প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, সেই দিন আমি মধ্যাহ্নকালে সূর্য্যকে অস্তগত করিব, এবং দীপ্তির দিনে দেশকে অন্ধকারময় করিব।
Cross references
পরে সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন, তুমি আকাশের দিকে হস্ত বিস্তার কর; তাহাতে মিসর দেশে অন্ধকার হইবে ও সেই অন্ধকার স্পর্শনীয় হইবে।
তাহারা দিবসে অন্ধকারে ভ্রমণ করে, মধ্যাহ্নে রাত্রিকালের ন্যায় হাঁতড়িয়া বেড়ায়।
বস্তুতঃ আকাশের তারাগণ ও নক্ষত্ররাশি দীপ্তি দিবে না; সূর্য্য উদয়-সময়ে নিস্তেজ হইবে, ও চন্দ্র আপন জ্যোৎস্না প্রকাশ করিবে না।
তোমরা চমৎকৃত হও ও আশ্চর্য্য জ্ঞান কর, চক্ষু মুদ ও অন্ধ হও; উহারা মত্ত, কিন্তু দ্রাক্ষারসে নয়; উহারা টলটলায়মান, কিন্তু সুরাপানে নয়।
এই জন্য বিচার আমাদের হইতে দূরে থাকে, ধার্ম্মিকতা আমাদের সঙ্গ ধরিতে পারে না; আমরা দীপ্তির অপেক্ষা করি, কিন্তু দেখ, অন্ধকার; আলোকের অপেক্ষা করি, কিন্তু তিমিরে ভ্রমণ করি।
তোমরা সময় থাকিতে আপনাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর গৌরব স্বীকার কর, নতুবা তিনি অন্ধকার উপস্থিত করিবেন, আর তিমিরাচ্ছন্ন পর্ব্বতমালায় তোমাদের চরণে উছোট লাগিবে, এবং তোমরা আলোর অপেক্ষা করিলে তিনি তাহা মৃত্যুচ্ছায়াতে পরিণত করিবেন, ঘোর অন্ধকারস্বরূপ করিবেন।
সপ্তপ্রসূতা ক্ষীণা হইয়াছে, প্রাণত্যাগ করিয়াছে, দিন থাকিতে তাহার সূর্য্য অস্তগমন করিয়াছে, সে লজ্জিতা ও হতাশা হইয়াছে; আর আমি তাহাদের অবশিষ্টাংশকেও শত্রুদের সম্মুখে খড়্গে সমর্পণ করিব, ইহা সদাপ্রভু কহেন।
কেননা দেখ, তিনি পর্ব্বতগণের নির্ম্মাতা, ও বায়ুর সৃষ্টিকর্ত্তা; তিনি মানুষের কাছে তাহার চিন্তা প্রকাশ করেন; তিনি অরুণকে অন্ধকার করেন, ও পৃথিবীর উচ্চস্থলী সকলের উপর দিয়া গমনাগমন করেন; বাহিনীগণের ঈশ্বর সদাপ্রভু, এই তাঁহার নাম।
[তাঁহার অন্বেষণ কর,] যিনি কৃত্তিকা ও মৃগশীর্ষ নির্ম্মাণ করিয়াছেন, যিনি মৃত্যুচ্ছায়াকে প্রভাতে পরিণত করেন, যিনি দিনকে রাত্রির ন্যায় অন্ধকারময় করেন, যিনি সমুদ্রের জলসমূহকে আহ্বান করিয়া স্থলের উপর দিয়া বহান; তাঁহার নাম সদাপ্রভু।
এই কারণ তোমাদের কাছে রাত্রি উপস্থিত হইবে, তোমরা দর্শন পাইবে না; তোমাদের কাছে অন্ধকার উপস্থিত হইবে, তোমরা মন্ত্র পাঠ করিবে না; এই ভাববাদীদের উপরে সূর্য্য অস্তগত হইবে, ও ইহাদের উপরে দিন কৃষ্ণবর্ণ হইবে।
আর সেই সময়ের ক্লেশের পরেই “সূর্য্য অন্ধকার হইবে, চন্দ্র জ্যোৎস্না দিবে না, আকাশ হইতে তারাগণের পতন হইবে ও আকাশমণ্ডলের পরাক্রম সকল বিচলিত হইবে”।
পরে বেলা ছয় ঘটিকা হইতে নয় ঘটিকা পর্য্যন্ত সমুদয় দেশ অন্ধকারময় হইয়া রহিল।
পরে বেলা ছয় ঘটিকা হইতে নয় ঘটিকা পর্য্যন্ত সমুদয় দেশ অন্ধকারময় হইয়া রহিল।
তখন বেলা অনুমান ষষ্ঠ ঘটিকা, আর নবম ঘটিকা পর্য্যন্ত সমুদয় দেশ অন্ধকারময় হইয়া রহিল।
পরে আমি দেখিলাম, তিনি যখন ষষ্ঠ মুদ্রা খুলিলেন, তখন মহাভূমিকম্প হইল; এবং সূর্য্য লোমজাত কম্বলের ন্যায় কৃষ্ণবর্ণ ও পূর্ণচন্দ্র রক্তের ন্যায় হইল;
পরে চতুর্থ দূত তূরী বাজাইলেন, আর সূর্য্যের তৃতীয় অংশ ও চন্দ্রের তৃতীয় অংশ ও তারাগণের তৃতীয় অংশ আহত হইল, যেন প্রত্যেকের তৃতীয় অংশ অন্ধকারময় হয়, এবং দিবসের তৃতীয় ভাগ আলোকরহিত হয়, আর রাত্রিও তদ্রূপ হয়।