তোমরা সময় থাকিতে আপনাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর গৌরব স্বীকার কর, নতুবা তিনি অন্ধকার উপস্থিত করিবেন, আর তিমিরাচ্ছন্ন পর্ব্বতমালায় তোমাদের চরণে উছোট লাগিবে, এবং তোমরা আলোর অপেক্ষা করিলে তিনি তাহা মৃত্যুচ্ছায়াতে পরিণত করিবেন, ঘোর অন্ধকারস্বরূপ করিবেন।
Cross references
পরে সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন, তুমি আকাশের দিকে হস্ত বিস্তার কর; তাহাতে মিসর দেশে অন্ধকার হইবে ও সেই অন্ধকার স্পর্শনীয় হইবে।
তখন যিহোশূয় আখনকে কহিলেন, হে আমার বৎস, বিনয় করি, তুমি ইস্রায়েলের ঈশ্বর সদাপ্রভুর মহিমা স্বীকার কর, তাঁহার স্তব কর; এবং তুমি কি করিয়াছ, আমাকে বল; আমা হইতে গোপন করিও না।
অতএব তোমরা আপনাদের স্ফোটকের প্রতিমা ও দেশনাশকারী মূষিকের প্রতিমা নির্ম্মাণ কর, এবং ইস্রায়েলের ঈশ্বরের গৌরব স্বীকার কর; হয় ত তিনি তোমাদের উপর হইতে, তোমাদের দেবগণের ও দেশের উপর হইতে, আপনার হস্ত লঘু করিবেন।
সদাপ্রভুর উদ্দেশে তাঁহার নামের গৌরব কীর্ত্তন কর; পবিত্র শোভায় সদাপ্রভুর কাছে প্রণিপাত কর।
তথাপি তুমি আমাদিগকে শৃগালদিগের স্থানে চূরমার করিয়াছ, মৃত্যুচ্ছায়ায় আমাদিগকে আচ্ছন্ন করিয়াছ।
হে জাতিগণের গোষ্ঠী সকল, সদাপ্রভুর কীর্ত্তন কর, সদাপ্রভুর গৌরব ও শক্তি কীর্ত্তন কর।
দুষ্টদের পথ অন্ধকারের ন্যায়; তাহারা কিসে উছোট খাইবে, জানে না।
কোন মনুষ্য যদি অনেক বৎসর জীবিত থাকে, তবে সেই সকলে আনন্দ করুক, কিন্তু অন্ধকারের দিন সকল মনে রাখুক; কেননা সেই সকল দিন অনেক হইবে। যাহা যাহা ঘটে, সে সকলই অসার।
আর তুমি যৌবনকালে আপন সৃষ্টিকর্ত্তাকে স্মরণ কর, যেহেতু দুঃসময় আসিতেছে, এবং সেই বৎসর সকল সন্নিকট হইতেছে, যখন তুমি বলিবে, ইহাতে আমার প্রীতি নাই।
তাহারা সেই দিন ইহাদের উপরে সমুদ্রগর্জ্জনের ন্যায় গর্জ্জিয়া উঠিবে; আর, কেহ যদি দেশের প্রতি দৃষ্টি করে, দেখ, অন্ধকার ও সঙ্কট, আর আলোক আপন মেঘমণ্ডলে অন্ধকারময় হইয়াছে।
আর তাহারা ভূমির দিকে চাহিবে, এবং দেখ, সঙ্কট ও অন্ধকার, যাতনার তিমির; আর তাহারা নিবিড় অন্ধকারে দূরীকৃত হইবে।
এই জন্য বিচার আমাদের হইতে দূরে থাকে, ধার্ম্মিকতা আমাদের সঙ্গ ধরিতে পারে না; আমরা দীপ্তির অপেক্ষা করি, কিন্তু দেখ, অন্ধকার; আলোকের অপেক্ষা করি, কিন্তু তিমিরে ভ্রমণ করি।
আমরা অন্ধ লোকদের ন্যায় ভিত্তির জন্য হাঁতড়াই, চক্ষুহীন লোকদের ন্যায় হাঁতড়াই; যেমন সন্ধ্যাকালে তেমনি মধ্যাহ্নে আমরা উছোট খাই, মৃতদের ন্যায় আমরা অন্ধকার-স্থানে থাকি।
