কারণ যখন দুষ্টদের কল্যাণ দেখিয়াছিলাম, তখন গর্ব্বিতদের প্রতি ঈর্ষা করিয়াছিলাম।
Cross references
দস্যুদের তাম্বু শান্তিযুক্ত, ঈশ্বরের ক্রোধজনকেরা নির্ব্বিঘ্নে থাকে, ঈশ্বর তাহাদের হস্তে ধন দেন।
ইহাতে সরলাচারীরা মচৎকৃত হইবে, পামরের বিরুদ্ধে নির্দ্দোষ উত্তেজিত হইয়া উঠিবে।
দুর্জ্জনেরা কেন জীবিত থাকে, কেন বৃদ্ধ হয়, আবার ঐশ্বর্য্যে বীর্য্যবান্ হয়?
তিনি কাহাকে আশ্রয় দিলে সে নির্ভয়ে থাকে; কিন্তু তাহাদের পথে তাঁহার দৃষ্টি থাকে।
তাহার পথ সর্ব্বদা দৃঢ়; তোমার শাসনকলাপ ঊর্দ্ধ, তাহার দৃষ্টির বহির্ভূত; সমস্ত বিপক্ষের প্রতি সে ফুৎকার করে।
তুমি দুরাচারদের বিষয়ে রুষ্ট হইও না; অধর্ম্মাচারীদের প্রতি ঈর্ষা করিও না।
সদাপ্রভুর নিকটে নীরব হও, তাঁহার অপেক্ষায় থাক; যে আপন পথে কৃতকার্য্য হয়, তাহার বিষয়ে, যে ব্যক্তি কুসঙ্কল্প করে, তাহার বিষয়ে রুষ্ট হইও না।
উপদ্রবীর প্রতি ঈর্ষা করিও না, আর তাহার কোন পথ মনোনীত করিও না;
তোমার মন পাপীদের প্রতি ঈর্ষা না করুক, কিন্তু তুমি সমস্ত দিন সদাপ্রভুর ভয়ে থাক।
তুমি দুর্বৃত্ত লোকদের উপরে ঈর্ষা করিও না, তাহাদের সঙ্গে থাকিতেও বাসনা করিও না।
আমি আপন অসারতার কালে এই সমস্তই দেখিয়াছি; কোন ধার্ম্মিক লোক নিজ ধার্ম্মিকতায় বিনষ্ট হয়, এবং কোন দুষ্ট লোক নিজ দুষ্টতায় দীর্ঘ কাল যাপন করে।
হে সদাপ্রভু, আমি যখন তোমার সহিত বিবাদ করি, তুমিই ধর্ম্মময়; তথাপি তোমার সহিত বাদানুবাদ করিব। দুষ্ট লোকদের পথ কেন কুশলযুক্ত হয়? যাহারা অতিশয় বিশ্বাসঘাতক, তাহারা কেন শান্তিতে থাকে?
আমরা এখন দর্পী লোকদিগকে ধন্য বলি; হাঁ, দুষ্টাচারীরা প্রতিষ্ঠিত হয়, এবং ঈশ্বরের পরীক্ষা করিয়াও রক্ষা পায়।
অথবা তোমরা কি মনে কর যে, শাস্ত্রের বচন ফলহীন? যে আত্মা তিনি আমাদের অন্তরে বাস করাইয়াছেন, সেই আত্মা কি মাৎসর্য্যের নিমিত্ত স্নেহ করেন?