল-সন্তানগণ হইতে আমার ক্রোধ নিবৃত্ত করিল; এই জন্য আমি অন্তর্জ্বালায় ইস্রায়েল-সন্তানগণকে সংহার করিলাম না।
আর মনে বুঝিয়া দেখ, মনুষ্য যেমন আপন পুত্রকে শাসন করে, তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমাকে তদ্রূপ শাসন করেন।
আমি তাহার পিতা হইব, ও সে আমার পুত্র হইবে; সে অপরাধ করিলে আমি মনুষ্যগণের দণ্ড ও মনুষ্য-সন্তানদের প্রহার দ্বারা তাহাকে শাস্তি দিব।
দেখ, ধন্য সেই ব্যক্তি, যাহাকে ঈশ্বর অনুযোগ করেন, অতএব তুমি সর্ব্বশক্তিমানের দত্ত শাস্তি তুচ্ছ করিও না।
হে সদাপ্রভু, ক্রোধে আমাকে ভর্ৎসনা করিও না, কোপে আমাকে শাসন করিও না।
তুমি যখন অপরাধ প্রযুক্ত মনুষ্যকে ভর্ৎসনা দ্বারা শাসন কর, তখন কীটের ন্যায় তাহার সৌন্দর্য্য বিলীন করিয়া থাক; সত্য, প্রত্যেক মনুষ্য অসারমাত্র। সেলা।
কারণ তোমার গৃহনিমিত্তক উদ্যোগ আমাকে গ্রাস করিয়াছে; যাহারা তোমাকে তিরস্কার করে, তাহাদের তিরস্কার আমার উপরে পড়িয়াছে।
যিনি জাতিগণের শিক্ষাদাতা, তিনি কি ভর্ৎসনা করিবেন না? তিনিই ত মনুষ্যকে জ্ঞান শিক্ষা দেন।
বৎস, সদাপ্রভুর শাসন তুচ্ছ করিও না, তাঁহার অনুযোগে ক্লান্ত হইও না;
সৎ-পথত্যাগীর জন্য দুঃখদায়ক শাস্তি আছে; যে অনুযোগ ঘৃণা করে, সে মরিবে।
যে শাসন অমান্য করে, সে আপন প্রাণকে তুচ্ছ করে; কিন্তু যে অনুযোগ শুনে, সে বুদ্ধি উপার্জ্জন করে।
বালকের হৃদয়ে অজ্ঞানতা বাঁধা থাকে, কিন্তু শাসন-দণ্ড তাহা তাড়াইয়া দিবে।
হে সদাপ্রভু, সঙ্কটের সময়ে লোকেরা তোমার অপেক্ষায় ছিল, তোমা হইতে শাস্তি পাইবার সময়ে মৃদু স্বরে বিনয় করিত।
আমি তোমাদের সন্তানগণকে বৃথাই আঘাত করিয়াছি; তাহারা শাসন গ্রাহ্য করিল না; তোমাদেরই খড়্গ বিনাশক সিংহের ন্যায় তোমাদের ভাববাদিগণকে গ্রাস করিয়াছে।
তখন তুমি তাহাদিগকে বলিবে, এ সেই জাতি, যে আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর রবে কর্ণপাত করে নাই, শাসন গ্রহণ করে নাই; সত্য বিনষ্ট ও ইহাদের মুখ হইতে উচ্ছিন্ন হইয়াছে।
হে সদাপ্রভু, আমাকে শাসন কর, কেবল বিচারপূর্ব্বক কর; ক্রোধপূর্ব্বক করিও না, পাছে তুমি আমাকে ক্ষীণ করিয়া ফেল।
কেননা তোমার পরিত্রাণার্থে আমিই তোমার সহবর্ত্তী, ইহা সদাপ্রভু কহেন; কারণ আমি যাহাদের মধ্যে তোমাকে ছিন্নভিন্ন করিয়াছি, সেই সমস্ত জাতিকে নিঃশেষে সংহার করিব; তোমাকে নিঃশেষে সংহার করিব না, কিন্তু বিচারানুরূপ শাস্তি দিব, কোন মতে অদণ্ডিত রাখিব না।
