সদাপ্রভু স্বর্গ হইতে মনুষ্য-সন্তানদের প্রতি নিরীক্ষণ করিলেন; দেখিতে চাহিলেন, বুদ্ধিপূর্ব্বক কেহ চলে কি না, ঈশ্বরের অন্বেষণকারী কেহ আছে কি না।
Cross references
আর ঈশ্বর পৃথিবীতে দৃষ্টিপাত করিলেন, আর দেখ, সে ভ্রষ্ট হইয়াছে, কেননা পৃথিবীস্থ সমুদয় প্রাণী ভ্রষ্টাচারী হইয়াছিল।
পরে মনুষ্য-সন্তানেরা যে নগর ও উচ্চগৃহ নির্ম্মাণ করিতেছিল, তাহা দেখিতে সদাপ্রভু নামিয়া আসিলেন।
আমি নীচে গিয়া দেখিব, আমার নিকটে আগত ক্রন্দনানুসারে তাহারা সর্ব্বতোভাবে করিয়াছে কি না; যদি না করিয়া থাকে, তাহা জানিব।
যাহা হউক, আপনার মধ্যে কোন কোন সাধু ভাব পাওয়া গিয়াছে; কেননা আপনি দেশ হইতে আশেরা-মূর্ত্তি সকল উচ্ছিন্ন করিয়াছেন, এবং ঈশ্বরের অন্বেষণ করিবার জন্য আপন অন্তঃকরণ সুস্থির করিয়াছেন।
কেননা হিষ্কিয় তাহাদের জন্য প্রার্থনা করিয়া বলিয়াছিলেন, ধর্ম্মধামের বিধি অনুসারে শুচি না হইলেও যে কেহ ঈশ্বরের অন্বেষণ, আপন পিতৃপুরুষদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর অন্বেষণ করিবার জন্য আপন অন্তঃকরণ প্রস্তুত করিয়াছে, মঙ্গলময় সদাপ্রভু তাহাকে ক্ষমা করুন।
মর্ত্ত্য কি যে, সে পবিত্র হইতে পারে? অবলাজাত মনুষ্য কি ধার্ম্মিক হইতে পারে?
সদাপ্রভু আপন পবিত্র মন্দিরে আছেন; সদাপ্রভু, তাঁহার সিংহাসন স্বর্গে; তাঁহার চক্ষু নিরীক্ষণ করিতেছে, তাঁহার চক্ষুর পাতা মনুষ্য-সন্তানদের পরীক্ষা করিতেছে।
সদাপ্রভু স্বর্গ হইতে দৃষ্টিপাত করেন, তিনি সমুদয় মনুষ্য-সন্তানকে নিরীক্ষণ করেন।
নম্রগণ তাহা দেখিয়া আনন্দ করিবে; ঈশ্বরান্বেষিগণ! তোমাদের হৃদয় সঞ্জীবিত হউক।
উহারা জানে না, বুঝে না, উহারা অন্ধকারে যাতায়াত করে; পৃথিবীর সমস্ত ভিত্তিমূল টলটলায়মান হইতেছে।
নরপশু জানে না, নির্ব্বোধ ইহা বুঝে না।
কেননা তিনি আপন উচ্চ ধর্ম্মধাম হইতে অবলোকন করিলেন; সদাপ্রভু স্বর্গ হইতে পৃথিবীতে দৃষ্টিপাত করিলেন;
জ্ঞানবান কে? সে এই সমস্ত বিবেচনা করিবে, তাহারা সদাপ্রভুর বিবিধ দয়া আলোচনা করিবে।
অতএব তুমি ধার্ম্মিকতা ও বিচার বুঝিবে, ন্যায় ও সমস্ত উত্তম পথ বুঝিবে।
হে অবোধেরা, চতুরতা শিক্ষা কর; হে হীনবুদ্ধি সকল, সুবুদ্ধিচিত্ত হও।
‘যে অবোধ, সে এই স্থানে আইসুক’; যে বুদ্ধিবিহীন, সে তাহাকে বলে,
‘যে অবোধ, সে এই স্থানে আইসুক’; যে বুদ্ধিবিহীন, সে তাহাকে বলে,
আর যখন তাহারা তোমাদিগকে বলে, তোমরা ভূতড়িয়া ও গুণীদিগের নিকটে, যাহারা বিড় বিড় ও ফুসফুস করিয়া বকে, তাহাদের নিকটে অন্বেষণ কর, [তখন তোমরা বলিবে,] প্রজাগণ কি আপনাদের ঈশ্বরের কাছে অন্বেষণ করিবে না? তাহারা জীবিতদের জন্য কি মৃতদের কাছে [অন্বেষণ করিবে]?
