আর হামের সন্তান—কূশ, মিসর, পূট ও কনান। কূশের সন্তান—সবা, হবীলা, সপ্তা, রয়মা ও সপ্তকা।
Cross references
দ্বিতীয় নদীর নাম গীহোন; ইহা সমস্ত কূশ দেশ বেষ্টন করে।
পরে নোহ পাঁচ শত বৎসর বয়সে শেম, হাম ও যেফতের জন্ম দিলেন।
নোহের যে পুত্রেরা জাহাজ হইতে বাহির হইলেন, তাঁহাদের নাম শেম, হাম ও যেফৎ; সেই হাম কনানের পিতা।
তখন কনানের পিতা হাম আপন পিতার উলঙ্গতা দেখিয়া বাহিরে আপন দুই ভ্রাতাকে সমাচার দিল।
হামের সন্তান—কূশ, মিসর, পূট ও কনান।
তাহারা বহুতৃণযুক্ত উত্তম চরাণি পাইল, আর সে দেশ প্রশস্ত, প্রশান্ত ও নির্ব্বিরোধ ছিল; কারণ হাম বংশীয়েরা পূর্ব্বে সেই স্থানে বাস করিত।
তিনি আঘাত করিলেন মিসরে সমস্ত প্রথমজাতকে, হামের তাম্বুসমূহে তাহাদের শক্তির প্রথম ফলকে;
আর ইস্রায়েল মিসরে উপস্থিত হইলেন, যাকোব হামের দেশে প্রবাস করিলেন।
তাঁহারা উহাদের মধ্যে তাঁহার নানা চিহ্ন, হামের দেশে নানা অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইলেন।
হামের দেশে নানা আশ্চর্য্য ক্রিয়া, সূফ-সাগরের ধারে নানা ভয়ঙ্কর কার্য্য করিয়াছিলেন।
আর সেই দিন এই ঘটিবে, প্রভু আপন প্রজাগণের অবশিষ্টাংশকে মুক্ত করিয়া আনিবার জন্য দ্বিতীয়বার হস্তক্ষেপ করিবেন, অর্থাৎ অশূর হইতে, মিসর হইতে, পথ্রোষ হইতে, কূশ হইতে, এলম হইতে, শিনিয়র হইতে হমাৎ হইতে ও সমুদ্রের উপকূলসমূহ হইতে অবশিষ্ট লোকদিগকে আনিবেন।
হে অশ্বগণ, উঠিয়া যাও; হে রথ সকল, উন্মত্তের ন্যায় হও; বীরগণ, ঢালধারী কূশ ও পূট, এবং ধনুর্দ্ধর ও ধনুকে চাড়াদায়ী লূদীয়গণ বহির্গত হউক।
পারস, লূদ ও পূট দেশীয়েরা তোমার সৈন্যসামন্তের মধ্যে তোমার যোদ্ধা ছিল; তাহারা তোমার মধ্যে ঢাল ও শিরস্ত্র টাঙ্গাইয়া রাখিত; তাহারাই তোমার শোভা সম্পাদন করিয়াছে।