দেখুন, ঈশ্বর মহান্, আমরা তাঁহাকে জানি না; তাঁহার বর্ষ-সংখ্যার সন্ধান পাওয়া যায় না।
Cross references
কিন্তু ঈশ্বর কি সত্য সত্যই পৃথিবীতে বাস করিবেন? দেখ, স্বর্গ ও স্বর্গের স্ব তোমাকে ধারণ করিতে পারে না, তবে আমার নির্ম্মিত এই গৃহ কি পারিবে?
তোমার আয়ু কি মর্ত্ত্যের আয়ুর ন্যায়? তোমার বৎসরসমূহ কি মনুষ্যের দিনসমূহের ন্যায়?
তুমি কি অনুসন্ধান দ্বারা ঈশ্বরকে পাইতে পার? সর্ব্বশক্তিমানের সম্পূর্ণ তত্ত্ব পাইতে পার?
দেখ, এই সকল তাঁহার মার্গের প্রান্ত; তাঁহার বিষয়ে কাকলীমাত্র শুনা যায়; কিন্তু তাঁহার পরাক্রমের গর্জ্জন কে বুঝিতে পারে?
ঈশ্বর স্বীয় রবে আশ্চর্য্যরূপ গর্জ্জন করেন, আমাদের বোধের অগম্য মহৎ মহৎ কার্য্য করেন।
সর্ব্বশক্তিমান্! তিনি আমাদের বোধের অগম্য; তিনি পরাক্রমে মহান্, তিনি ন্যায়বিচার ও প্রচুর ধর্ম্মগুণ বিপরীত করেন না।
পর্ব্বতগণের জন্ম হইবার পূর্ব্বে, তুমি পৃথিবী ও জগৎকে জন্ম দিবার পূর্ব্বে, এমন কি, অনাদিকাল হইতে অনন্তকাল তুমিই ঈশ্বর।
আমি বলিলাম, হে আমার ঈশ্বর, আয়ুর মধ্যভাগে আমাকে তুলিয়া লইও না; তোমার বৎসর সকল পুরুষে পুরুষে স্থায়ী।
সদাপ্রভু মহান্ ও অতীব কীর্ত্তনীয়; তাঁহার মহিমার তত্ত্ব পাওয়া যায় না।
কারণ এখন আমরা দর্পণে অস্পষ্ট দেখিতেছি, কিন্তু তৎকালে সম্মুখাসম্মুখি হইয়া দেখিব; এখন আমি কতক অংশে জানিতে পাই, কিন্তু তৎকালে আমি আপনি যেমন পরিচিত হইয়াছি, তেমনি পরিচয় পাইব।
তুমি পরিচ্ছদের ন্যায় সে সকল জড়াইবে, বস্ত্রের ন্যায় জড়াইবে, আর সে সমস্তের পরিবর্ত্তন হইবে; কিন্তু তুমি যে, সেই আছ, এবং তোমার বৎসর সকল কখনও শেষ হইবে না।”
কিন্তু প্রিয়তমেরা, তোমরা এই কথা ভুলিও না যে, প্রভুর কাছে এক দিন সহস্র বৎসরের সমান, এবং সহস্র বৎসর এক দিনের সমান।