সেই দিন নোহ, এবং শেম, হাম ও যেফৎ নামে নোহের পুত্রগণ, এবং তাঁহাদের সহিত নোহের স্ত্রী ও তিন পুত্রবধূ জাহাজে প্রবেশ করিলেন।
Cross references
পরে নোহ পাঁচ শত বৎসর বয়সে শেম, হাম ও যেফতের জন্ম দিলেন।
কিন্তু তোমার সহিত আমি আপনার নিয়ম স্থির করিব; তুমি আপন পুত্রগণ, স্ত্রী ও পুত্রবধূদিগকে সঙ্গে লইয়া সেই জাহাজে প্রবেশ করিবে।
আর সদাপ্রভু নোহকে কহিলেন, তুমি সপরিবারে জাহাজে প্রবেশ কর, কেননা এই কালের লোকদের মধ্যে আমার সাক্ষাতে তোমাকেই ধার্ম্মিক দেখিয়াছি।
জলপ্লাবনের অপেক্ষাতে নোহ ও তাঁহার পুত্রগণ এবং তাঁহার স্ত্রী ও পুত্রবধূগণ জাহাজে প্রবেশ করিলেন।
পরে দ্বিতীয় মাসের সাতাইশ দিনে ভূমি শুষ্ক হইল।
নোহের যে পুত্রেরা জাহাজ হইতে বাহির হইলেন, তাঁহাদের নাম শেম, হাম ও যেফৎ; সেই হাম কনানের পিতা।
নোহের পুত্র শেম, হাম ও যেফতের বংশবৃত্তান্ত এই। জলপ্লাবনের পরে তাঁহাদের সন্তান সন্ততি জন্মিল।
আর হামের সন্তান—কূশ, মিসর, পূট ও কনান। কূশের সন্তান—সবা, হবীলা, সপ্তা, রয়মা ও সপ্তকা।
যে শেম এবরের সকল সন্তানের আদিপুরুষ, আর যেফতের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা, তাঁহারও সন্তান সন্ততি ছিল।
আর তাহাদের পিতা কিম্বা ভ্রাতৃগণ যদি বিবাদ করিবার জন্য আমাদের নিকটে আইসে, তবে আমরা তাহাদিগকে বলিব, তোমরা আমাদের অনুরোধে তাহাদিগকে দান কর; কেননা যুদ্ধের সময়ে আমরা তাহাদের প্রত্যেক জনের জন্য স্ত্রী পাই নাই; আর তোমরাও তাহাদিগকে দেও নাই, দিলে এখন অপরাধী হইতে।
নোহ, শেম, হাম, ও যেফৎ।
বিশ্বাসে নোহ, যাহা যাহা তখন দেখা যাইতেছিল না, এমন বিষয়ে আদেশ পাইয়া ভক্তিযুক্ত ভয়ে আবিষ্ট হইয়া আপন পরিবারের ত্রাণার্থে এক জাহাজ নির্ম্মাণ করিলেন, এবং তদ্দ্বারা জগৎকে দোষী করিলেন ও আপনি বিশ্বাসানুরূপ ধার্ম্মিকতার অধিকারী হইলেন।
যাহারা পূর্ব্বকালে, নোহের সময়ে, জাহাজ প্রস্তুত হইতে হইতে যখন ঈশ্বরের দীর্ঘসহিষ্ণুতা বিলম্ব করিতেছিল, তখন অবাধ্য ছিল। সেই জাহাজে অল্প লোক, অর্থাৎ আটটী প্রাণ, জল দ্বারা রক্ষা পাইয়াছিল।
আর তিনি পুরাতন জগতের প্রতি মমতা করেন নাই, কিন্তু যখন ভক্তিহীনদের জগতে জলপ্লাবন আনিলেন, তখন আর সাত জনের সহিত ধার্ম্মিকতার প্রচারক নোহকে রক্ষা করিলেন।