কিন্তু ঈশ্বর তাহাকে কহিলেন, হে নির্ব্বোধ, অদ্য রাত্রিতেই তোমার প্রাণ তোমা হইতে দাবি করিয়া লওয়া যাইবে, তবে তুমি এই যে আয়োজন করিলে, এ সকল কাহার হইবে?
Cross references
পরে মোশি হারোণকে কহিলেন, তুমি ইস্রায়েল-সন্তানদের সমস্ত মণ্ডলীকে বল, তোমরা সদাপ্রভুর সম্মুখে উপস্থিত হও; কেননা তিনি তোমাদের বচসা শুনিয়াছেন।
পরে অবীগল নাবলের নিকটে আসিল; আর দেখ, রাজভোজের মত তাহার গৃহে ভোজ হইতেছিল, এবং নাবল প্রফুল্লচিত্ত ছিল, সে অতিশয় মত্ত হইয়াছিল; এই জন্য অবীগল রাত্রি প্রভাতের পূর্ব্বে ঐ বিষয়ের অল্প কি অধিক কিছুই তাহাকে কহিল না।
পরে অবশালোম আপন চাকরদিগকে এই আজ্ঞা দিল, দেখিও, দ্রাক্ষারসে অম্নোনের চিত্ত প্রফুল্ল হইলে যখন আমি তোমাদিগকে বলিব, অম্নোনকে মার, তখন তোমরা তাহাকে বধ করিও, ভীত হইও না। আমি কি তোমাদিগকে আজ্ঞা দিই নাই? তোমরা সাহস কর, বীর্য্যবান হও।
পরে তাঁহার অর্দ্ধসংখ্যক রথের অধ্যক্ষ সিম্রি নামে তাঁহার দাস তাঁহার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করিলেন। এলা তির্সাতে রাজবাটীর অধ্যক্ষ অর্সার গৃহে পান করিয়া মত্ত হইলেন,
আর হামন তাহাদের কাছে আপন ঐশ্বর্য্যের প্রতাপ ও সন্তান-বাহুল্যের কথা, এবং রাজা কিরূপে সকল বিষয়ে তাহাকে উচ্চ পদ দিয়াছেন ও কিরূপে তাহাকে অধ্যক্ষগণ ও রাজার দাসগণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আসন দিয়াছেন, এই সমস্ত তাহাদের কাছে বর্ণনা করিল।
সেই দিন অহশ্বেরশ রাজা ইষ্টের রাণীকে যিহূদীদের শত্রু হামনের বাটী দান করিলেন। আর মর্দখয় রাজার সাক্ষাতে উপস্থিত হইলেন, কেননা মর্দখয় ইষ্টেরের কে, তাহা ইষ্টের জানাইয়াছিলেন।
তাহার উদরে শান্তি হইত না, সে আপন অভীষ্ট বস্তুর কিছুই রক্ষা করিতে পারিবে না
বস্তুতঃ পামর ধন সঞ্চয় করিলেও তাহার প্রত্যাশা কি? কেননা ঈশ্বর তাহার প্রাণ হরণ করিবেন।
সে যদিও ধূলির ন্যায় রৌপ্য সঞ্চয় করে, যদিও কর্দ্দমের ন্যায় পরিচ্ছদ প্রস্তুত করে,
সত্য, মনুষ্য ছায়ার ন্যায় গমনাগমন করে, সত্য, তাহারা অসারের জন্য ব্যতিব্যস্ত; সে ধনরাশি সঞ্চয় করে, কিন্তু কে তাহা সংগ্রহ করিবে, জানে না।
কেননা মরণকালে সে কিছুই সঙ্গে লইয়া যাইবে না, তাহার ঐশ্বর্য্য তাহার অনুগমন করিবে না।
ঈশ্বরও তোমাকে চিরতরে বিনষ্ট করিবেন, তোমাকে ধরিয়া তাম্বু হইতে টানিয়া লইবেন, জীবিতদের দেশ হইতে তোমাকে উন্মুলন করিবেন। সেলা।
তাহারা নিমিষকাল মধ্যে কেমন উচ্ছিন্ন হয়, নানা ত্রাসে কেমন নিঃশেষে সংহার পায়।
তাহারা আপনাদের অভীষ্ট দ্রব্য ছাড়ে নাই, তাহাদের খাদ্য তাহাদের মুখেই ছিল,
ক্রোধের দিনে ধন উপকার করে না; কিন্তু ধার্ম্মিকতা মৃত্যু হইতে রক্ষা করে।
যে সুদ ও বৃদ্ধি লইয়া আপন ধন বাড়ায়, সে দীনহীনদের প্রতি দয়াকারীর জন্য সঞ্চয় করে।
সূর্য্যের নীচে আমি যে পরিশ্রমে পরিশ্রান্ত হইতাম, আমার সেই সমস্ত পরিশ্রমে বিরক্ত হইলাম; কেননা আমার পরবর্ত্তী ব্যক্তির জন্য তাহা রাখিয়া যাইতে হইবে।
আর দুর্ঘটনায় সেই ধনের ক্ষয় হয়, এবং পুত্রের জন্ম দিলে তাহার হস্তে কিছুই নাই।
প্রসব না করিলেও যেমন তিত্তির পক্ষী শাবকদিগকে সংগ্রহ করে, তেমনি সেই ব্যক্তি যে অন্যায়ে ধন সঞ্চয় করে, সেই ধন অর্দ্ধ বয়সে তাহাকে ছাড়িয়া যাইবে, এবং শেষকালে সে মূঢ় হইয়া পড়িবে।
রাজা বেল্শৎসর আপনার সহস্র মহল্লোকের নিমিত্ত মহাভোজ প্রস্তুত করিলেন, এবং সেই সহস্রের সাক্ষাতে দ্রাক্ষারস পান করিলেন।
লিখিত কথাটী এই, ‘মিনে মিনে, তকেল, উপারসীন,’ [গণিত, গণিত, তুলাতে পরিমিত, ও খণ্ডিত]।
কেননা, জড়িত কন্টকের ন্যায় ও মদ্যপানে আর্দ্র হইলেও, তাহারা শুষ্ক খড়ের ন্যায় নিঃশেষে অগ্নি-ভক্ষিত হইবে।
কিন্তু সেই দুষ্ট দাস যদি মনে মনে বলে, ‘আমার প্রভুর আসিবার বিলম্ব আছে,’
নির্ব্বোধেরা, যিনি বাহিরের ভাগ নির্ম্মাণ করিয়াছেন, তিনি কি ভিতরের ভাগও নির্ম্মাণ করেন নাই?
কালক্রমে ঐ কাঙ্গাল মরিয়া গেল, আর স্বর্গদূতগণ তাহাকে লইয়া অব্রাহামের কোলে বসাইলেন। পরে সেই ধনবান্ও মরিল, এবং কবরপ্রাপ্ত হইল।
লোকে যখন বলে, শান্তি ও অভয়, তখনই তাহাদের কাছে যেমন গর্ভবতীর প্রসব-বেদনা উপস্থিত হইয়া থাকে, তেমনি আকস্মিক বিনাশ উপস্থিত হয়; আর তাহারা কোন ক্রমে এড়াইতে পারিবে না।
কেননা আমরা জগতে কিছুই সঙ্গে আনি নাই, কিছুই সঙ্গে করিয়া লইয়া যাইতেও পারি না;
তোমরা ত কল্যকার তত্ত্ব জান না; তোমাদের জীবন কি প্রকার? তোমরা ত বাষ্পস্বরূপ, যাহা ক্ষণেক দৃশ্য থাকে, পরে অন্তর্হিত হয়।