কারণ আমরা ঈশ্বরেরই সহকার্য্যকারী; তোমরা ঈশ্বরেরই ক্ষেত্র, ঈশ্বরেরই গাঁথনি।
Cross references
তুমি পৃথিবীর তত্ত্বাবধান করিতেছ, উহাতে জল সেচন করিতেছ, উহা অতিশয় ধনাঢ্য করিতেছ; ঈশ্বরের নদী জলে পরিপূর্ণ; এইরূপে ভূমি প্রস্তুত করিয়া তুমি মনুষ্যদের শস্য প্রস্তুত করিয়া থাক।
দেশমধ্যে পর্ব্বত-শিখরে প্রচুর শস্য হইবে, তাহার ফল লিবানোনের ন্যায় দোলায়মান হইবে; এবং নগরবাসীরা ভূমির তৃণের ন্যায় প্রফুল্ল হইবে।
তুমি মিসর হইতে একটী দ্রাক্ষালতা আনিয়াছিলে, জাতিদিগকে দূর করিয়া তাহা রোপন করিয়াছিলে।
গাঁথকেরা যে প্রস্তর অগ্রাহ্য করিয়াছে, তাহা কোণের প্রধান প্রস্তর হইয়া উঠিল।
আমি আপন প্রিয়ের উদ্দেশে তাঁহার দ্রাক্ষাক্ষেত্রের বিষয়ে আমার প্রিয়ের একটী গীত গান করি। [1] আমার প্রিয়ের এক দ্রাক্ষাক্ষেত্র ছিল, অতি উর্ব্বর এক গিরিশৃঙ্গে।
সেই দিন—এক দ্রাক্ষাক্ষেত্র, তোমরা তাহার বিষয়ে গান করিও।
বীজ বপন করিবার জন্য কৃষক কি সমস্ত দিন হাল বহে, ও মাটি খুঁড়িয়া ভূমির ঢেলা ভাঙ্গে?
রুটীর শস্য চূর্ণ করিতে হয়; কারণ সে কখনও তাহা মর্দ্দন করিবে না; আর তাহার গাড়ীর চক্র ও তাহার অশ্বগণ তাহা ছড়ায় বটে, কিন্তু সে তাহা চূর্ণ করে না।
ধন্য তোমরা, যাহারা সমস্ত জলপ্রবাহের ধারে বীজ বপন কর, যাহারা গোরু ও গর্দ্দভকে চরিতে দেও।
যেন সিয়োনের শোকার্ত্ত লোকদিগকে বর দিই, যেন তাহাদিগকে ভস্মের পরিবর্ত্তে শিরোভূষণ, শোকের পরিবর্ত্তে আনন্দতৈল, অবসন্ন আত্মার পরিবর্ত্তে প্রশংসারূপ পরিচ্ছদ দান করি; তাই তাহারা ধার্ম্মিকতা-বৃক্ষ ও সদাপ্রভুর রোপিত তাঁহার ভূষণার্থক উদ্যান বলিয়া আখ্যাত হইবে।
আর বিদেশিগণ দাঁড়াইয়া তোমাদের পাল চরাইবে, বিজাতি-সন্তানেরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রের কৃষক ও তোমাদের দ্রাক্ষাক্ষেত্রের পাইটকারী হইবে।
বস্তুতঃ ভূমি যেমন আপন অঙ্কুর নির্গত করে, উদ্যান যেমন আপনাতে উপ্ত বীজ অঙ্কুরিত করে, তেমনি প্রভু সদাপ্রভু সমুদয় জাতির সাক্ষাতে ধার্ম্মিকতা ও প্রশংসা অঙ্কুরিত করিবেন।
আমি ত সর্ব্বতোভাবে প্রকৃত বীজোৎপন্ন উত্তম দ্রাক্ষালতা করিয়া তোমাকে রোপন করিয়াছিলাম, তুমি কেমন করিয়া বিকৃত হইয়া আমার কাছে বিজাতীয় দ্রাক্ষালতার শাখা হইলে?
সেই দিন আমি দায়ূদের পতিত কুটীর উত্থাপন করিব, তাহার ফাটা বুজাইয়া দিব, ও উৎপাটিত স্থান সকল উঠাইব, এবং পূর্ব্বকালের ন্যায় তাহা নির্ম্মাণ করিব;
আর তাহাকে বল, বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, সেই পুরুষ, যাঁহার নাম ‘পল্লব,’ তিনি আপন স্থানে পল্লবের ন্যায় বৃদ্ধি পাইবেন, এবং সদাপ্রভুর মন্দির গাঁথিবেন;
তখন তিনি আপন শিষ্যদিগকে কহিলেন, শস্য প্রচুর বটে, কিন্তু কার্য্যকারী লোক অল্প;
তখন তিনি দৃষ্টান্ত দ্বারা তাহাদিগকে অনেক কথা কহিতে লাগিলেন।
অতএব তোমরা বীজবাপকের দৃষ্টান্ত শুন।
তখন তিনি লোকসমূহকে বিদায় করিয়া গৃহে আসিলেন। আর তাঁহার শিষ্যগণ নিকটে আসিয়া তাঁহাকে কহিলেন, ক্ষেত্রের শ্যামাঘাসের দৃষ্টান্তটী আমাদিগকে স্পষ্ট করিয়া বলুন।
আর আমিও তোমাকে কহিতেছি, তুমি পিতর, আর এই পাথরের উপরে আমি আপন মণ্ডলী গাঁথিব, আর পাতালের পুরদ্বার সকল তাহার বিপক্ষে প্রবল হইবে না।
কেননা স্বর্গ-রাজ্য এমন এক জন গৃহকর্ত্তার তুল্য, যিনি প্রভাত কালে আপন দ্রাক্ষাক্ষেত্রে মজুর লাগাইবার জন্য বাহিরে গেলেন।
পরে তিনি ধর্ম্মধামে আসিলে পর তাঁহার উপদেশ দিবার সময়ে প্রধান যাজকেরা ও লোকদের প্রাচীনবর্গ নিকটে আসিয়া বলিল, তুমি কি ক্ষমতায় এই সকল করিতেছ? আর কেই বা তোমাকে এই ক্ষমতা দিয়াছে?
