তিনি জলের বিন্দু সকল আকর্ষণ করেন, সেগুলি তাঁহার বাষ্প হইতে বৃষ্টিরূপে পড়ে;
Cross references
সেই সময়ে পৃথিবীতে ক্ষেত্রের কোন উদ্ভিজ্জ হইত না, আর ক্ষেত্রের কোন ওষধি উৎপন্ন হইত না, কেননা সদাপ্রভু ঈশ্বর পৃথিবীতে বৃষ্টি বর্ষান নাই, আর ভূমিতে কৃষিকর্ম্ম করিতে মনুষ্য ছিল না।
তিনি মহৎ মহৎ কর্ম্ম করেন, যাহার সন্ধান করা যায় না, আশ্চর্য্য ক্রিয়া করেন, যাহার সংখ্যা নাই।
তিনি ভূতলে বৃষ্টি প্রদান করেন, তিনি জনপদের উপরে জল বহান।
যখন তিনি বৃষ্টির নিয়ম নিরূপণ করিলেন, বিদ্যুৎ ও মেঘগর্জ্জনের পথ স্থির করিলেন,
তাহার নিনাদ তাঁহার পরিচয় দেয়, পশুপাল সকলও তাঁহার আগমন জানায়।
অতিবৃষ্টির জন্য কে প্রণালী কাটিয়াছে, বজ্র-বিদ্যুতের জন্য কে পথ করিয়াছে,
তুমি কি মেঘ পর্য্যন্ত তোমার রব তুলিতে পার, যেন বহুজল তোমাকে আচ্ছন্ন করে?
তুমি পৃথিবীর তত্ত্বাবধান করিতেছ, উহাতে জল সেচন করিতেছ, উহা অতিশয় ধনাঢ্য করিতেছ; ঈশ্বরের নদী জলে পরিপূর্ণ; এইরূপে ভূমি প্রস্তুত করিয়া তুমি মনুষ্যদের শস্য প্রস্তুত করিয়া থাক।
তিনি মেঘমালায় আকাশমণ্ডল আচ্ছন্ন করেন, তিনি পৃথিবীর জন্য বৃষ্টি প্রস্তুত করেন, তিনি পর্ব্বতগণের উপরে তৃণ উৎপাদন করেন।
অগ্নি ও শিলা, তুষার ও বাষ্প, তাঁহার বাক্যসাধক প্রচণ্ড বায়ু;
তাঁহার জ্ঞান দ্বারা জলধি সকল উদঘাটিত হইল, আর আকাশ ফোঁটা ফোঁটা শিশির বর্ষণ করে।
আমি তাহা উৎসন্ন করিব, তাহার লতা পরিষ্কার কি ভূমি খনন করা যাইবে না, আর তাহা শ্যাকুল ও কন্টকবৃক্ষের জঙ্গল হইবে, এবং আমি মেঘমালাকে আজ্ঞা দিব, যেন সে সকল তাহার উপরে জল বর্ষণ না করে।
জাতিগণের অসার দেবতাদের মধ্যে বৃষ্টি দিতে পারে, এমন কেহ কি আছে? কিম্বা আকাশ কি জল বর্ষণ করিতে পারে? হে সদাপ্রভু, আমাদের ঈশ্বর, তুমিই কি সেই [বৃষ্টিদাতা] নহ? এই জন্য আমরা তোমার অপেক্ষায় থাকিব, কেননা তুমিই এই সমস্ত করিয়া থাক।
তোমরা শেষ বর্ষার সময়ে সদাপ্রভুর কাছে বৃষ্টি যাচ্ঞা কর; সদাপ্রভু বিদ্যুতের উৎপাদক। তিনি লোকদিগকে প্রচুর বৃষ্টি দিবেন, প্রত্যেক জনের ক্ষেত্রে তৃণ দিবেন।