আর তিনি আমাকে কহিলেন, কি দেখিতেছ? আমি কহিলাম, আমি দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, এক দীপবৃক্ষ, সমস্তই স্বর্ণময়; তাহার মাথার ঊর্দ্ধে তৈলাধার, ও তাহার উপরে সাত প্রদীপ, এবং তাহার মাথার উপরে স্থিত প্রত্যেক প্রদীপের জন্য সাত নল; তাহার নিকটে দুই জিতবৃক্ষ,
Cross references
আর তুমি নির্ম্মল স্বর্ণের এক দীপবৃক্ষ প্রস্তুত করিবে; পিটান কার্য্যে সেই দীপবৃক্ষ প্রস্তুত হইবে; তাহার কাণ্ড, শাখা, গোলাধার, কলিকা ও পুষ্প তৎসহিত অখণ্ড হইবে।
পরে তিনি নির্ম্মল পিটান স্বর্ণ দ্বারা দীপবৃক্ষ নির্ম্মাণ করিলেন; তাহার কাণ্ড, শাখা, গোলাধার, কলিকা ও পুষ্প তৎসহিত অখণ্ড ছিল।
পরে তিনি সমাগম-তাম্বুতে মেজের সম্মুখে আবাসের পার্শ্বে দক্ষিণদিকে দীপবৃক্ষ রাখিলেন,
এবং অন্তর্গৃহের সম্মুখে দক্ষিণে পাঁচটী ও বামে পাঁচটী নির্ম্মল স্বর্ণময় দীপবৃক্ষ, এবং স্বর্ণময় পুষ্প, প্রদীপ ও চিমটা;
এবং স্বর্ণদীপবৃক্ষের ও স্বর্ণদীপ সকলের জন্য, অর্থাৎ সকল দীপবৃক্ষের ও তৎসম্বন্ধীয় দীপের জন্য পরিমিত স্বর্ণ; এবং রৌপ্যময় দীপবৃক্ষের, প্রত্যেক দীপবৃক্ষের ব্যবহার অনুসারে সকল দীপবৃক্ষের ও তৎসম্বন্ধীয় দীপগুলির জন্য পরিমিত রৌপ্য;
আর তিনি বিধিমতে স্বর্ণময় দশটী দীপাধার নির্ম্মাণ করিয়া মন্দিরে স্থাপন করিলেন, তাহার পাঁচটী দক্ষিণে ও পাঁচটী বামে রাখিলেন।
এবং অন্তর্গৃহের সম্মুখে বিধিমতে জ্বালাইবার জন্য নির্ম্মল স্বর্ণের দীপবৃক্ষ সকল,
আর তাহারা সদাপ্রভুর উদ্দেশে প্রতিদিন প্রাতে ও সন্ধ্যাকালে হোম-বলি দগ্ধ করে ও সুগন্ধি ধূপ জ্বালায়, আর শুচি মেজের উপরে দর্শন-রুটী সাজাইয়া রাখে, এবং প্রতি সন্ধ্যাকালে জ্বালিবার জন্য দীপসমূহের সহিত স্বর্ণময় দীপ-বৃক্ষ প্রস্তুত করে; বস্তুতঃ আমরা আপনাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর রক্ষণীয় বস্তু রক্ষা করি; কিন্তু তোমরা তাঁহাকে ত্যাগ করিয়াছ।
সেই সময়ে রৌপ্যের তার খুলিয়া যাইবে, সুবর্ণের পানপাত্র ভাঙ্গিবে, এবং উনুইর ধারে কলস খণ্ড খণ্ড হইবে, ও কূপে চক্র ভগ্ন হইবে।
আর সদাপ্রভুর এই বাক্য আমার নিকটে উপস্থিত হইল, যিরমিয়, তুমি কি দেখিতেছ? আমি কহিলাম, আমি বাদাম গাছের এক শাখা দেখিতেছি।
আর ডাবর, অঙ্গারধানী, বাটি, স্থালী, দীপবৃক্ষ, চমস ও সেকপাত্র প্রভৃতি—স্বর্ণময় পাত্রের স্বর্ণ ও রৌপ্যময় পাত্রের রৌপ্য—রক্ষ-সেনাপতি হইয়া গেলেন।
আর সদাপ্রভু আমাকে কহিলেন, আমোষ, তুমি কি দেখিতেছ? আমি কহিলাম, ওলোন দেখিতেছি। তখন প্রভু কহিলেন, দেখ, আমি আপন প্রজা ইস্রায়েলের মধ্যে ওলোনসূত্র লাগাইতেছি, তাহাদিগকে আর অমনি ছাড়িয়া যাইব না।
তখন তিনি আমাকে কহিলেন, কি দেখিতেছ? আমি উত্তর করিলাম, একখানি জড়ান পত্র উড়িতে দেখিতেছি; তাহা বিংশতি হস্ত দীর্ঘ ও দশ হস্ত প্রস্থ।
তোমরা জগতের দীপ্তি; পর্ব্বতের উপরে স্থিত নগর গুপ্ত থাকিতে পারে না।
তাহাতে আমার প্রতি যাঁহার বাণী হইতেছিল, তাঁহাকে দেখিবার জন্য আমি মুখ ফিরাইলাম; মুখ ফিরাইয়া দেখিলাম,
আমার দক্ষিণ হস্তে যে সপ্ত তারা দেখিলে, তাহার নিগূঢ়তত্ত্ব এবং সপ্ত সুবর্ণ দীপবৃক্ষ এই; সেই সপ্ত তারা ঐ সপ্ত মণ্ডলীর দূত, এবং সেই সপ্ত দীপবৃক্ষ ঐ সপ্ত মণ্ডলী।
সেই সিংহাসন হইতে বিদ্যুৎ, রব ও মেঘগর্জ্জন বাহির হইতেছে; এবং সেই সিংহাসনের সম্মুখে অগ্নিময় সপ্ত প্রদীপ জ্বলিতেছে, তাহা ঈশ্বরের সপ্ত আত্মা।