কিন্তু সেই দাস যদি মনে মনে বলে, আমার প্রভুর আসিবার বিলম্ব আছে, এবং সে দাস দাসীদিগকে প্রহার করিতে, ভোজন পান করিতে ও মত্ত হইতে আরম্ভ করে,
Cross references
তিনি কাহাকে আশ্রয় দিলে সে নির্ভয়ে থাকে; কিন্তু তাহাদের পথে তাঁহার দৃষ্টি থাকে।
তাহার প্রহরিগণ অন্ধ, সকলেই অজ্ঞান; তাহারা সকলে গোঙ্গা কুকুর, ঘেউ ঘেউ করিতে পারে না; তাহারা স্বপ্নদর্শী, নিদ্রালু ও তন্দ্রাপ্রিয়।
দেখ, আমার সম্মুখে ইহা লিখিত আছে; আমি নীরব থাকিব না, প্রতিফল দিব; ইহাদের কোলেই প্রতিফল দিব;
পশ্হূর যিরমিয় ভাববাদীকে প্রহার করিয়া সদাপ্রভুর গৃহগামী বিন্যামীনের উচ্চতর দ্বারে স্থিত হাঁড়িকাঠে তাঁহাকে বদ্ধ করিয়া রাখিল।
হে মনুষ্য-সন্তান, এ কেমন প্রবাদ, যাহা ইস্রায়েল-দেশে তোমাদের মধ্যে প্রচলিত, যথা, ‘কাল বিলম্ব হইতেছে, প্রত্যেক দর্শন বিফল হইল?’
হে মনুষ্য-সন্তান, দেখ, ইস্রায়েল-কুল বলে, ঐ ব্যক্তি যে দর্শন পায়, সে অনেক বিলম্বের কথা; সে দূরবর্ত্তী কালের বিষয়ে ভাববাণী বলিতেছে।
মেষগণকেই পালন করা কি পালকদের কর্ত্তব্য নয়? তোমরা মেদ খাইয়া থাক, মেষলোম পরিধান করিয়া থাক, পুষ্ট মেষ বলিদান করিয়া থাক, কিন্তু মেষগণকে পালন কর না।
প্রভু সদাপ্রভু কহেন, আমার জীবনের দিব্য, আমার পাল লুটদ্রব্য হইয়াছে, এবং আমার মেষগণ বন্য পশু সকলের খাদ্য হইয়াছে; কেননা পালক নাই, এবং আমার পালকেরা আমার মেষগণের অন্বেষণ করে নাই; বরং সেই পালকেরা আপনাদিগকেই পালন করিয়াছে, আমার মেষগণকে পালন করে নাই;
অবশিষ্ট সকলে তাঁহার দাসদিগকে ধরিয়া অপমার করিল ও বধ করিল।
কিন্তু সেই দুষ্ট দাস যদি মনে মনে বলে, ‘আমার প্রভুর আসিবার বিলম্ব আছে,’
কেননা এই প্রকার লোকেরা আমাদের প্রভু খ্রীষ্টের দাসত্ব করে না, কিন্তু আপন আপন উদরের দাসত্ব করে, এবং মধুর বাক্য ও স্তুতিবাদ দ্বারা সরল লোকদের মন ভুলায়।
কারণ কেহ যদি তোমাদিগকে দাস করে, যদি তোমাদিগকে খাইয়া ফেলে, যদি তোমাদিগকে ধরিয়া লয়, যদি দর্প করে, যদি তোমাদের গালে চড় মারে, তবে তোমরা সহিষ্ণুতা করিয়া থাক।
কেননা অনেকে এমন চলিতেছে, যাহাদের বিষয়ে তোমাদিগকে বার বার বলিয়াছি, এবং এখনও রোদন করিতে করিতে বলিতেছি, তাহারা খ্রীষ্টের ক্রুশের শত্রু;
কারণ যাহারা নিদ্রা যায়, তাহারা রাত্রিতেই নিদ্রা যায়; এবং যাহারা মদ্যপায়ী, তাহারা রাত্রিতেই মত্ত হয়।
লোভের বশে তাহারা কল্পিত বাক্য দ্বারা তোমাদের হইতে অর্থলাভ করিবে; তাহাদের বিচারাজ্ঞা দীর্ঘকাল বিলম্ব করে নাই, এবং তাহাদের বিনাশ ঢুলিয়া পড়ে নাই।
তাহারা দিনমানে উদরতৃপ্তিকে সুখ জ্ঞান করে; তাহারা কলঙ্ক ও মলস্বরূপ, তাহারা তোমাদের সহিত ভোজন পান করিয়া আপন আপন প্রেমভোজে বিলাস করে।
তাহারা তাহাদের কাছে স্বাধীনতার প্রতিজ্ঞা করে, কিন্তু আপনারা ক্ষয়ের দাস; কেননা যে যাহার দ্বারা পরাভূত, সে তাহার দাসত্বে আনীত।
আমি মণ্ডলীকে কিছু লিখিয়াছিলাম, কিন্তু তাহাদের প্রাধান্যপ্রিয় দিয়ত্রিফি আমাদিগকে গ্রাহ্য করে না।
তাহারা তোমাদের সহিত ভোজন পান করিবার সময়ে তোমাদের প্রেম-ভোজে ব্যাঘাতক, তাহারা এমন পালক যে নির্ভয়ে আপনাদিগকেই চরায়; তাহারা বায়ু চালিত নির্জল মেঘ; হেমন্তকালের ফলহীন, দুই বার মৃত ও উন্মূলিত বৃক্ষ;
আর পবিত্রগণের সহিত যুদ্ধ করিবার ও তাহাদিগকে জয় করিবার ক্ষমতা তাহাকে দত্ত হইল; এবং তাহাকে সমস্ত বংশের ও লোকবৃন্দের ও ভাষার ও জাতির উপরে কর্ত্তৃত্ব দত্ত হইল।
আর তাহাকে এই ক্ষমতা দত্ত হইল যে, সে ঐ পশুর প্রতিমার মধ্যে নিশ্বাস প্রদান করে, যেন ঐ পশুর প্রতিমা কথা কহিতে পারে, ও এমন করিতে পারে যে, যত লোক সেই পশুর প্রতিমার ভজনা না করিবে, তাহাদিগকে বধ করা হয়।
কেননা উহারা পবিত্রগণের ও ভাববাদীদের রক্তপাত করিয়াছিল; আর তুমি উহাদিগকে পানার্থে রক্ত দিয়াছ; তাহারা ইহার যোগ্য।
আর তাহার ললাটে এই নাম লিখিত আছে, এক নিগূঢ়তত্ত্ব;
সে যত আত্মগৌরব ও বিলাস করিত, তাহাকে তত যন্ত্রণা ও শোক দেও। কেননা সে মনে মনে বলিতেছে, আমি রাণীর মত সিংহাসনে বসিয়া আছি, বিধবা নহি, কোন মতে শোক দেখিব না।
আর ভাববাদিগণের ও পবিত্রগণের রক্ত, এবং যত লোক পৃথিবীতে হত হইয়াছে, সেই সকলের রক্ত ইহার মধ্যে পাওয়া গেল।