তাহারা তোমাদের সহিত ভোজন পান করিবার সময়ে তোমাদের প্রেম-ভোজে ব্যাঘাতক, তাহারা এমন পালক যে নির্ভয়ে আপনাদিগকেই চরায়; তাহারা বায়ু চালিত নির্জল মেঘ; হেমন্তকালের ফলহীন, দুই বার মৃত ও উন্মূলিত বৃক্ষ;
Cross references
এইরূপে প্রস্তর উৎপাটন এবং গৃহ ঘর্ষণ ও লেপন করিলে পর যদি পুনর্ব্বার কলঙ্ক জন্মিয়া গৃহে বিস্তৃত হয়, তবে যাজক আসিয়া দেখিবে;
তবে আমি ইস্রায়েলীয়দিগকে আমার যে দেশ দিয়াছি, তাহা হইতে তাহাদিগকে সমূলে উৎপাটন করিব, এবং আপন নামের জন্য এই যে গৃহ পবিত্র করিলাম, ইহা আমার দৃষ্টিপথ হইতে দূর করিব, এবং সমস্ত জাতির মধ্যে ইহা প্রবাদের ও উপহাসের আস্পদ করিব।
প্রস্তররাশিতে তাহার শিকড় জড়িত হয়, সে পাষাণচয়ের স্থান দেখিতে পায়,
সে জলস্রোতের তীরে রোপিত বৃক্ষের সদৃশ হইবে, যাহা যথাসময়ে ফল দেয়, যাহার পত্র ম্লান হয় না; আর সে যাহা কিছু করে, তাহাতেই কৃতকার্য্য হয়।
কেননা তাহারা ঘাসের ন্যায় শীঘ্র ছিন্ন হইবে, হরিৎ তৃণের ন্যায় ম্লান হইবে।
তখন তাহারা ভোজন করিয়া পরিতৃপ্ত হইল; তিনি তাহাদের অভীষ্ট বস্তু তাহাদিগকে দিলেন;
যে দান বিষয়ে মিথ্যা দর্পকথা কহে, সে বৃষ্টিহীন মেঘ ও বায়ুর তুল্য।
তাহার প্রহরিগণ অন্ধ, সকলেই অজ্ঞান; তাহারা সকলে গোঙ্গা কুকুর, ঘেউ ঘেউ করিতে পারে না; তাহারা স্বপ্নদর্শী, নিদ্রালু ও তন্দ্রাপ্রিয়।
তুমি বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, সে কি কৃতকার্য্য হইবে? তাহার মূল কি উৎপাটিত হইবে না? তাহার ফল কি কাটা যাইবে না? সে শুষ্ক হইবে, ও তাহার ডালের নবীন ডগা সকল ম্লান হইবে। তাহার মূল হইতে তাহাকে তুলিয়া লইবার জন্য বলবান হস্ত ও অনেক সৈন্য লাগিবে না।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি ইস্রায়েলের পালকদের বিরুদ্ধে ভাববাণী বল, ভাববাণী বল, তাহাদিগকে, অর্থাৎ সেই পালকদিগকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, ইস্রায়েলের সেই পালকদিগকে ধিক্, যাহারা আপনাদিগকেই পালন করিতেছে।
প্রভু সদাপ্রভু কহেন, আমার জীবনের দিব্য, আমার পাল লুটদ্রব্য হইয়াছে, এবং আমার মেষগণ বন্য পশু সকলের খাদ্য হইয়াছে; কেননা পালক নাই, এবং আমার পালকেরা আমার মেষগণের অন্বেষণ করে নাই; বরং সেই পালকেরা আপনাদিগকেই পালন করিয়াছে, আমার মেষগণকে পালন করে নাই;
প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমি সেই পালকদের বিপক্ষ; আমি তাহাদের হস্ত হইতে আমার মেষগণকে আদায় করিব, এবং তাহাদিগকে পালকের কর্ম্ম হইতে চ্যুত করিব, সেই পালকেরা আর আপনাদিগকে পালন করিবে না; আর আমি আপন মেষগণকে তাহাদের মুখ হইতে উদ্ধার করিব, তাহাদের খাদ্য হইতে দিব না।
ইহা কি তোমাদের কাছে তুচ্ছ বিষয় বোধ হয় যে, উত্তম চরাণিতে চরিতেছ, আবার আপনাদের অবশিষ্ট তৃণ পদতলে দলিত করিতেছ? এবং নির্ম্মল জল পান করিতেছ, আবার অবশিষ্টকে পদ দ্বারা মলিন করিতেছ?
