আর প্রথম মেষশাবকের সহিত উখলিতে প্রস্তুত হিন পাত্রের চতুর্থাংশ তৈলে মিশ্রিত [ঐফা] পাত্রের দশমাংশ ময়দা, এবং পেয় নৈবেদ্যের কারণ হিনের চতুর্থাংশ দ্রাক্ষারস দিবে।
Cross references
আর যাকোব সেই কথোপকথন স্থানে এক স্তম্ভ, প্রস্তরের স্তম্ভ, স্থাপন করিয়া তাহার উপরে পেয় নৈবেদ্য উৎসর্গ করিলেন ও তৈল ঢালিয়া দিলেন।
এক ওমর ঐফার দশমাংশ।
পাঁচ শত শেকল সূক্ষ্ম দারুচিনি ও এক হিন জিততৈল লইবে।
বেদির উপরে অগ্নি সর্ব্বদা জ্বালিয়া রাখিতে হইবে; নির্ব্বাণ হইবে না।
তাহার ভক্ষ্য-নৈবেদ্য [এক ঐফার] দুই দশমাংশ তৈল মিশ্রিত সূক্ষ্ম সূজি; তাহা সদাপ্রভুর উদ্দেশে সৌরভার্থক অগ্নিকৃত উপহার হইবে; ও তাহার পেয় নৈবেদ্য এক হিন দ্রাক্ষারসের চতুর্থাংশ হইবে।
আর দীপার্থক তৈল ও ধূপার্থক সুগন্ধি দ্রব্য, নিত্য ভক্ষ্য-নৈবেদ্য ও অভিষেকার্থ তৈলের তত্ত্বাবধান, সমস্ত আবাস এবং যে কিছু তাহার মধ্যে আছে, পবিত্র স্থান ও তাহার দ্রব্য সকলের তত্ত্বাবধান করা হারোণের পুত্র ইলীয়াসর যাজকের কার্য্য হইবে।
আর এক চুপড়ি তাড়ীশূন্য রুটী, তৈলমিশ্রিত সূক্ষ্ম সূজির পিষ্টক, তাড়ীশূন্য তৈলাক্ত সরুচাকলী ও তাহার উপযুক্ত ভক্ষ্য এবং পেয় নৈবেদ্য, এই সকল আনিবে।
তখন উপহার উৎসর্গকারী ব্যক্তি সদাপ্রভুর উদ্দেশে এক হিনের চতুর্থাংশ তৈলে মিশ্রিত সূজির [এক ঐফার] দশমাংশ ভক্ষ্য-নৈবেদ্য আনিবে, এবং তুমি হোমবলির সহিত অথবা বলির জন্য, প্রত্যেক মেষশাবকের জন্য,
পেয় নৈবেদ্য বলিয়া এক হিনের চতুর্থাংশ দ্রাক্ষারস প্রস্তুত করিবে।
এবং পেয় নৈবেদ্যের জন্য এক হিনের তৃতীয়াংশ দ্রাক্ষারস সদাপ্রভুর উদ্দেশে সৌরভার্থে উৎসর্গ করিবে।
তখন গোবৎসের সহিত অর্দ্ধ হিন তৈলে মিশ্রিত [এক ঐফার] তিন দশমাংশ সূজির ভক্ষ্য-নৈবেদ্য আনিবে।
এবং তাহা যদি মণ্ডলীর অগোচরে প্রমাদবশতঃ হইয়া থাকে, তবে সমস্ত মণ্ডলী সদাপ্রভুর উদ্দেশে সৌরভার্থক হোমের জন্য এক গোবৎস ও বিধিমতে তাহার সহিত ভক্ষ্য ও পেয় নৈবেদ্য, এবং পাপার্থক বলির জন্য এক ছাগ উৎসর্গ করিবে।
আর ভক্ষ্য-নৈবেদ্যের জন্য হিনের চতুর্থাংশ উখলিতে প্রস্তুত তৈলে মিশ্রিত ঐফার দশমাংশ সূজি দিবে।
নিত্য হোম ও তৎসংক্রান্ত পেয় নৈবেদ্য ভিন্ন প্রতিবিশ্রামবারের হোম এই।
এবং এক একটী মেষবৎসের জন্য এক এক দশমাংশ তৈলমিশ্রিত সূজির ভক্ষ্য-নৈবেদ্য হইবে; তাহাতে সেই হোমবলি সদাপ্রভুর উদ্দেশে সৌরভার্থক অগ্নিকৃত উপহার হইবে।
এই বিধি অনুসারে তোমরা সাত দিন যাবৎ প্রতিদিন সদাপ্রভুর উদ্দেশে সৌরভার্থক অগ্নিকৃত উপহাররূপ ভক্ষ্য নিবেদন করিবে; নিত্য হোম ও তাহার পেয় নৈবেদ্য ভিন্ন ইহা নিবেদিত হইবে।
এবং পাপার্থক বলিরূপে একটী ছাগ, এই সমস্ত উৎসর্গ করিবে। নিত্য হোম এবং তাহার ভক্ষ্য ও পেয় নৈবেদ্য হইতে ইহা ভিন্ন।
যাহা তাহাদের বলির মেদ ভোজন করিত, তাহাদের পেয় নৈবেদ্যের দ্রাক্ষারস পান করিত? তাহারাই উঠিয়া তোমাদের সাহায্য করুক, তাহারাই তোমাদের আশ্রয় হউক।
