এবং অন্তর্গৃহের সম্মুখে দক্ষিণে পাঁচটী ও বামে পাঁচটী নির্ম্মল স্বর্ণময় দীপবৃক্ষ, এবং স্বর্ণময় পুষ্প, প্রদীপ ও চিমটা;
Cross references
আর তুমি শিটীম কাষ্ঠের এক মেজ নির্ম্মাণ করিবে; তাহা দুই হস্ত দীর্ঘ, এক হস্ত প্রস্থ ও দেড় হস্ত উচ্চ হইবে।
আর তুমি নির্ম্মল স্বর্ণের এক দীপবৃক্ষ প্রস্তুত করিবে; পিটান কার্য্যে সেই দীপবৃক্ষ প্রস্তুত হইবে; তাহার কাণ্ড, শাখা, গোলাধার, কলিকা ও পুষ্প তৎসহিত অখণ্ড হইবে।
পরে তিনি নির্ম্মল পিটান স্বর্ণ দ্বারা দীপবৃক্ষ নির্ম্মাণ করিলেন; তাহার কাণ্ড, শাখা, গোলাধার, কলিকা ও পুষ্প তৎসহিত অখণ্ড ছিল।
নির্ম্মল দীপবৃক্ষ, তাহার প্রদীপ সকল অর্থাৎ প্রদীপাবলি, তাহার সমস্ত পাত্র ও দীপার্থ তৈল,
পরে তিনি সমাগম-তাম্বুতে মেজের সম্মুখে আবাসের পার্শ্বে দক্ষিণদিকে দীপবৃক্ষ রাখিলেন,
আর এক নীলবর্ণ বস্ত্র লইয়া দীপবৃক্ষ ও তাহার দীপ সকল, চিমটা এবং গুল্তরাশ ও সেই সমস্তের পরিচর্য্যার্থক সমস্ত তৈলপাত্র আচ্ছাদন করিবে।
আর তিনি বিধিমতে স্বর্ণময় দশটী দীপাধার নির্ম্মাণ করিয়া মন্দিরে স্থাপন করিলেন, তাহার পাঁচটী দক্ষিণে ও পাঁচটী বামে রাখিলেন।
এবং অন্তর্গৃহের সম্মুখে বিধিমতে জ্বালাইবার জন্য নির্ম্মল স্বর্ণের দীপবৃক্ষ সকল,
পরে যে দূত আমার সহিত আলাপ করিতেছিলেন, তিনি পুনরায় আসিয়া আমাকে নিদ্রা হইতে জাগরিত মনুষ্যের ন্যায় জাগাইলেন।
পরে আমি তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম, দীপবৃক্ষটীর দক্ষিণে ও বামে দুই দিকে স্থিত ঐ দুই জিতবৃক্ষের তাৎপর্য্য কি?
তোমরা জগতের দীপ্তি; পর্ব্বতের উপরে স্থিত নগর গুপ্ত থাকিতে পারে না।
আমার দক্ষিণ হস্তে যে সপ্ত তারা দেখিলে, তাহার নিগূঢ়তত্ত্ব এবং সপ্ত সুবর্ণ দীপবৃক্ষ এই; সেই সপ্ত তারা ঐ সপ্ত মণ্ডলীর দূত, এবং সেই সপ্ত দীপবৃক্ষ ঐ সপ্ত মণ্ডলী।