পরে নোহ পাঁচ শত বৎসর বয়সে শেম, হাম ও যেফতের জন্ম দিলেন।
Cross references
সেই দিন নোহ, এবং শেম, হাম ও যেফৎ নামে নোহের পুত্রগণ, এবং তাঁহাদের সহিত নোহের স্ত্রী ও তিন পুত্রবধূ জাহাজে প্রবেশ করিলেন।
নোহের যে পুত্রেরা জাহাজ হইতে বাহির হইলেন, তাঁহাদের নাম শেম, হাম ও যেফৎ; সেই হাম কনানের পিতা।
তখন কনানের পিতা হাম আপন পিতার উলঙ্গতা দেখিয়া বাহিরে আপন দুই ভ্রাতাকে সমাচার দিল।
নোহের পুত্র শেম, হাম ও যেফতের বংশবৃত্তান্ত এই। জলপ্লাবনের পরে তাঁহাদের সন্তান সন্ততি জন্মিল।
আর হামের সন্তান—কূশ, মিসর, পূট ও কনান। কূশের সন্তান—সবা, হবীলা, সপ্তা, রয়মা ও সপ্তকা।
যে শেম এবরের সকল সন্তানের আদিপুরুষ, আর যেফতের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা, তাঁহারও সন্তান সন্ততি ছিল।
আপন আপন বংশ ও জাতি অনুসারে ইহারা নোহের সন্তানদের গোষ্ঠী; এবং জলপ্লাবনের পরে ইহাদের হইতে উৎপন্ন নানা জাতি পৃথিবীতে বিভক্ত হইল।
নোহ, শেম, হাম, ও যেফৎ।
ইনি কৈননের পুত্র, ইনি অর্ফক্ষদের পুত্র, ইনি শেমের পুত্র, ইনি নোহের পুত্র, ইনি লেমকের পুত্র,