হে ইফ্রয়িম, তোমার জন্য আমি কি করিব? হে যিহূদা, তোমার জন্য কি করিব? তোমাদের সাধুতা ত প্রাতঃকালের মেঘের ন্যায়, শিশিরের ন্যায়, যাহা প্রত্যূষে উড়িয়া যায়।
কিন্তু সূর্য্য উঠিলে পর পুড়িয়া গেল, এবং তাহার মূল না থাকাতে শুকাইয়া গেল।
তিনি উত্তর করিয়া কহিলেন, আমার স্বর্গীয় পিতা যে সকল চারা রোপন করেন নাই, সে সকল উপড়াইয়া ফেলা যাইবে।
পথের পার্শ্বে একটা ডুমুরগাছ দেখিয়া তিনি তাহার নিকটে গেলেন, এবং পত্র বিনা আর কিছুই দেখিতে পাইলেন না। তখন তিনি গাছটিকে কহিলেন, আর কখনও তোমাতে ফল না ধরুক; আর হঠাৎ সেই ডুমুরগাছটা শুকাইয়া গেল।
কিন্তু সূর্য্য উঠিলে পর পুড়িয়া গেল, এবং তাহার মূল না থাকাতে শুকাইয়া গেল।
প্রাতঃকালে তাঁহারা যাইতে যাইতে দেখিলেন, সেই ডুমুরগাছটী সমূলে শুকাইয়া গিয়াছে।
আর কতক পাষাণের উপরে পড়িল, তাহাতে তাহা অঙ্কুরিত হইলে রস না পাওয়াতে শুকাইয়া গেল।
আর আপন প্রাণকে বলিব, প্রাণ, বহুবৎসরের নিমিত্ত তোমার জন্য অনেক দ্রব্য সঞ্চিত আছে; বিশ্রাম কর, ভোজন পান কর, আমোদ প্রমোদ কর।
কিন্তু সেই দাস যদি মনে মনে বলে, আমার প্রভুর আসিবার বিলম্ব আছে, এবং সে দাস দাসীদিগকে প্রহার করিতে, ভোজন পান করিতে ও মত্ত হইতে আরম্ভ করে,
এক জন ধনবান্ লোক ছিল, সে বেগুনে কাপড় ও সূক্ষ্ম বস্ত্র পরিধান করিত, এবং প্রতিদিন জাঁকজমকের সহিত আমোদ প্রমোদ করিত।
কিন্তু আপনাদের বিষয়ে সাবধান থাকিও, পাছে ভোগপীড়ায় ও মত্ততায় এবং জীবিকার চিন্তায় তোমাদের হৃদয় ভারগ্রস্ত হয়, আর সেই দিন হঠাৎ ফাঁদের ন্যায় তোমাদের উপরে আসিয়া পড়ে;
আমাতে থাক, আর আমি তোমাদিগেতে থাকি; শাখা যেমন আপনা হইতে ফল ধরিতে পারে না, দ্রাক্ষালতায় না থাকিলে পারে না, তদ্রূপ আমাতে না থাকিলে তোমরাও পার না।
যাহা হউক, তোমরা যখন এক স্থানে সমবেত হও, তখন প্রভুর ভোজ ভোজন করা হয় না,
যেন আমরা আর বালক না থাকি, মনুষ্যদের ঠকামিতে, ধূর্ত্ততায়, ভ্রান্তির চাতুরীক্রমে তরঙ্গাহত এবং যে সে শিক্ষাবায়ুতে ইতস্ততঃ পরিচালিত না হই;
তাহাদের পরিণাম বিনাশ; উদর তাহাদের ঈশ্বর, এবং নিজ লজ্জাতেই তাহাদের গৌরব; তাহারা পার্থিব বিষয় ভাবে।
অতএব আইস, আমরা অন্য সকলের ন্যায় নিদ্রা না যাই, বরং জাগিয়া থাকি ও মিতাচারী হই।
কিন্তু যে বিলাসিনী, সে জীবদ্দশায় মৃতা।
কেননা যাহারা একবার দীপ্তি প্রাপ্ত হইয়াছে, ও স্বর্গীয় দানের রসাস্বাদন করিয়াছে, ও পবিত্র আত্মার ভাগী হইয়াছে,
তোমরা পৃথিবীতে সুখভোগ ও বিলাস করিয়াছ, তোমরা হত্যার দিনে আপন আপন হৃদয় তৃপ্ত করিয়াছ।
তাহারা দিনমানে উদরতৃপ্তিকে সুখ জ্ঞান করে; তাহারা কলঙ্ক ও মলস্বরূপ, তাহারা তোমাদের সহিত ভোজন পান করিয়া আপন আপন প্রেমভোজে বিলাস করে।
এই লোকেরা নির্জল উনুই, ঝড়ে চালিত কুজ্ঝটিকা, তাহাদের জন্য ঘোরতর অন্ধকার সঞ্চিত রহিয়াছে।