তুমি পৃথিবীর তত্ত্বাবধান করিতেছ, উহাতে জল সেচন করিতেছ, উহা অতিশয় ধনাঢ্য করিতেছ; ঈশ্বরের নদী জলে পরিপূর্ণ; এইরূপে ভূমি প্রস্তুত করিয়া তুমি মনুষ্যদের শস্য প্রস্তুত করিয়া থাক।
Cross references
আর ইস্হাক সেই দেশে চাসকর্ম্ম করিয়া সেই বৎসর শত গুণ শস্য পাইলেন, এবং সদাপ্রভু তাঁহাকে আশীর্ব্বাদ করিলেন।
তবে আমি যথাকালে তোমাদিগকে বৃষ্টি দান করিব; তাহাতে ভূমি শস্য উৎপন্ন করিবে, ও ক্ষেত্রের বৃক্ষ সকল স্ব স্ব ফল দিবে।
তোমরা যে দেশ অধিকার করিতে পার হইয়া যাইতেছ, সে পর্ব্বত ও উপত্যকা-বিশিষ্ট দেশ, এবং আকাশের বৃষ্টির জল পান করে;
তখন সে দুইটী পুত্রবধূকে সঙ্গে লইয়া মোয়াব দেশ হইতে ফিরিয়া যাইবার জন্য উঠিল; কারণ সে মোয়াব দেশে শুনিতে পাইয়াছিল যে, সদাপ্রভু আপন প্রজাদের তত্ত্বাবধান করিয়া তাহাদিগকে খাদ্য দ্রব্য দিয়াছেন।
তিনি ভূতলে বৃষ্টি প্রদান করেন, তিনি জনপদের উপরে জল বহান।
ফলে তিনি হিমানীকে বলেন, পৃথিবীতে পড়, সামান্য বৃষ্টিকেও তাহা বলেন, তাঁহার পরাক্রমের বৃষ্টিকেও বলেন।
এক নদী আছে তাহার প্রণালী সকল ঈশ্বরের নগরকে, পরাৎপরের আবাসের পবিত্র স্থানকে আনন্দিত করে।
হে ঈশ্বর, তুমি আমার ঈশ্বর; আমি সযত্নে তোমার অন্বেষণ করিব; আমার প্রাণ তোমার জন্য পিপাসু, আমার মাংস তোমার জন্য লালায়িত, শুষ্ক ও শ্রান্তিকর দেশে, জলবিহীন দেশে।
তুমি আপন মঙ্গলভাবের বৎসরকে মুকুট পরাইয়া থাক, তোমার চক্রচিহ্ন দিয়া পুষ্টিকর দ্রব্য ক্ষরে।
হে ঈশ্বর, তুমি জলধারা বর্ষাইলে, তোমার অধিকার ক্লান্ত হইলে তুমিই তাহা সুস্থির করিলে।
তিনি আপন কক্ষ হইতে পর্ব্বতে জল সেচন করেন; তোমার কার্য্যের ফলে পৃথিবী পরিতৃপ্ত হয়।
এবং ক্ষেত্রে বীজ বপন ও দ্রাক্ষালতা রোপন করে, এবং উৎপন্ন ফল সঞ্চয় করে।
তিনি মেঘমালায় আকাশমণ্ডল আচ্ছন্ন করেন, তিনি পৃথিবীর জন্য বৃষ্টি প্রস্তুত করেন, তিনি পর্ব্বতগণের উপরে তৃণ উৎপাদন করেন।
তিনি তোমার পরিসীমা শান্তিময় করেন, তিনি সুগোধূমে তোমাকে তৃপ্ত করেন।
উপকূল সকল দৃষ্টিপাত করিয়া ভীত হইল, পৃথিবীর প্রান্ত সকল ত্রাসযুক্ত হইল; তাহারা নিকটবর্ত্তী হইয়া আসিল।
তাহারা মনে মনে বলে না, আইস, আমরা আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুকে ভয় করি; তিনিই উপযুক্ত কালে প্রথম ও শেষ বর্ষার জল দেন; আমাদের জন্য ফসল কাটিবার নিয়মিত সপ্তাহ সকল রক্ষা করেন।
জাতিগণের অসার দেবতাদের মধ্যে বৃষ্টি দিতে পারে, এমন কেহ কি আছে? কিম্বা আকাশ কি জল বর্ষণ করিতে পারে? হে সদাপ্রভু, আমাদের ঈশ্বর, তুমিই কি সেই [বৃষ্টিদাতা] নহ? এই জন্য আমরা তোমার অপেক্ষায় থাকিব, কেননা তুমিই এই সমস্ত করিয়া থাক।
তোমাদের মহতী শান্তি হউক। পরাৎপর ঈশ্বর আমার পক্ষে যে সকল চিহ্ন-কার্য্য ও আশ্চর্য্য কার্য্য সাধন করিয়াছেন, তাহা আমি প্রচার করা বিহিত বুঝিলাম।
আর হে সিয়োন-সন্তানগণ, তোমরা উল্লাসিত হও, তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুতে আনন্দ কর, কেননা তিনি তোমাদিগকে যথাপরিমাণে অগ্রিম বৃষ্টি দিলেন, এবং প্রথমতঃ তোমাদের নিমিত্ত অগ্রিম ও উত্তর বর্ষার জল বর্ষাইলেন।
কারণ সূর্য্যের উদয়স্থান অবধি তাহার অস্তগমনস্থান পর্য্যন্ত জাতিগণের মধ্যে আমার নাম মহৎ, এবং প্রত্যেক স্থানে আমার নামের উদ্দেশে ধূপদাহ ও শুচি নৈবেদ্য উৎসৃষ্ট হইতেছে; কেননা জাতিগণের মধ্যে আমার নাম মহৎ, ইহা বাহিনীগণের সদাপ্রভু কহেন।
তথাপি তিনি আপনাকে সাক্ষ্যবিহীন রাখেন নাই, কেননা, তিনি মঙ্গল করিতেছেন, আকাশ হইতে আপনাদিগকে বৃষ্টি এবং ফলোৎপাদক ঋতুগণ দিয়া ভক্ষ্যে ও আনন্দে আপনাদের হৃদয় পরিতৃপ্ত করিয়া আসিতেছেন।
যাহারা এই যুগে ধনবান্, তাহাদিগকে এই আজ্ঞা দেও, যেন তাহারা গর্ব্বিতমনা না হয়, এবং ধনের অস্থিরতার উপরে নয়, কিন্তু যিনি ধনবানের ন্যায় সকলই আমাদের ভোগার্থে যোগাইয়া দেন, সেই ঈশ্বরেরই উপরে প্রত্যাশা রাখে;
আর তিনি আমাকে “জীবন-জলের নদী” দেখাইলেন, তাহা স্ফটিকের ন্যায় উজ্জ্বল, তাহা ঈশ্বরের ও মেষশাবকের সিংহাসন হইতে নির্গত হইয়া তথাকার চকের মধ্যস্থানে বহিতেছে;