তিনি আরও কহিলেন, ঈশ্বরের রাজ্য এইরূপ।
আর তাঁহারা প্রস্থান করিয়া সর্ব্বত্র প্রচার করিতে লাগিলেন; এবং প্রভু সঙ্গে সঙ্গে কার্য্য করিয়া অনুবর্ত্তী চিহ্নসমূহ দ্বারা সেই বাক্য সপ্রমাণ করিলেন। আমেন্।
তোমরা কি বল না, আর চারি মাস পরে শস্য কাটিবার সময় হইবে? দেখ, আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, চক্ষু তুলিয়া ক্ষেত্রের প্রতি দৃষ্টিপাত কর, শস্য এখনই কাটিবার মত শ্বেতবর্ণ হইয়াছে।
আমি প্রকৃত দ্রাক্ষালতা, এবং আমার পিতা কৃষক।
তিনিই সেই প্রস্তর, যাহা গাঁথকেরা যে আপনারা, আপনাদের দ্বারা অবজ্ঞাত হইয়াছিল, যাহা কোণের প্রধান প্রস্তর হইয়া উঠিল ।
আমি রোপন করিলাম, আপল্লো জল সেচন করিলেন, কিন্তু ঈশ্বর বৃদ্ধি দিতে থাকিলেন।
তোমরা কি জান না যে, তোমরা ঈশ্বরের মন্দির, এবং ঈশ্বরের আত্মা তোমাদের অন্তরে বাস করেন?
অথবা তোমরা কি জান যে, তোমাদের দেহ পবিত্র আত্মার মন্দির, যিনি তোমাদের অন্তরে থাকেন, যাঁহাকে তোমরা ঈশ্বর হইতে প্রাপ্ত হইয়াছ?
আর তাঁহার সঙ্গে কার্য্য করিতে করিতে আমরা নিবেদনও করিতেছি, তোমরা ঈশ্বরের অনুগ্রহ বৃথা গ্রহণ করিও না।
আর প্রতিমাদের সহিত ঈশ্বরের মন্দিরেরই বা কি সম্পর্ক? আমরাই ত জীবন্ত ঈশ্বরের মন্দির, যেমন ঈশ্বর বলিয়াছেন, “আমি তাহাদের মধ্যে বসতি করিব ও গমনাগমন করিব; এবং আমি তাহাদের ঈশ্বর হইব, ও তাহারা আমার প্রজা হইবে।”
কারণ আমরা তাঁহারই রচনা, খ্রীষ্ট যীশুতে বিবিধ সৎক্রিয়ার নিমিত্ত সৃষ্ট; সেগুলি ঈশ্বর পূর্ব্বে প্রস্তুত করিয়াছিলেন, যেন আমরা সেই পথে চলি।
তোমাদিগকে প্রেরিত ও ভাববাদিগণের ভিত্তিমূলের উপরে গাঁথিয়া তোলা হইয়াছে; তাহার প্রধান কোণস্থ প্রস্তর স্বয়ং খ্রীষ্ট যীশু।
তাঁহাতেই বদ্ধমূল ও সংগ্রথিত হইয়া প্রাপ্ত শিক্ষানুসারে বিশ্বাসে দৃঢ়ীভূত হও, এবং ধন্যবাদ সহকারে উপচিয়া পড়।
কিন্তু যদি আমার বিলম্ব হয়, তবে যেন তুমি জানিতে পার যে, ঈশ্বরের গৃহমধ্যে কেমন আচার ব্যবহার করিতে হয়; সেই গৃহ ত জীবন্ত ঈশ্বরের মণ্ডলী, সত্যের স্তম্ভ ও দৃঢ় ভিত্তি।
বস্তুতঃ গৃহের সংস্থাপক যে পরিমাণে গৃহ অপেক্ষা অধিক সমাদর পান, সেই পরিমাণে ইনি মোশি অপেক্ষা অধিক গৌরবের যোগ্যপাত্র বলিয়া গণিত হইয়াছেন।
কিন্তু খ্রীষ্ট তাঁহার গৃহের উপরে পুত্রবৎ [বিশ্বস্ত]; আর যদি আমরা আমাদের সাহস ও আমাদের প্রত্যাশার শ্লাঘা শেষ পর্য্যন্ত দৃঢ়রূপে ধারণ করি, তবে তাঁহার গৃহ আমরাই।
—আসিয়া জীবন্ত প্রস্তরের ন্যায় আত্মিক গৃহস্বরূপে গাঁথিয়া তোলা যাইতেছ, যেন পবিত্র যাজকবর্গ হইয়া যীশু খ্রীষ্ট দ্বারা ঈশ্বরের গ্রাহ্য আত্মিক বলি উৎসর্গ করিতে পার।
অতএব আমরা এই প্রকার লোকদিগকে সাদরে গ্রহণ করিতে বাধ্য, যেন সত্যের সহকারী হইতে পারি।