তুমি নিজ মুখ আচ্ছাদন করিলে তাহারা বিহ্বল হয়; তুমি তাহাদের নিঃশ্বাস হরণ করিলে তাহারা মরিয়া যায়, তাহাদের ধূলিতে প্রতিগমন করে।
Cross references
তুমি ঘর্ম্মাক্ত মুখে আহার করিবে, যে পর্য্যন্ত তুমি মৃত্তিকায় প্রতিগমন না করিবে; তুমি ত তাহা হইতেই গৃহীত হইয়াছ; কেননা তুমি ধূলি, এবং ধূলিতে প্রতিগমন করিবে।
সেই সময়ে তাহাদের বিরুদ্ধে আমার ক্রোধ প্রজ্বলিত হইবে, আমি তাহাদিগকে ত্যাগ করিব ও তাহাদের হইতে আপন মুখ আচ্ছাদন করিব; আর তাহারা কবলিত হইবে, এবং তাহাদের উপরে বহুবিধ অমঙ্গল ও সঙ্কট ঘটিবে; সেই সময়ে তাহারা বলিবে, আমাদের উপর এই সমস্ত অমঙ্গল ঘটিয়াছে, ইহার কারণ কি ইহাই নয়, যে আমাদের ঈশ্বর আমাদের মধ্যবর্ত্তী নহেন?
স্মরণ কর, তুমি মৃৎপাত্রের ন্যায় আমাকে গড়িয়াছ, আবার আমাকে কি ধূলিতে লীন করিবে?
তুমি কেন আপন মুখ লুকাইতেছ? কেন আমাকে তোমার শত্রু বলিয়া ধরিতেছ?
যদি তিনি আপনাতেই নিবিষ্টমনা থাকেন, আপনার আত্মা ও নিঃশ্বাস আপনার কাছে সংগ্রহ করেন,
তিনি শান্তি দিলে কে দোষ দিতে পারে? তিনি মুখ ঢাকিলে তে তাঁহার দর্শন পাইতে পারে? জাতির বা ব্যক্তির কথা হউক, একই;
সদাপ্রভু, তুমি আপন অনুগ্রহেই আমার পর্ব্বত দৃঢ়রূপে স্থাপন করিয়াছিলে; তুমি মুখ লুকাইলে; আমি বিহ্বল হইয়া পড়িলাম।
তুমি মর্ত্ত্যকে ধূলিতে ফিরাইয়া থাক, বলিয়া থাক, মনুষ্য-সন্তানেরা, ফিরিয়া যাও।
তাহার শ্বাস নির্গত হয়, সে নিজ মৃত্তিকায় প্রতিগমন করে; সেই দিনেই তাহার সঙ্কল্প সকল নষ্ট হয়।
আর ধূলি পূর্ব্ববৎ মৃত্তিকাতে প্রতিগমন করিবে; এবং আত্মা যাঁহার দান, সেই ঈশ্বরের কাছে প্রতিগমন করিবে।
কোন কিছুর অভাব প্রযুক্ত মনুষ্যদের হস্ত দ্বারা সেবিতও হন না, তিনিই সকলকে জীবন ও শ্বাস ও সমস্তই দিতেছেন।
কারণ সৃষ্টি অসারতার বশীকৃত হইল, স্বইচ্ছায় যে হইল, তাহা নয়, কিন্তু বশীকর্ত্তার নিমিত্ত;