কেননা, দেখ, অন্ধকার পৃথিবীকে, ঘোর তিমির জাতিগণকে, আচ্ছন্ন করিতেছে, কিন্তু তোমার উপরে সদাপ্রভু উদিত হইবেন, এবং তাঁহার প্রতাপ তোমার উপরে দৃষ্ট হইবে।
‘আমি পৃথিবীতে দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ তাহা ঘোর ও শূন্য ছিল; আমি আকাশমণ্ডলে [দৃষ্টিপাত করিলাম] তাহার দীপ্তি ছিল না।
আমরা শান্তির অপেক্ষা করিলাম, কিন্তু কিছুই মঙ্গল হইল না; আরোগ্যকালের অপেক্ষা করিলাম, কিন্তু দেখ, উদ্বেগ উপস্থিত।
তুমি কি যিহূদাকে নিতান্তই অগ্রাহ্য করিয়াছ? তোমার প্রাণ কি সিয়োনকে ঘৃণা করিয়াছে? তুমি আমাদিগকে কেন এমন আঘাত করিলে যে, আমাদের আরোগ্য হয় না? আমরা শান্তির অপেক্ষা করিলাম, কিছুই মঙ্গল হইল না; আরোগ্যকালের অপেক্ষা করিলাম, আর দেখ, উদ্বেগ!
এ কারণ তাহাদের পক্ষে তাহাদের পথ অন্ধকারময় পিচ্ছিল স্থানের তুল্য হইবে; তাহারা তাড়িত হইয়া তাহার মধ্যে পতিত হইবে; কেননা তাহাদিগকে প্রতিফল দিবার বৎসরে আমি তাহাদের প্রতি অমঙ্গল উপস্থিত করিব, ইহা সদাপ্রভু কহেন।
এখনও আমাদের চক্ষু ক্ষীণ হইয়া পড়িতেছে, মিথ্যা সাহায্যের প্রত্যাশায়; আমরা অপেক্ষা করিতে করিতে এমন জাতির অপেক্ষায় রহিয়াছি, যে রক্ষা করিতে পারে না।
সে তিমির ও অন্ধকারের দিন, মেঘের ও ঘোর অন্ধকারের দিন, পর্ব্বতগণের উপরে অরুণের ন্যায় তাহা ব্যাপ্ত হইতেছে। বলবতী এক মহাজাতি; তাহার তুল্য জাতি যুগের আরম্ভ অবধি হয় নাই, এবং তাহার পরে পুরুষানুক্রমের বৎসর-পর্য্যায়েও হইবে না।
প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, সেই দিন আমি মধ্যাহ্নকালে সূর্য্যকে অস্তগত করিব, এবং দীপ্তির দিনে দেশকে অন্ধকারময় করিব।
বাহিনীগণের সদাপ্রভু কহেন, যদি আমার নামের মহিমা স্বীকার করিবার জন্য তোমরা কথা না শুন, ও মনোযোগ না কর, তবে আমি তোমাদের উপরে অভিশাপ প্রেরণ করিব, ও তোমাদের আশীর্ব্বাদের পাত্র সকলকে শাপ দিব; বাস্তবিক আমি সে সমস্তকে শাপ দিয়াছি, কেননা তোমরা মনোযোগ কর না।
তখন যীশু তাহাদিগকে কহিলেন, আর অল্প কালমাত্র জ্যোতি তোমাদের মধ্যে আছে। যাবৎ তোমাদের কাছে জ্যোতি আছে, যাতায়াত কর, যেন অন্ধকার তোমাদের উপরে আসিয়া না পড়ে; আর যে ব্যক্তি অন্ধকারে যাতায়াত করে, সে কোথায় যায়, তাহা জানে না।
আবারা তাহা হইয়া উঠিল, “ব্যঘাতজনক প্রস্তর ও বিঘ্নজনক পাষাণ।” বাক্যের অবাধ্য হওয়াতে তাহারা ব্যাঘাত পায়, এবং তাহার জন্যই নিযুক্ত হইয়াছিল।
যে আপন ভ্রাতাকে প্রেম করে, সে জ্যোতিতে থাকে, এবং তাহার অন্তরে বিঘ্নের কারণ নাই।