কেননা তিনি দুঃখীর দুঃখ উপেক্ষা বা ঘৃণা করেন নাই; তিনি তাহা হইতে আপন মুখও লুকান নাই; বরং সে তাঁহার কাছে কাঁদিলে তিনি শুনিলেন।
Cross references
হে আমার ঈশ্বর, আমি দিবসে আহ্বান করি, কিন্তু তুমি উত্তর দেও না; রাত্রিতেও [ডাকি], আমার বিরাম হয় না।
কিন্তু আমি কীট, মানব নহি, মনুষ্যদের নিন্দাস্পদ, লোকদের অবজ্ঞাত।
এই দুঃখী ডাকিল, সদাপ্রভু শ্রবণ করিলেন, ইহাকে সকল সঙ্কট হইতে নিস্তার করিলেন।
আমার সকল অস্থি বলিবে, সদাপ্রভু, তোমার তুল্য কে? তুমিই দুঃখীকে তদপেক্ষা বলবান ব্যক্তি হইতে, দুঃখী দরিদ্রকে তাহার লুণ্ঠনকারী হইতে, উদ্ধার করিয়া থাক।
তোমার এই দাস হইতে মুখ আচ্ছাদন করিও না; কারণ আমি সঙ্কটাপন্ন, ত্বরায় আমাকে উত্তর দেও।
কিন্তু আমি দুঃখী ও ব্যথিত, হে ঈশ্বর, তোমার পরিত্রাণ আমাকে উন্নত করুক।
মৃত্যুর রজ্জু আমাকে বেষ্টন করিল, পাতালের কষ্ট আমাকে পাইয়া বসিল, আমি সঙ্কটে ও দুঃখে পড়িলাম।
আমি সঙ্কটের মধ্য হইতে সদাপ্রভুকে ডাকিলাম; সদাপ্রভু আমাকে উত্তর দিয়া প্রশস্ত স্থানে [আনিলেন]।
আমি প্রহারকদের প্রতি আপন পৃষ্ঠ, যাহারা দাড়ি উপড়াইয়াছে, তাহাদের প্রতি আপন গাল পাতিয়া দিলাম, অপমান ও থুথু হইতে আপন মুখ আচ্ছাদন করিলাম না।
আর যীশু উচ্চ রবে চীৎকার করিয়া কহিলেন, পিতঃ তোমার হস্তে আমার আত্মা সমর্পণ করি; আর এই বলিয়া তিনি প্রাণত্যাগ করিলেন।
ইনি মাংসে প্রবাসকালে প্রবল আর্ত্তনাদ ও অশ্রুপাত সহকারে তাঁহারই নিকটে প্রার্থনা ও বিনতি উৎসর্গ করিয়াছিলেন, যিনি মৃত্যু হইতে তাঁহাকে রক্ষা করিতে সমর্থ, এবং আপন ভক্তি প্রযুক্ত উত্তর পাইলেন;