তাহার আয়ুর দিন নিরূপিত, তাহার মাসের সংখ্যা তোমার কাছে আছে, তুমি তাহার অলঙ্ঘনীয় সীমা স্থাপন করিয়াছ।
Cross references
দায়ূদ আরও কহিলেন, জীবন্ত সদাপ্রভুর দিব্য, সদাপ্রভুই উহাঁকে আঘাত করিবেন, কিম্বা উহাঁর দিন উপস্থিত হইলে উনি মরিবেন, কিম্বা সংগ্রামে গিয়া হত হইবেন।
পৃথিবীতে কি মর্ত্ত্যকে সৈন্যবৃত্তি করিতে হয় না? তাহার দিনসমূহ কি বেতনজীবীর দিনের তুল্য নহে?
তাঁহারই হস্তে সমস্ত জীবের প্রাণ, সমস্ত মানবজাতির আত্মা রহিয়াছে।
মনুষ্য মরিয়া কি পুনর্জীবিত হইবে? আমি আপন সৈন্যবৃত্তির সমস্ত দিন প্রতীক্ষা করিব, যে পর্য্যন্ত আমার দশান্তর না হয়।
কেননা আর কয়েক বৎসর গত হইলে যে পথে গেলে ফিরিব না, সেই পথে যাইব।
কারণ যখন তাহার মাসপর্য্যায় শেষ হইবে, তখন নিজ ভাবী কুলে তাহার কি সন্তোষ থাকিবে।
কিন্তু তিনি একাগ্রচিত্ত; কে তাঁহাকে ফিরাইতে পারে? তিনি যাহা ইচ্ছা, তাহাই করেন।
সদাপ্রভু, আমার অন্তকাল আমাকে জানাও, আমার আয়ুর পরিমাণ কি, জানাও, আমি জানিতে চাহি, আমি কেমন ক্ষণিক।
তুমি সীমা স্থাপন করিয়াছ, যেন জল তাহা উল্লঙ্ঘন না করে, যেন ফিরিয়া পৃথিবীকে আচ্ছাদন না করে।
তুমি নিজ মুখ আচ্ছাদন করিলে তাহারা বিহ্বল হয়; তুমি তাহাদের নিঃশ্বাস হরণ করিলে তাহারা মরিয়া যায়, তাহাদের ধূলিতে প্রতিগমন করে।
রোপণের কাল ও রোপিত বীজ উৎপাটনের কাল;
আত্মা রাখিতে আত্মার উপরে কোন মনুষ্যের কর্ত্তৃত্ব নাই, এবং মরণদিনের উপরে কর্ত্তৃত্ব কাহারও নাই, এবং [সেই] যুদ্ধে ছুটী সম্ভবে না, আর দুষ্টতা দুষ্টকে বাঁচাইবে না।
আর পৃথিবীনিবাসিগণ সকলে অবস্তুবৎ গণ্য; তিনি স্বর্গীয় বাহিনীর ও পৃথিবীনিবাসীদের মধ্যে আপন ইচ্ছানুসারে কার্য্য করেন; এবং এমন কেহ নাই যে, তাঁহার হস্ত থামাইয়া দিবে, কিম্বা তাঁহাকে বলিবে, তুমি কি করিতেছ?