আমরা শান্তির অপেক্ষা করিলাম, কিন্তু কিছুই মঙ্গল হইল না; আরোগ্যকালের অপেক্ষা করিলাম, কিন্তু দেখ, উদ্বেগ উপস্থিত।
Cross references
আমি মঙ্গলের অপেক্ষা করিলে অমঙ্গল ঘটিল, দীপ্তির প্রতীক্ষা করিলে অন্ধকার আসিল।
তখন আমি কহিলাম, হায় হায়! হে প্রভু সদাপ্রভু, তুমি এই লোকদিগকে ও যিরূশালেমকে নিতান্ত ভ্রান্ত করিয়াছ, কথিত হইয়াছে, তোমাদের শান্তি হইবে, কিন্তু তাহাদের প্রাণ পর্য্যন্ত খড়্গ প্রবেশ করিতেছে।
মাঠে যাইও না, পথে গমন করিও না, কেননা সেখানে শত্রুর খড়্গ, চারিদিকেই ভয়।
আর তাহারা আমার জাতির কন্যার ক্ষত কেবল একটুমাত্র সুস্থ করিয়াছে; যখন শান্তি নাই, তখন বলিয়াছে, শান্তি, শান্তি।
প্রান্তরে বৃক্ষশূন্য যে সকল গিরি আছে, তাহাদের উপর দিয়া বিনাশকগণ আসিয়াছে, বস্তুতঃ সদাপ্রভুর খড়্গ দেশের এক সীমা অবধি অপর সীমা পর্য্যন্ত সকলই গ্রাস করিতেছে, কোন প্রাণীর শান্তি নাই।
তুমি কি যিহূদাকে নিতান্তই অগ্রাহ্য করিয়াছ? তোমার প্রাণ কি সিয়োনকে ঘৃণা করিয়াছে? তুমি আমাদিগকে কেন এমন আঘাত করিলে যে, আমাদের আরোগ্য হয় না? আমরা শান্তির অপেক্ষা করিলাম, কিছুই মঙ্গল হইল না; আরোগ্যকালের অপেক্ষা করিলাম, আর দেখ, উদ্বেগ!
সংহার আসিতেছে, তাহারা শান্তির অন্বেষণ করিবে, কিন্তু তাহা মিলিবে না।
মারোৎ-নিবাসিনী মঙ্গলের আকাঙ্ক্ষায় অতিশয় পীড়িতা, কেননা যিরূশালেমের দ্বার পর্য্যন্ত সদাপ্রভু হইতে অমঙ্গল উপস্থিত।
লোকে যখন বলে, শান্তি ও অভয়, তখনই তাহাদের কাছে যেমন গর্ভবতীর প্রসব-বেদনা উপস্থিত হইয়া থাকে, তেমনি আকস্মিক বিনাশ উপস্থিত হয়; আর তাহারা কোন ক্রমে এড়াইতে পারিবে না।