তোমার এই দাস হইতে মুখ আচ্ছাদন করিও না; কারণ আমি সঙ্কটাপন্ন, ত্বরায় আমাকে উত্তর দেও।
Cross references
তুমি আমার অধর্ম্ম ক্ষমা কর না কেন? আমার অপরাধ দূর কর না কেন? আমি ত এক্ষণে ধূলিতে শয়ন করিব, তুমি সযত্নে আমার অন্বেষণ করিবে, কিন্তু আমি অনুদ্দিষ্ট হইব।
কত কাল, সদাপ্রভু, আমাকে নিয়ত ভুলিয়া থাকিবে? কত কাল আমা হইতে তোমার মুখ লুক্কায়িত রাখিবে?
কেননা তিনি দুঃখীর দুঃখ উপেক্ষা বা ঘৃণা করেন নাই; তিনি তাহা হইতে আপন মুখও লুকান নাই; বরং সে তাঁহার কাছে কাঁদিলে তিনি শুনিলেন।
আমা হইতে তোমার মুখ আচ্ছাদন করিও না। ক্রোধে তোমার দাসকে দূর করিও না; তুমি আমার সহায় হইয়া আসিতেছ; আমার ত্রাণেশ্বর, আমাকে ফেলিও না, ত্যাগ করিও না।
সদাপ্রভু, অনুগ্রহ করিয়া আমাকে উদ্ধার কর, সদাপ্রভু, আমার সাহায্য করিতে সত্বর হও।
তুমি কেন আপন মুখ আচ্ছাদন করিতেছ? আমাদের দুঃখ ও দৌরাত্ম্যভোগ কেন ভুলিয়া যাইতেছ?
যাহা আমার ওষ্ঠাধর উচ্চারণ করিয়াছে, যাহা সঙ্কটের সময়ে আমার মুখ বলিয়াছে।
হে ঈশ্বর, আমার উদ্ধারার্থে [ত্বরা কর]; হে সদাপ্রভু, আমার সাহায্য করিতে ত্বরা কর।
সঙ্কটের দিনে আমা হইতে মুখ লুকাইও না, আমার দিকে কর্ণপাত কর; যে দিন আমি ডাকি, ত্বরায় আমাকে উত্তর দিও।
আমাকে উত্তর দানে সত্বর হও, সদাপ্রভু, আমার উৎসাহ শেষ হইয়াছে; আমা হইতে তোমার মুখ লুক্কায়িত করিও না, পাছে আমি গর্ত্তগামীদের তুল্য হইয়া পড়ি।
হে সদাপ্রভু, আমার শত্রুগণ হইতে আমাকে নিস্তার কর; আমি তোমারই কাছে লুকাইয়াছি।
সদাপ্রভুর বিবিধ দয়ার গুণে আমরা নষ্ট হই নাই; কেননা তাঁহার বিবিধ করুণা শেষ হয় নাই।
তখন তিনি তাঁহাদিগকে কহিলেন, আমার প্রাণ মরণ পর্য্যন্ত দুঃখার্ত্ত হইয়াছে; তোমরা এখানে থাক, আমার সঙ্গে জাগিয়া থাক।
আর নয় ঘটিকার সময় যীশু উচ্চ রবে চীৎকার করিয়া ডাকিয়া কহিলেন, “এলী এলী লামা শবক্তানী,” অর্থাৎ “ঈশ্বর আমার, ঈশ্বর আমার, তুমি কেন আমায় পরিত্যাগ করিয়াছ?”