আর তুমি নির্ম্মল স্বর্ণের এক দীপবৃক্ষ প্রস্তুত করিবে; পিটান কার্য্যে সেই দীপবৃক্ষ প্রস্তুত হইবে; তাহার কাণ্ড, শাখা, গোলাধার, কলিকা ও পুষ্প তৎসহিত অখণ্ড হইবে।
Cross references
আর মেজ ও তাহার পাত্র সকল, নির্ম্মল দীপবৃক্ষ ও তাহার পাত্র সকল, এবং ধূপবেদি;
দর্শন-রুটী, এবং দীপ্তির জন্য দীপ-বৃক্ষ ও তাহার পাত্র সকল, প্রদীপ ও দীপার্থ তৈল,
পরে তিনি নির্ম্মল পিটান স্বর্ণ দ্বারা দীপবৃক্ষ নির্ম্মাণ করিলেন; তাহার কাণ্ড, শাখা, গোলাধার, কলিকা ও পুষ্প তৎসহিত অখণ্ড ছিল।
এই কলিকা ও শাখা তৎসহিত অখণ্ড ছিল, এবং সমস্তই পিটান নির্ম্মল সুবর্ণের একই বস্তু ছিল।
নির্ম্মল দীপবৃক্ষ, তাহার প্রদীপ সকল অর্থাৎ প্রদীপাবলি, তাহার সমস্ত পাত্র ও দীপার্থ তৈল,
পরে তিনি সমাগম-তাম্বুতে মেজের সম্মুখে আবাসের পার্শ্বে দক্ষিণদিকে দীপবৃক্ষ রাখিলেন,
আর তাহা ও তৎসংক্রান্ত সমস্ত পাত্র তহশ-চর্ম্মের এক আচ্ছাদনে রাখিয়া দণ্ডের উপরে রাখিবে।
আর সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন,
আর গৃহমধ্যে এরসকাষ্ঠে বার্ত্তাকী ও বিকসিত পুষ্প ক্ষোদা হইল; সকলই এরসকাষ্ঠময় হইল, কিছুমাত্র প্রস্তর দৃষ্ট হইল না।
আর চারিদিকে কাণার নীচে সমুদ্র-পাত্র বেষ্টনকারী বার্ত্তাকীর শ্রেণী ছিল, প্রত্যেক হস্ত পরিমাণের মধ্যে দশ দশ বার্ত্তাকী ছিল; বার্ত্তাকীর দুই শ্রেণী ছিল, ঐ পাত্র ঢালিবার সময়ে সেই সকল ছাঁচে ঢালা গিয়াছিল।
এবং অন্তর্গৃহের সম্মুখে দক্ষিণে পাঁচটী ও বামে পাঁচটী নির্ম্মল স্বর্ণময় দীপবৃক্ষ, এবং স্বর্ণময় পুষ্প, প্রদীপ ও চিমটা;
আর তিনি বিধিমতে স্বর্ণময় দশটী দীপাধার নির্ম্মাণ করিয়া মন্দিরে স্থাপন করিলেন, তাহার পাঁচটী দক্ষিণে ও পাঁচটী বামে রাখিলেন।
আর তাহারা সদাপ্রভুর উদ্দেশে প্রতিদিন প্রাতে ও সন্ধ্যাকালে হোম-বলি দগ্ধ করে ও সুগন্ধি ধূপ জ্বালায়, আর শুচি মেজের উপরে দর্শন-রুটী সাজাইয়া রাখে, এবং প্রতি সন্ধ্যাকালে জ্বালিবার জন্য দীপসমূহের সহিত স্বর্ণময় দীপ-বৃক্ষ প্রস্তুত করে; বস্তুতঃ আমরা আপনাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর রক্ষণীয় বস্তু রক্ষা করি; কিন্তু তোমরা তাঁহাকে ত্যাগ করিয়াছ।
আর তিনি আমাকে কহিলেন, কি দেখিতেছ? আমি কহিলাম, আমি দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, এক দীপবৃক্ষ, সমস্তই স্বর্ণময়; তাহার মাথার ঊর্দ্ধে তৈলাধার, ও তাহার উপরে সাত প্রদীপ, এবং তাহার মাথার উপরে স্থিত প্রত্যেক প্রদীপের জন্য সাত নল; তাহার নিকটে দুই জিতবৃক্ষ,
কারণ একটী তাম্বু নির্ম্মিত হইয়াছিল, সেটী প্রথম, তাহার মধ্যে দীপবৃক্ষ, মেজ ও দর্শনরুটীর শ্রেণী ছিল; ইহার নাম পবিত্র স্থান।
তাহাতে আমার প্রতি যাঁহার বাণী হইতেছিল, তাঁহাকে দেখিবার জন্য আমি মুখ ফিরাইলাম; মুখ ফিরাইয়া দেখিলাম,
আমার দক্ষিণ হস্তে যে সপ্ত তারা দেখিলে, তাহার নিগূঢ়তত্ত্ব এবং সপ্ত সুবর্ণ দীপবৃক্ষ এই; সেই সপ্ত তারা ঐ সপ্ত মণ্ডলীর দূত, এবং সেই সপ্ত দীপবৃক্ষ ঐ সপ্ত মণ্ডলী।
অতএব স্মরণ কর, কোথা হইতে পতিত হইয়াছ, এবং মন ফিরাও ও প্রথম কর্ম্ম সকল কর; নতুবা যদি মন না ফিরাও, আমি তোমার নিকটে আসিব ও তোমার দীপবৃক্ষ স্বস্থান হইতে দূর করিব।
সেই সিংহাসন হইতে বিদ্যুৎ, রব ও মেঘগর্জ্জন বাহির হইতেছে; এবং সেই সিংহাসনের সম্মুখে অগ্নিময় সপ্ত প্রদীপ জ্বলিতেছে, তাহা ঈশ্বরের সপ্ত আত্মা।