কেননা এই লোকদের হৃদয় অসাড় হইয়াছে, শুনিতে তাহাদের কর্ণ ভারী হইয়াছে, ও তাহারা চক্ষু মুদ্রিত করিয়াছে, পাছে তাহারা চক্ষে দেখে, আর কর্ণে শুনে, হৃদয়ে বুঝে, এবং ফিরিয়া আইসে, আর আমি তাহাদিগকে সুস্থ করি।”
Cross references
উহাদের অন্তঃকরণ মেদের ন্যায় স্থূল; কিন্তু আমি তোমার ব্যবস্থায় আমোদ করি।
যে চক্ষু মুদ্রিত করে, সে কুটিল বিষয়ের সঙ্কল্প করিবার জন্যই করে, যে ওষ্ঠ সঙ্কুচিত করে, সে দুষ্কর্ম্ম সিদ্ধ করে।
তুমি এই জাতির অন্তঃকরণ স্থূল কর, ইহাদের কর্ণ ভারী কর, ও ইহাদের চক্ষু বন্ধ করিয়া দেও, পাছে তাহারা চক্ষে দেখে, কর্ণে শুনে, অন্তঃকরণে বুঝে, এবং ফিরিয়া আইসে, ও সুস্থ হয়।
কারণ সদাপ্রভু তোমাদের উপরে ঘোর নিদ্রাজনক আত্মা ঢালিয়া দিয়াছেন, ও তোমাদের ভাববাদিবর্গরূপ চক্ষু মুদ্রিত করিয়াছেন, এবং তোমাদের দর্শকবর্গরূপ মস্তক ঢাকিয়া রাখিয়াছেন।
সে ভস্মভোজী, মুগ্ধচিত্ত তাহাকে ভ্রান্ত করিয়াছে, সে আপন প্রাণ উদ্ধার করিতে পারে না, এবং ইহাও বলে না যে, আমার দক্ষিণ হস্তে কি মিথ্যা কথা নাই?
আমি তাহার পথ সকল দেখিয়াছি, আর তাহাকে সুস্থ করিব; আমি তাহার পথপ্রদর্শকও হইব, এবং তাহাকে ও তাহার শোকাকুলদিগকে সান্ত্বনারূপ ধন দিব।
হে বিপথগামী সন্তানগণ, ফিরিয়া আইস, আমি তোমাদের বিপথগমন-রোগ ভাল করিব। ‘দেখ, আমরা তোমার কাছে আসিলাম, কেননা তুমিই আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু।
হে সদাপ্রভু, আমাকে সুস্থ কর, তাহাতে আমি সুস্থ হইব; আমাকে পরিত্রাণ কর, তাহাতে আমি পরিত্রাণ পাইব, কেননা তুমি আমার প্রশংসাভূমি।
দেখ, আমি এই নগরের ক্ষত বাঁধিয়া ইহার চিকিৎসা করিব, তাহাদিগকে সুস্থ করিব, ও তাহাদের কাছে প্রচুর শান্তি ও সত্য প্রকাশ করিব।
আমি তাহাদের বিপথগমনের প্রতীকার করিব, আমি স্বেচ্ছায় তাহাদিগকে প্রেম করিব; কেননা আমার ক্রোধ তাহা হইতে ফিরিয়া গিয়াছে।
কিন্তু তাহারা কর্ণপাত করিতে অসম্মত হইয়া ঘাড় ফিরাইত, এবং যেন শুনিতে না পায়, সেই জন্য আপন আপন কর্ণ ভারী করিত।
কিন্তু তোমরা যে আমার নাম ভয় করিয়া থাক, তোমাদের প্রতি ধার্ম্মিকতা-সূর্য্য উদিত হইবেন, তাঁহার পক্ষপুট আরোগ্যদায়ক; এবং তোমরা বাহির হইয়া পালের গোবৎসদের ন্যায় নাচিবে।
যেন তাহারা দেখিয়া দেখে, কিন্তু টের না পায়, এবং শুনিয়া শুনে, কিন্তু না বুঝে, পাছে তাহারা ফিরিয়া আইসে, ও তাহাদিগকে ক্ষমা করা যায়।
তোমরা কেন আমার কথা বুঝ না? কারণ এই যে, আমার বাক্য শুনিতে পার না।
অতএব তোমরা মন ফিরাও, ও ফির, যেন তোমাদের পাপ মুছিয়া ফেলা হয়, যেন এইরূপে প্রভুর সম্মুখ হইতে তাপশান্তির সময় উপস্থিত হয়,
কিন্তু তাহারা উচ্চৈঃস্বরে চেঁচাইয়া উঠিল, আপন আপন কর্ণ রুদ্ধ করিল, এবং একযোগে তাঁহার উপরে গিয়া পড়িল;
এবং যাহারা বিনাশ পাইতেছে, তাহাদের সম্বন্ধে অধার্ম্মিকতার সমস্ত প্রতারণা সহকারে হইবে; কারণ তাহারা পরিত্রাণ পাইবার নিমিত্ত সত্যের প্রেম গ্রহণ করে নাই।
এবং মৃদু ভাবে বিরোধিগণকে শাসন করা তাহার উচিত; হয় ত ঈশ্বর তাহাদিগকে মনপরিবর্ত্তন দান করিবেন,
এবং সত্য হইতে কাণ ফিরাইয়া গল্পের দিকে বিপথে যাইবে।
তাঁহার বিষয়ে আমাদের অনেক কথা আছে, তাহার অর্থ ব্যক্ত করা দুষ্কর, কারণ তোমরা শ্রবণে শিথিল হইয়াছ।
কেননা যাহারা একবার দীপ্তি প্রাপ্ত হইয়াছে, ও স্বর্গীয় দানের রসাস্বাদন করিয়াছে, ও পবিত্র আত্মার ভাগী হইয়াছে,
“নদীর এপারে ওপারে জীবন-বৃক্ষ আছে, তাহা দ্বাদশ বার ফল উৎপন্ন করে, এক এক মাসে আপন আপন ফল দেয়, এবং সেই বৃক্ষের পত্র জাতিগণের আরোগ্য নিমিত্তক”।