তথাকার ডালপালা শুষ্ক হইলে ভাঙ্গা যাইবে, স্ত্রীলোকেরা আসিয়া তাহাতে আগুন দিবে। কারণ সেই জাতি নির্ব্বোধ, সেই জন্য তাহার নির্ম্মাতা তাহার প্রতি করুণা করিবেন না, তাহার গঠনকর্ত্তা তাহার প্রতি কৃপা করিবেন না।
সদাপ্রভুর অন্বেষণ কর, যাবৎ তাঁহাকে পাওয়া যায়, তাঁহাকে ডাক, যাবৎ তিনি নিকটে থাকেন;
তুমি স্বর্গ হইতে অবলোকন কর, তোমার পবিত্রতার ও তোমার প্রতাপের বসতি হইতে দৃষ্টিপাত কর। তোমার উদ্যোগ ও তোমার বিক্রম-কার্য্য সকল কোথায়? আমার প্রতি তোমার অন্তরস্থ বাৎসল্যের ও তোমার স্নেহের স্বর ক্ষান্ত হইয়াছে।
আহা, তুমি আকাশমণ্ডল বিদীর্ণ করিয়া নামিয়া আইস, পর্ব্বতগণ তোমার সাক্ষাতে কম্পিত হউক;
বস্তুতঃ আমার প্রজারা অজ্ঞান, তাহারা আমাকে জানে না; তাহারা নির্ব্বোধ বালক, তাহাদের বিবেচনা নাই; তাহারা কদাচারে পটু, কিন্তু সদাচার করিতে জানে না।
তোমরা যিরূশালেমের সড়কে সড়কে দৌড়াদৌড়ি কর, দেখ, জ্ঞাত হও, এবং তথাকার সকল চকে অন্বেষণ কর; যদি এমন এক জনকেও পাইতে পার, যে ন্যায়াচরণ করে, সত্যের অনুশীলন করে, তবে আমি নগরকে ক্ষমা করিব।
যে পর্য্যন্ত সদাপ্রভু স্বর্গ হইতে হেঁট হইয়া দৃষ্টিপাত না করেন।
অনেকে আপনাদিগকে পরিষ্কৃত ও শুক্ল করিবে এবং পরীক্ষাসিদ্ধ হইবে, কিন্তু দুষ্টেরা দুষ্টাচরণ করিবে, আর দুষ্টদের মধ্যে কেহ বুঝিবে না; কেবল বুদ্ধিমানেরাই বুঝিবে।
কেননা এই লোকদের হৃদয় অসাড় হইয়াছে, শুনিতে তাহাদের কর্ণ ভারী হইয়াছে, ও তাহারা চক্ষু মুদ্রিত করিয়াছে, পাছে তাহারা চক্ষে দেখে, আর কর্ণে শুনে, হৃদয়ে বুঝে, এবং ফিরিয়া আইসে, আর আমি তাহাদিগকে সুস্থ করি।”
বুঝে, এমন কেহই নাই, ঈশ্বরের অন্বেষণ করে, এমন কেহই নাই।
কিন্তু বিনা বিশ্বাসে প্রীতির পাত্র হওয়া কাহারও সাধ্য নয়; কারণ যে ব্যক্তি ঈশ্বরের নিকটে উপস্থিত হয়, তাহার ইহা বিশ্বাস করা আবশ্যক যে ঈশ্বর আছেন, এবং যাহারা তাঁহার অন্বেষণ করে, তিনি তাহাদের পুরস্কারদাতা।