যে আপন ভ্রাতাকে প্রেম করে, সে জ্যোতিতে থাকে, এবং তাহার অন্তরে বিঘ্নের কারণ নাই।
Cross references
আইস, আমরা সদাপ্রভুকে জ্ঞাত হই, জ্ঞাত হইবার জন্য অনুধাবন করি; অরুণোদয়ের ন্যায় তাঁহার উদয় নিশ্চিত; আর তিনি আমাদের নিকটে বৃষ্টির ন্যায় আসিবেন, ভূমি-সেচনকারী শেষ বর্ষার ন্যায় আসিবেন।
পরে সেই বাক্য হেতু ক্লেশ কিম্বা তাড়না ঘটিলে সে অমনি বিঘ্ন পায়।
বিঘ্ন প্রযুক্ত জগৎকে ধিক্! কেননা বিঘ্ন অবশ্যই উপস্থিত হইবে; কিন্তু ধিক্ সেই ব্যক্তিকে, যাহার দ্বারা বিঘ্ন উপস্থিত হইবে।
যীশু আপন শিষ্যদিগকে আরও কহিলেন, বিঘ্ন উপস্থিত না হইবে, এমন হইতে পারে না; কিন্তু ধিক্ তাহাকে, যাহার দ্বারা উপস্থিত হইবে!
অতএব যে যিহূদীরা তাঁহাকে বিশ্বাস করিল, তাহাদিগকে যীশু কহিলেন, তোমরা যদি আমার বাক্যে স্থির থাক, তাহা হইলে সত্যই তোমরা আমার শিষ্য;
কারণ কি? বিশ্বাস দ্বারা নয়, কিন্তু যেন কর্ম্ম দ্বারা তাহারা অনুধাবন করিত।
অতএব, আইস, আমরা পরস্পর কেহ কাহারও বিচার আর না করি, বরং তোমরা এই বিচার কর যে, ভ্রাতার ব্যাঘাতজনক কি বিঘ্নজনক কিছু রাখা অকর্ত্তব্য।
এইরূপে তোমরা যেন, যাহা যাহা ভিন্ন প্রকার, তাহা পরীক্ষা করিয়া চিনিতে পার, খ্রীষ্টের দিন পর্য্যন্ত যেন তোমরা সরল ও বিঘ্নরহিত থাক,
অতএব, হে ভ্রাতৃগণ, তোমরা যে আহূত ও মনোনীত, তাহা নিশ্চয় করিতে অধিক যত্ন কর, কেননা এ সকল করিলে, তোমরা কখনও উছোট খাইবে না;
আমরা জানি যে, মৃত্যু হইতে জীবনে উত্তীর্ণ হইয়াছি, কারণ ভ্রাতৃগণকে প্রেম করি; যে কেহ প্রেম না করে, সে মৃত্যু মধ্যে থাকে।