উপত্যকার চিক্কণ প্রস্তর সকলের মধ্যে তোমার অংশ, সেইগুলিই তোমার অধিকার; তাহাদেরই উদ্দেশে তুমি পানীয় দ্রব্য ঢালিয়াছ, নৈবেদ্য উৎসর্গ করিয়াছ।
আর জলও পরিমাণপূর্ব্বক, অর্থাৎ হিনের ষষ্ঠাংশ করিয়া পান করিতে হইবে; তুমি বিশেষ বিশেষ সময়ে তাহা পান করিবে।
কারণ আমি তাহাদিগকে যে দেশ দিব বলিয়া হস্ত উত্তোলন করিয়াছিলাম, যখন সেই দেশে আনিলাম, তখন তাহারা যে কোন স্থানে কোন উচ্চ পর্ব্বত কিম্বা কোন ঝোপাল বৃক্ষ দেখিতে পাইত, সেই স্থানে বলিদান করিত, সেই স্থানে [আমার] অসন্তোষজনক নৈবেদ্য উৎসর্গ করিত, সেই স্থানে আপনাদের সৌরভার্থক দ্রব্যও রাখিত, এবং সেই স্থানে আপনাদের পেয় নৈবেদ্য ঢালিত।
আর পর্ব্বে, অমাবস্যায় ও বিশ্রামবারে, ইস্রায়েল-কুলের সমস্ত উৎসবে, হোমবলি এবং ভক্ষ্য ও পেয়-নৈবেদ্য উৎসর্গ করা অধ্যক্ষের কর্ত্তব্য হইবে; তিনি ইস্রায়েল-কুলের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করণার্থে পাপার্থক বলি ও ভক্ষ্য-নৈবেদ্য এবং হোম ও মঙ্গলার্থক বলি উৎসর্গ করিবেন।
আর ভক্ষ্য-নৈবেদ্যের নিমিত্ত বৃষের প্রতি এক ঐফা ও মেষের প্রতি এক হিন ঐফা [সূজী], ও ঐফার প্রতি এক হিন তৈল দিবেন।
আর ভক্ষ্য-নৈবেদ্যরূপে মেষের প্রতি এক ঐফা [সূজি], এবং মেষশাবকদের জন্য তাঁহার হাতে যতটা উঠিবে, এবং ঐফার প্রতি এক হিন তৈল।
আর ভক্ষ্য-নৈবেদ্যরূপে তিনি গোবৎসের প্রতি এক ঐফা, মেষের প্রতি এক ঐফা [সূজি], ও মেষশাবকদের জন্য তাঁহার হাতে যতটা উঠিবে, এবং ঐফার প্রতি এক হিন তৈল দিবেন।
আর উৎসবে ও পর্ব্বে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য গোবৎসের প্রতি এক ঐফা, মেষের প্রতি এক ঐফা [সূজি], ও মেষশাবকদের জন্য তাঁহার হাতে যতটা উঠিবে, এবং ঐফার প্রতি এক হিন তৈল লাগিবে।
আর প্রত্যহ প্রাতে তাহার সহিত ভক্ষ্য-নৈবেদ্যরূপে ঐফার ষষ্ঠাংশ [সূজি], ও সেই সূক্ষ্ম সূজী আর্দ্র করণার্থে হিনের তৃতীয়াংশ তৈল, এই ভক্ষ্য-নৈবেদ্য সদাপ্রভুর উদ্দেশে উৎসর্গ করিবে, এই বিধি চিরকাল নিত্যস্থায়ী।
সদাপ্রভুর গৃহ হইতে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য ও পেয়-নৈবেদ্য অপহৃত হইয়াছে, সদাপ্রভুর পরিচারক যাজকগণ শোক করিতেছে।
হে যাজকগণ, তোমরা বদ্ধকটি হইয়া বিলাপ কর; হে যজ্ঞবেদির পরিচারকগণ, হাহাকার কর; হে আমার ঈশ্বরের পরিচারকগণ, আইস, চট পরিয়া সমস্ত রাত্রি যাপন কর; কেননা তোমাদের ঈশ্বরের গৃহে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য ও পেয়-নৈবেদ্যের অভাব হইয়াছে।
কে জানে যে, তিনি ফিরিয়া অনুশোচনা করিবেন না, এবং আপনার পশ্চাতে আশীর্ব্বাদ, অর্থাৎ তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর উদ্দেশে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য ও পেয়-নৈবেদ্য, রাখিয়া যাইবেন না?
কিন্তু তোমাদের বিশ্বাসের যজ্ঞে ও সেবায় যদি আমি পেয় নৈবেদ্যরূপে সেচিতও হই, তথাপি আনন্দ করিতেছি, আর তোমাদের সকলের সঙ্গে আনন্দ করিতেছি।