তিনি আপন সাধুদিগের চরণ রক্ষা করিবেন, কিন্তু দুষ্টগণ অন্ধকারে স্তব্ধীকৃত হইবে; কেননা বলে কোন মনুষ্য জয়ী হইবে না।
Cross references
নিশ্চয় তিনি গোষ্ঠীদিগকে প্রেম করেন, তাঁহার পবিত্রগণ সকলে তোমার হস্তগত; তাহারা তোমার চরণতলে বসিল, প্রত্যেকে তোমার বাক্য গ্রহণ করিল।
পরে দায়ূদ আপন ঝুলিতে হস্ত দিয়া একখানি পাথর বাহির করিলেন, এবং ফিঙ্গাতে পাক দিয়া ঐ পলেষ্টীয়ের কপালে আঘাত করিলেন; সেই পাথরখানি তাহার কপালে বসিয়া গেল; তাহাতে সে ভূমিতে অধোমুখ হইয়া পড়িল।
অতএব হে আমার প্রভু, জীবন্ত সদাপ্রভুর দিব্য, ও আপনার জীবিত প্রাণের দিব্য, সদাপ্রভুই আপনাকে রক্তপাতে লিপ্ত হইতে ও আপন হস্তে প্রতিশোধ লইতে বারণ করিয়াছেন, কিন্তু আপনার শত্রুগণ ও যাহারা আমার প্রভুর অনিষ্ট চেষ্টা করে, তাহারা নাবলের তুল্য হউক।
এই কারণ-দীনহীন আশাযুক্ত হয়, অধর্ম্ম নিজ মুখ বদ্ধ করে।
আর তুমি জানিবে, তোমার তাম্বু শান্তিযুক্ত, তুমি তোমার নিবাসের তত্ত্ব করিলে দেখিবে, কিছুই হারায় নাই।
সে আলো হইতে অন্ধকারে দূরীকৃত হইবে, সে সংসার হইতে বিতাড়িত হইবে;
তাহাদিগকে যুগপৎ ধূলিতে আচ্ছন্ন কর, গুপ্ত স্থানে তাহাদের মুখ বন্ধন কর।
কারণ সদাপ্রভু ধার্ম্মিকগণের পথ জানেন, কিন্তু দুষ্টদের পথ বিনষ্ট হইবে।
কোন রাজা মহাসৈন্য দ্বারা ত্রাণ পায় না; বীর মহাশক্তি দ্বারা নিস্তার পায় না;
সদাপ্রভু কর্ত্তৃক মনুষ্যের পাদক্ষেপ সকল স্থিরীকৃত হয়, তাহার পথে তিনি প্রীত।
কেননা সদাপ্রভু ন্যায়বিচার ভালবাসেন; তিনি আপন সাধুগণকে পরিত্যাগ করেন না; তাহারা চিরকাল রক্ষিত হয়; কিন্তু দুষ্টদের বংশ উচ্ছিন্ন হইবে।
কারণ তিনি আপন দূতগণকে তোমার বিষয়ে আজ্ঞা দিবেন, যেন তাঁহারা তোমার সমস্ত পথে তোমাকে রক্ষা করেন।
যখন আমি বলিতাম, আমার চরণ বিচলিত হইল, তখন, হে সদাপ্রভু, তোমার দয়া আমাকে সুস্থির রাখিত।
হে সদাপ্রভু-প্রেমিকগণ, দুষ্টতাকে ঘৃণা কর; তিনি আপন সাধুবর্গের প্রাণ রক্ষা করেন, দুষ্টগণের হস্ত হইতে তাহাদিগকে উদ্ধার করেন।
পরে তিনি লোকদিগকে রৌপ্য ও স্বর্ণের সহিত বাহির করিয়া আনিলেন, তাঁহার গোষ্ঠীদের মধ্যে এক জনও উছোট খায় নাই।
তিনি তোমার চরণ বিচলিত হইতে দিবেন না, তোমার রক্ষক ঢুলিয়া পড়িবেন না।
সদাপ্রভুই তোমার রক্ষক, সদাপ্রভুই তোমার ছায়া, তিনি তোমার দক্ষিণ পার্শ্বে।
সদাপ্রভু তোমার বাহিরে যাওয়া ও তোমার ভিতরে আসা রক্ষা করিবেন, এখন অবধি চিরকাল পর্য্যন্ত।
যাহারা সদাপ্রভুকে প্রেম করে, তিনি তাহাদের সকলকে রক্ষা করেন, কিন্তু তিনি সমুদয় দুষ্টকে সংহার করিবেন।
তিনি বিচারের মার্গ সকল রক্ষা করেন, আপন সাধুদের পথ সংরক্ষণ করেন।
কেননা সদাপ্রভু তোমার বিশ্বাসভূমি হইবেন ফাঁদ হইতে তোমার চরণ রক্ষা করিবেন।
মনুষ্যের মন আপন পথের বিষয় সঙ্কল্প করে; কিন্তু সদাপ্রভু তাহার পাদবিক্ষেপ স্থির করেন।
