কারণ দেখ, এই বিষয়টী, অর্থাৎ ঈশ্বরের মতানুযায়ী যে মনোদুঃখ তোমাদের হইয়াছে, তাহা তোমাদের পক্ষে কত যত্ন সাধন করিয়াছে! আর কেমন দোষপ্রক্ষালন, আর কেমন বিরক্তি, আর কেমন ভয়, আর কেমন অনুরাগ, আর কেমন উদ্যোগ, আর কেমন প্রতীকার! সর্ব্ববিষয়ে তোমরা আপনাদিগকে ঐ ব্যাপারে শুদ্ধ দেখাইয়াছ।
Cross references
পরে সে তাঁহাদিগের লাগাইল পাইয়া সেই কথা কহিল।
তাহাতে দায়ূদ সেই ধনবানের প্রতি অতিশয় ক্রোধে প্রজ্বলিত হইয়া উঠিলেন; তিনি নাথনকে কহিলেন, জীবন্ত সদাপ্রভুর দিব্য, যে ব্যক্তি সেই কর্ম্ম করিয়াছে, সে মৃত্যুর সন্তান;
তখন আমি তাহাদের ক্রন্দন ও এই সকল কথা শুনিয়া মহাক্রুদ্ধ হইলাম।
তাহাতে আমি তাহাদের সঙ্গে বিবাদ করিলাম, তাহাদিগকে তিরস্কার করিলাম, এবং তাহাদের কোন কোন ব্যক্তিকে প্রহার ও তাহাদের কেশ উৎপাটন করিলাম, এবং ঈশ্বরের নামে তাহাদিগকে [এই বলিয়া] দিব্য করাইলাম, তোমরা উহাদের পুত্রদের সহিত আপন আপন কন্যাদের বিবাহ দিবে না, ও আপন আপন পুত্রদের জন্য কিম্বা আপনাদের জন্য উহাদের কন্যাদিগকে গ্রহণ করিবে না।
এই নিমিত্ত আমি আপনাকে ঘৃণা করিতেছি, ধূলায় ও ভস্মে বসিয়া অনুতাপ করিতেছি।
তোমার সভয়ে সদাপ্রভুর আরাধনা কর, সকম্পে উল্লাস কর।
কিন্তু তাহাদের পীড়ার সময়ে আমি চট পরিতাম, আমি উপবাস দ্বারা আপন প্রাণকে দুঃখ দিতাম, আমার প্রার্থনা আমার বক্ষে ফিরিয়া আসিবে।
হে প্রভু, আমার সমস্ত কামনা তোমার সম্মুখে, আমার কাতরোক্তি তোমা হইতে গুপ্ত নয়।
দ্বিতীয় খণ্ড। [1] হরিণী যেমন জলস্রোতের আকাঙ্ক্ষা করে, তেমনি, হে ঈশ্বর, আমার প্রাণ তোমার আকাঙ্ক্ষা করিতেছে।
কারণ তোমার গৃহনিমিত্তক উদ্যোগ আমাকে গ্রাস করিয়াছে; যাহারা তোমাকে তিরস্কার করে, তাহাদের তিরস্কার আমার উপরে পড়িয়াছে।
আমার উদ্যোগ আমাকে গ্রাস করিয়াছে, কারণ আমার বিপক্ষগণ তোমার বাক্য সকল ভুলিয়া গিয়াছে।
প্রহরিগণ যেরূপ প্রত্যূষের, প্রহরিগণ যেরূপ প্রত্যূষের জন্য আকাঙ্ক্ষী, আমার প্রাণ প্রভুর জন্য ততোধিক আকাঙ্ক্ষী।