হে যাজকগণ, তোমরা বদ্ধকটি হইয়া বিলাপ কর; হে যজ্ঞবেদির পরিচারকগণ, হাহাকার কর; হে আমার ঈশ্বরের পরিচারকগণ, আইস, চট পরিয়া সমস্ত রাত্রি যাপন কর; কেননা তোমাদের ঈশ্বরের গৃহে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য ও পেয়-নৈবেদ্যের অভাব হইয়াছে।
Cross references
এই সকল দ্রব্যের যে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য তুমি সদাপ্রভুর উদ্দেশে দিবে; তাহা আনিয়া যাজককে দিও, সে তাহা বেদির নিকটে আনিবে।
একটী মেষবৎস প্রাতঃকালে উৎসর্গ করিবে, আর একটী মেষবৎস সন্ধ্যাকালে উৎসর্গ করিবে।
আর তাহার একটী মেষবৎসের জন্য হিনের চতুর্থাংশ পেয় নৈবেদ্য হইবে; তুমি পবিত্র স্থানে সদাপ্রভুর উদ্দেশে মদিরার পেয় নৈবেদ্য ঢালিয়া দিবে।
এক একটী গোবৎসের জন্য হিনের অর্দ্ধেক, ও সেই মেষের জন্য হিনের তৃতীয়াংশ, ও এক একটী মেষবৎসের জন্য হিনের চতুর্থাংশ দ্রাক্ষারস তাহার পেয় নৈবেদ্য হইবে। ইহা সম্বৎসরের প্রতিমাসের মাসিক হোম।
অমাবস্যার হোম ও তাহার ভক্ষ্য-নৈবেদ্য, এবং নিত্য হোম ও তাহার ভক্ষ্য-নৈবেদ্য এবং বিধিমতে উভয়ের পেয় নৈবেদ্য ভিন্ন তোমরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে সৌরভার্থক অগ্নিকৃত উপহার বলিয়া এই সমস্ত উৎসর্গ করিবে।
পরে দায়ূদ বালকটীর জন্য ঈশ্বরের কাছে বিনতি করিলেন; আর দায়ূদ উপবাস করিলেন, ভিতরে প্রবেশ করিয়া সমস্ত রাত্রি ভূমিতে পড়িয়া রহিলেন।
আহাব যখন ঐ সকল কথা শুনিলেন, তখন আপন বস্ত্র ছিঁড়িলেন, এবং গায়ে চট বাঁধিয়া উপবাস করিলেন, চটে শয়ন করিলেন, এবং ধীরে ধীরে বেড়াইলেন।
আর সেই দিন প্রভু, বাহিনীগণের সদাপ্রভু রোদন, বিলাপ, মস্তক মুণ্ডন ও কটিদেশে চট বন্ধন ঘোষণা করিলেন;
কিন্তু তোমরা সদাপ্রভুর যাজক বলিয়া আখ্যাত হইবে, লোকে তোমাদিগকে আমাদের ঈশ্বরের পরিচারক বলিবে; তোমরা জাতিগণের ঐশ্বর্য্য ভোগ করিবে, ও তাহাদের প্রতাপে শ্লাঘা করিবে। তোমাদের লজ্জার পরিবর্ত্তে দ্বিগুণ অংশ হইবে;
এই জন্য তোমরা চট পরিধান কর, বিলাপ ও হাহাকার কর, কেননা সদাপ্রভুর জলন্ত ক্রোধ আমাদের হইতে ফিরে নাই।
আমি পর্ব্বতগণের বিষয়ে রোদন ও হাহাকার করিব, প্রান্তরস্থ চরাণিস্থানের বিষয়ে বিলাপ করিব, কেননা সে সকল দগ্ধ ও পথিকবিহীন হইল; পশুপালের রব আর শুনা যায় না, আকাশের পক্ষিগণ ও পশু সকল পলায়ন করিয়াছে, চলিয়া গিয়াছে।
তাহারা কটিদেশে চট বাঁধিবে, মহাত্রাসে আচ্ছন্ন হইবে, সকলের মুখে কালি পড়িবে, তাহাদের সকলের মস্তকে টাক পড়িবে।
আর তাহারা তোমার জন্য মস্তক মুণ্ডন করিবে, ও কটিদেশে চট বাঁধিবে, এবং তোমার জন্য প্রাণের দুঃখে রোদন সহকারে তীব্র বিলাপ করিবে।
তুমি এমন কন্যার ন্যায় বিলাপ কর, যে যৌবনকালীন কান্তের শোকে চটপরিহিতা।
কিন্তু, সদাপ্রভু বলেন, এখনও তোমরা সমস্ত অন্তঃকরণের সহিত, এবং উপবাস, রোদন ও বিলাপ সহকারে আমার কাছে ফিরিয়া আইস।
কে জানে যে, তিনি ফিরিয়া অনুশোচনা করিবেন না, এবং আপনার পশ্চাতে আশীর্ব্বাদ, অর্থাৎ তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর উদ্দেশে ভক্ষ্য-নৈবেদ্য ও পেয়-নৈবেদ্য, রাখিয়া যাইবেন না?
বারাণ্ডার ও বেদির মধ্যস্থানে সদাপ্রভুর পরিচারক যাজকগণ রোদন করুক, তাহারা বলুক, হে সদাপ্রভু, আপন প্রজাগণের প্রতি মমতা কর, আপন অধিকারের টিটকারির বিষয় করিও না; তাহাদের বিষয়ে জাতিগণকে গল্প করিতে দিও না, লোকবৃন্দের মধ্যে কেন বলা হইবে যে, ‘উহাদের ঈশ্বর কোথায়?’
তখন নীনবীয় লোকেরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করিল; তাহারা উপবাস ঘোষণা করিল, এবং মহান্ হইতে ক্ষুদ্র পর্য্যন্ত সকলে চট পরিধান করিল।
লোকে আমাদিগকে এরূপ মনে করুক যে, আমরা খ্রীষ্টের সেবক ও ঈশ্বরের নিগূঢ়তত্ত্বরূপ ধনের অধ্যক্ষ।
তোমরা কি জান না যে, পবিত্র বিষয়ের কার্য্য যাহারা করে, তাহারা পবিত্র স্থানের বস্তু খায়, এবং যজ্ঞবেদির সেবা যাহারা করে, তাহারা যজ্ঞবেদির সহিত অংশী হয়?
তিনিই আমাদিগকে নূতন নিয়মের পরিচারক, অক্ষরের নয়, কিন্তু আত্মার পরিচারক হইবার উপযুক্তও করিয়াছেন; কারণ অক্ষর বধ করে, কিন্তু আত্মা জীবনদায়ক।
কিন্তু ঈশ্বরের পরিচারক বলিয়া সর্ব্ববিষয়ে আপনাদিগকে যোগ্যপাত্র দেখাইতেছি,
উহারা কি খ্রীষ্টের পরিচারক? —হতবুদ্ধির ন্যায় বলিতেছি—আমি অধিকতররূপে; আমি পরিশ্রমে অতিমাত্ররূপে, কারাবন্ধনে অতিমাত্ররূপে, প্রহারে অতিরিক্তরূপে, প্রাণসংশয়ে অনেক বার।
এ সকল কথা যাঁহার উদ্দেশে বলা যায়, তিনি ত অন্যবিধ বংশভুক্ত; সেই বংশের মধ্যে যজ্ঞবেদির সেবাধিকারী কেহই হয় নাই।