প্রাতঃকালে তাঁহারা যাইতে যাইতে দেখিলেন, সেই ডুমুরগাছটী সমূলে শুকাইয়া গিয়াছে।
Cross references
প্রস্তররাশিতে তাহার শিকড় জড়িত হয়, সে পাষাণচয়ের স্থান দেখিতে পায়,
নীচে তাহার মূল শুষ্ক হইবে, উপরে তাহার শাখা ম্লান হইবে।
দুষ্টগণের আনন্দগান ক্ষণমাত্রস্থায়ী, পামরের হর্ষ নিমেষমাত্রস্থায়ী?
আমার দ্রাক্ষাক্ষেত্রের প্রতি এমন আর কি করিতে পারা যাইত, যাহা আমি করি নাই? আমি যখন অপেক্ষা করিলাম যে, দ্রাক্ষাফল ধরিবে, তখন কেন তাহাতে বুনো আঙ্গুর ধরিল?
তাহারা রোপিত হয় নাই, তাহারা উপ্ত হয় নাই, ভূমিতে তাহাদের কাণ্ড বদ্ধমূল হয় নাই, অমনি তিনি তাহাদের উপরে ফুৎকার দেন, তাহারা শুকাইয়া যায়, ঘূর্ণবায়ু তাহাদিগকে নাড়ার ন্যায় উড়াইয়া দেয়।
কিন্তু সূর্য্য উঠিলে পর পুড়িয়া গেল, এবং তাহার মূল না থাকাতে শুকাইয়া গেল।
তিনি উত্তর করিয়া কহিলেন, আমার স্বর্গীয় পিতা যে সকল চারা রোপন করেন নাই, সে সকল উপড়াইয়া ফেলা যাইবে।
পথের পার্শ্বে একটা ডুমুরগাছ দেখিয়া তিনি তাহার নিকটে গেলেন, এবং পত্র বিনা আর কিছুই দেখিতে পাইলেন না। তখন তিনি গাছটিকে কহিলেন, আর কখনও তোমাতে ফল না ধরুক; আর হঠাৎ সেই ডুমুরগাছটা শুকাইয়া গেল।
তিনি গাছটীকে বলিলেন, এখন অবধি কেহ কখনও তোমার ফল ভোজন না করুক। এ কথা তাঁহার শিষ্যেরা শুনিতে পাইলেন।
কেহ যদি আমাতে না থাকে, তাহা হইলে শাখার ন্যায় তাহাকে বাহিরে ফেলিয়া দেওয়া যায় ও সে শুকাইয়া যায়; এবং লোকে সেগুলি কুড়াইয়া আগুনে ফেলিয়া দেয়, আর সে সকল পুড়িয়া যায়।
তবে তাহা অকর্ম্মণ্য ও শাপের সমীপবর্ত্তী, জ্বলনই তাহার পরিণাম।
তাহারা তোমাদের সহিত ভোজন পান করিবার সময়ে তোমাদের প্রেম-ভোজে ব্যাঘাতক, তাহারা এমন পালক যে নির্ভয়ে আপনাদিগকেই চরায়; তাহারা বায়ু চালিত নির্জল মেঘ; হেমন্তকালের ফলহীন, দুই বার মৃত ও উন্মূলিত বৃক্ষ;