আমি ইফ্রয়িমের স্বর স্পষ্ট শুনিতে পাইয়াছি; সে খেদোক্তি করিয়া বলিয়াছে, ‘তুমি আমাকে শাস্তি দিয়াছ, আমি শাস্তি ভোগ করিয়াছি, যাহাকে বশ করা হয় নাই, এমন গোবৎসের ন্যায়; আমাকে ফিরাও, তাহাতে আমি ফিরিব, কেননা তুমিই আমার ঈশ্বর সদাপ্রভু।
সে রব শুনে নাই, শাসন গ্রহণ করে নাই, সদাপ্রভুতে নির্ভর করে নাই, আপন ঈশ্বরের নিকটে আইসে নাই।
তাহাতে সেই কুমারীরা সকলে উঠিল, এবং আপন আপন প্রদীপ সাজাইল।
তাঁহার শিষ্যগণের মনে পড়িল যে, লেখা আছে, “তোমার গৃহনিমিত্তক উদ্যোগ আমাকে গ্রাস করিবে।”
যত্নে শিথিল হইও না, আত্মায় উত্তপ্ত হও, প্রভুর দাসত্ব কর, প্রত্যাশায় আনন্দ কর,
কিন্তু আমরা যখন প্রভু কর্ত্তৃক বিচারিত হই, তখন শাসিত হই, যেন জগতের সহিত দণ্ডাজ্ঞা প্রাপ্ত না হই।
অপরিচিতের ন্যায়, অথচ সুপরিচিত; ম্রিয়মাণের ন্যায়, অথচ দেখ, জীবিত আছি; শাসিতের ন্যায়, অথচ হত নহি; দুঃখিতের ন্যায়,
কারণ দেখ, এই বিষয়টী, অর্থাৎ ঈশ্বরের মতানুযায়ী যে মনোদুঃখ তোমাদের হইয়াছে, তাহা তোমাদের পক্ষে কত যত্ন সাধন করিয়াছে! আর কেমন দোষপ্রক্ষালন, আর কেমন বিরক্তি, আর কেমন ভয়, আর কেমন অনুরাগ, আর কেমন উদ্যোগ, আর কেমন প্রতীকার! সর্ব্ববিষয়ে তোমরা আপনাদিগকে ঐ ব্যাপারে শুদ্ধ দেখাইয়াছ।
কেবল তোমাদের নিকটে আমার উপস্থিতি-কালে নয়, কিন্তু সর্ব্বদাই উত্তম বিষয়ে সযত্নে অন্বেষিত হওয়া ভাল;
ইনি আমাদের নিমিত্তে আপনাকে প্রদান করিলেন, যেন মূল্য দিয়া আমাদিগকে সমস্ত অধর্ম্ম হইতে মুক্ত করেন, এবং আপনার নিমিত্ত নিজস্ব প্রজাবর্গকে, সৎক্রিয়াতে উদ্যোগী প্রজাবর্গকে, শুচি করেন।
আর তোমরা সেই আশ্বাসবাক্য ভুলিয়া গিয়াছ, যাহা পুত্র বলিয়া তোমাদের সহিত কথাবার্ত্তা কহিতেছে, “হে আমার পুত্র, প্রভুর শাসন তুচ্ছ করিও না, তাঁহার দ্বারা অনুযুক্ত হইলে ক্লান্ত হইও না।
ধন্য সেই ব্যক্তি, যে পরীক্ষা সহ্য করে; কারণ পরীক্ষাসিদ্ধ হইলে পর সে জীবনমুকুট প্রাপ্ত হইবে, তাহা প্রভু তাহাদিগকেই দিতে অঙ্গীকার করিয়াছেন, যাহারা তাঁহাকে প্রেম করে।
অতএব স্মরণ কর, কোথা হইতে পতিত হইয়াছ, এবং মন ফিরাও ও প্রথম কর্ম্ম সকল কর; নতুবা যদি মন না ফিরাও, আমি তোমার নিকটে আসিব ও তোমার দীপবৃক্ষ স্বস্থান হইতে দূর করিব।
আমি তাহাকে মন ফিরাইবার জন্য সময় দিয়াছিলাম, কিন্তু সে নিজ ব্যভিচার হইতে মন ফিরাইতে চায় না।