রাজার মুখ হইতে এই বাক্য নির্গত হইতে না হইতে এই আকাশবাণী হইল, হে রাজন্ নবূখদ্নিৎসর! তোমাকে বলা হইতেছে, তোমার রাজত্ব তোমা হইতে গেল।
Cross references
এবং শালেমের রাজা মল্কীষেদক রুটী ও দ্রাক্ষারস বাহির করিয়া আনিলেন, তিনি পরাৎপর ঈশ্বরের যাজক।
শত্রু বলিয়াছিল, আমি পশ্চাৎ ধাবিত হইব, উহাদের সঙ্গ ধরিব, লুট বিভাগ করিয়া লইব; উহাদিগেতে আমার অভিলাষ পূর্ণ হইবে; আমি খড়গ নিষ্কোষ করিব, আমার হস্ত উহাদিগকে বিনাশ করিবে।
কিন্তু এখন তোমার রাজত্ব স্থির থাকিবে না; সদাপ্রভু আপন মনের মত এক জনের অন্বেষণ করিয়া তাহাকেই আপন প্রজাদের অধ্যক্ষপদে নিযুক্ত করিয়াছেন; কেননা সদাপ্রভু তোমাকে যাহা আজ্ঞা করিয়াছিলেন, তুমি তাহা পালন কর নাই।
কারণ আজ্ঞালঙ্ঘন করা মন্ত্রপাঠ জন্য পাপের তুল্য, এবং অবাধ্যতা, পৌত্তলিকতা ও ঠাকুরপূজার সমান। তুমি সদাপ্রভুর বাক্য অগ্রাহ্য করিয়াছ, এই জন্য তিনি তোমাকে অগ্রাহ্য করিয়া রাজ্যচ্যুত করিয়াছেন।
সে যখন নিজ উদর পূর্ণ করিতে উদ্যত হয়, [ঈশ্বর] তাহার উপরে আপন ক্রোধাগ্নি নিক্ষেপ করিবেন, তাহার ভোজনকালে তাহার উপরে তাহা বর্ষণ করিবেন।
তোমার রাজ্য সর্ব্বযুগের রাজ্য, তোমার কর্ত্তৃত্ব পুরুষে পুরুষে চিরস্থায়ী।
হে রাজন্, ইহার তাৎপর্য্য এই; আর আমার প্রভু মহারাজের উপরে যাহা আসিয়াছে, তাহা পরাৎপরেরই নিরূপণ।
আর সেই সময়ের শেষে আমি নবূখদ্নিৎসর স্বর্গের দিকে চক্ষু তুলিলাম, ও আমার বুদ্ধি আমাতে ফিরিয়া আসিল; তাহাতে আমি পরাৎপরের ধন্যবাদ করিলাম, এবং অনন্তজীবী ঈশ্বরের প্রশংসা ও সমাদর করিলাম; কারণ তাঁহার কর্ত্তৃত্ব অনন্তকালীন কর্ত্তৃত্ব ও তাঁহার রাজ্য পুরুষানুক্রমে স্থায়ী;
তাঁহারা দ্রাক্ষারস পান করিতে করিতে সুবর্ণময়, রৌপ্যময়, পিত্তলময়, লৌহময়, কাষ্ঠময় ও প্রস্তরময় দেবগণের প্রশংসা করিতে লাগিলেন।
‘খণ্ডিত,’ আপনার রাজ্য খণ্ডিত হইয়া মাদীয় ও পারসীকদিগকে দত্ত হইল।
এবং তিনি স্বর্গে ও পৃথিবীতে চিহ্ন-কার্য্য ও আশ্চর্য্য কার্য্য সাধন করেন; তিনি দানিয়েলকে সিংহদের হস্ত হইতে রক্ষা করিয়াছেন।’
পরে আমি শুনিতে পাইলাম, সেই মসীনা-বস্ত্র-পরিহিত ও নদীর জলের ঊর্দ্ধে স্থিত ব্যক্তি আপন দক্ষিণ ও বাম হস্ত স্বর্গের দিকে তুলিয়া নিত্যজীবী ঈশ্বরের নামে শপথ করিয়া কহিলেন, ইহা এক কাল, [দুই] কাল ও অর্দ্ধ কালে হইবে, এবং পবিত্র জাতির বাহুভঙ্গ সম্পূর্ণ হইলে এই সকল সিদ্ধ হইবে।
আর দেখ, স্বর্গ হইতে এই বাণী হইল, ‘ইনিই আমার প্রিয় পুত্র, ইহাঁতেই আমি প্রীত।’
কিন্তু ঈশ্বর তাহাকে কহিলেন, হে নির্ব্বোধ, অদ্য রাত্রিতেই তোমার প্রাণ তোমা হইতে দাবি করিয়া লওয়া যাইবে, তবে তুমি এই যে আয়োজন করিলে, এ সকল কাহার হইবে?