আর সে ত যাবজ্জীবন অন্ধকারে আহার করে, এবং তাহার বিষম বিরক্তি, পীড়া ও ক্রোধ উপস্থিত হয়।
আমি ফিরিলাম, ও সূর্য্যের নীচে দেখিলাম যে, দ্রুতগামীদের দ্রুতগমন, কি বীরদের যুদ্ধ, কি জ্ঞানবানদের অন্ন, কি বুদ্ধিমানদের ধন, কি বিজ্ঞদেরই অনুগ্রহলাভ হয়, এমন নয়, কিন্তু সকলের প্রতি কাল ও দৈব ঘটে।
হে কল্দীয়দের কন্যে, নীরবে বস, অন্ধকারে আশ্রয় লও; কেননা তুমি আর রাজ্য সকলের ঠাকুরাণী বলিয়া আখ্যাতা হইবে না।
আমরা কেন বসিয়া থাকি? আইস আমরা একত্র হইয়া প্রাচীরবেষ্টিত নগরে নগরে প্রবেশ করি, সেখানে ক্ষয়প্রাপ্ত হই; কেননা আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু আমাদিগকে ক্ষয়ের পাত্র করিলেন, ও বিষবৃক্ষের রস পান করাইলেন, কারণ আমরা সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে পাপ করিয়াছি।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, জ্ঞানবান্ আপন জ্ঞানের শ্লাঘা না করুক, বিক্রমী আপন বিক্রমের শ্লাঘা না করুক, ধনবান্ আপন ধনের শ্লাঘা না করুক।
কিন্তু তিনি প্লাবনকারী বন্যা দ্বারা সেই স্থান সংহার করিবেন, এবং আপন শত্রুগণকে অন্ধকারে তাড়াইয়া দিবেন।
সেই দিন ক্রোধের দিন, সঙ্কটের ও সঙ্কোচের দিন, নাশের ও সব্বনাশের দিন, অন্ধকারের ও তিমিরের দিন, মেঘের ও গাঢ় তিমিরের দিন,
তখন তিনি উত্তর করিয়া আমাকে কহিলেন, এ সরুব্বাবিলের প্রতি সদাপ্রভুর বাক্য, ‘পরাক্রম দ্বারা নয়, বল দ্বারাও নয়, কিন্তু আমার আত্মা দ্বারা,’ ইহা বাহিনীগণের সদাপ্রভু বলেন।
কিন্তু রাজ্যের সন্তানদিগকে বাহিরের অন্ধকারে ফেলিয়া দেওয়া যাইবে; সেই স্থানে রোদন ও দন্তঘর্ষণ হইবে।
তিনি তাহাকে কহিলেন, হে বন্ধু, তুমি কেমন করিয়া বিবাহ-বস্ত্র বিনা এখানে প্রবেশ করিলে? সে নিরুত্তর হইল।
আর আমরা জানি, ব্যবস্থা যাহা কিছু বলে, তাহা ব্যবস্থার অধীন লোকদিগকে বলে; যেন প্রত্যেক মুখ বদ্ধ এবং সমস্ত জগৎ ঈশ্বরের বিচারের অধীন হয়।
এবং ঈশ্বরের শক্তিতে তোমরাও পরিত্রাণের নিমিত্ত বিশ্বাস দ্বারা রক্ষিত হইতেছ, যে পরিত্রাণ শেষকালে প্রকাশিত হইবার জন্য প্রস্তুত আছে।
এই লোকেরা নির্জল উনুই, ঝড়ে চালিত কুজ্ঝটিকা, তাহাদের জন্য ঘোরতর অন্ধকার সঞ্চিত রহিয়াছে।
যিহূদা, যীশু খ্রীষ্টের দাস, এবং যাকোবের ভ্রাতা-যাঁহারা পিতা ঈশ্বরে প্রেমপাত্র ও যীশু খ্রীষ্টের নিমিত্ত রক্ষিত, সেই আহূতগণের সমীপে।
প্রিয়তমেরা, আমাদের সাধারণ পরিত্রাণের বিষয়ে তোমাদিগকে কিছু লিখিতে নিতান্ত যত্নবান্ হওয়াতে আমি বুঝিলাম, পবিত্রগণের কাছে একবারে সমর্পিত বিশ্বাসের পক্ষে প্রাণপণ করিতে তোমাদিগকে আশ্বাস দিয়া লেখা আবশ্যক।
নিজ লজ্জারূপ ফেনা উৎক্ষেপকারী প্রচণ্ড সামুদ্রিক তরঙ্গ; ভ্রমণকারী তারা, যাহাদের নিমিত্ত অনন্তকালের জন্য ঘোরতর অন্ধকার সঞ্চিত রহিয়াছে।