কিন্তু আমি কীট, মানব নহি, মনুষ্যদের নিন্দাস্পদ, লোকদের অবজ্ঞাত।
Cross references
তখন আসা আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুকে ডাকিলেন, কহিলেন, হে সদাপ্রভু, তুমি ছাড়া এমন আর কেহ নাই, যে বলবানের ও বলহীনের মধ্যে সাহায্য করে; হে আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু, আমাদের সাহায্য কর; কেননা আমরা তোমার উপরে নির্ভর করি, এবং তোমারই নামে এই জন-সমারোহের বিরুদ্ধে আসিয়াছি। হে সদাপ্রভু, তুমি আমাদের ঈশ্বর, তোমার বিরুদ্ধে মর্ত্ত্য প্রবল না হউক।
তবে কীটসদৃশ মর্ত্ত্য কি? কৃমিসদৃশ মনুষ্য-সন্তান কি?
যে সকল লোক তোমার অপেক্ষা করে, তাহারা লজ্জিত হইবে না; যাহারা অকারণে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাহারাই লজ্জিত হইবে।
সদাপ্রভু, আমি তোমারই শরণ লইয়াছি; আমাকে কখনও লজ্জিত হইতে দিও না; তোমার ধর্ম্মশীলতায় আমাকে রক্ষা কর।
আমার সকল শত্রু হেতু আমি নিন্দাস্পদ, আমার প্রতিবাসীদের কাছে অতিশয় নিন্দাস্পদ, ও আমার পরিচিতদের কাছে ভয়ঙ্কর হইয়াছি; পথে আমাকে দেখিয়া লোকেরা পলায়ন করিয়াছে।
আমার শত্রুগণ আমার বিরুদ্ধে হিংসার কথা কহে,— ‘সে কখন মরিবে? কখন তাহার নাম লুপ্ত হইবে?’
কেননা তোমারই নিমিত্ত আমি তিরস্কার সহ্য করিয়াছি, আমার মুখ লজ্জায় আচ্ছাদিত হইয়াছে।
তুমি আমার দুর্নাম, আমার লজ্জা ও আমার অপমান জান; আমার বিপক্ষেরা সকলে তোমার সম্মুখবর্ত্তী।
তুমি আমার আত্মীয়দিগকে আমা হইতে দূরে রাখিয়াছ, তাহাদের কাছে আমাকে নিতান্ত ঘৃণার্হ করিয়াছ; আমি অবরুদ্ধ, বাহিরে আসিতে পারি না।
হে কীট যাকোব, হে ইস্রায়েলের নরগণ, ভয় করিও না; সদাপ্রভু কহেন, আমি তোমার সাহায্য করিব; আর ইস্রায়েলের পবিত্রতম তোমার মুক্তিদাতা।
যে ব্যক্তি মনুষ্যের অবজ্ঞাত, প্রজাবৃন্দের ঘৃণাস্পদ ও কর্ত্তৃত্বকারীদের দাস, তাহাকে সদাপ্রভু, ইস্রায়েলের মুক্তিদাতা ও তাহার পবিত্রতম, এই কথা কহেন, তোমাকে দেখিলে রাজারা উঠিয়া দাঁড়াইবে, অধ্যক্ষেরা প্রণিপাত করিবে; সদাপ্রভুর নিমিত্তই করিবে, তিনি ত বিশ্বসনীয়; ইস্রায়েলের পবিত্রতমের নিমিত্ত করিবে, তিনি ত তোমাকে মনোনীত করিয়াছেন।
তিনি অবজ্ঞাত ও মনুষ্যদের ত্যাজ্য, ব্যথার পাত্র ও যাতনা পরিচিত হইলেন; লোকে যাহা হইতে মুখ আচ্ছাদন করে, তাহার ন্যায় তিনি অবজ্ঞাত হইলেন, আর আমরা তাঁহাকে মান্য করি নাই।
সে আপন প্রহারকের কাছে গাল পাতিয়া দিউক অপমানে পরিপূর্ণ হউক।
মনুষ্যপুত্র আসিয়া ভোজন পান করেন; তাহাতে লোকে বলে, ঐ দেখ, এক জন পেটুক ও মদ্যপায়ী, করগ্রাহীদের ও পাপীদের বন্ধু। কিন্তু প্রজ্ঞা নিজ কর্ম্মসমূহ দ্বারা নির্দ্দোষ বলিয়া গণিত হয়।
কিন্তু ফরীশীরা তাহা শুনিয়া কহিল, এ ব্যক্তি আর কিছুতে নয়, কেবল ভূতগণের অধিপতি বেল্সবূলের দ্বারাই ভূত ছাড়ায়।
আর প্রধান যাজকেরা ও প্রাচীনবর্গ লোকসমূহকে প্রবৃত্তি দিল, যেন তাহারা বারাব্বাকে চাহিয়া লয় ও যীশুকে সংহার করে।
তাহাতে যিহূদীরা আশ্চর্য্য জ্ঞান করিয়া কহিল, এ ব্যক্তি শিক্ষা না করিয়া কি প্রকারে শাস্ত্রজ্ঞ হইয়া উঠিল?
লোকসমূহ উত্তর করিল, তোমাকে ভূতে পাইয়াছে, কে তোমাকে বধ করিতে চেষ্টা করিতেছে?
ফরীশীরা তাহাদিগকে উত্তর করিল, তোমরাও কি ভ্রান্ত হইলে?
যিহূদীরা উত্তর করিয়া তাঁহাকে কহিল, আমরা কি ভালই বলি না যে, তুমি একজন শমরীয় ও ভূতগ্রস্ত?
এই কারণ যীশুও, নিজ রক্ত দ্বারা প্রজাবৃন্দকে পবিত্র করিবার নিমিত্ত, পুরদ্বারের বাহিরে মৃত্যু ভোগ করিলেন।
আর তাহারা ঈশ্বরের দাস মোশির গীত ও মেষশাবকের গীত গায়, বলে, “মহৎ ও আশ্চর্য্য তোমার ক্রিয়া সকল, হে প্রভু ঈশ্বর, সর্ব্বশক্তিমান্; ন্যায্য ও সত্য তোমার মার্গ সকল, হে জাতিগণের রাজন্!