তোমাদিগকে প্রেরিত ও ভাববাদিগণের ভিত্তিমূলের উপরে গাঁথিয়া তোলা হইয়াছে; তাহার প্রধান কোণস্থ প্রস্তর স্বয়ং খ্রীষ্ট যীশু।
Cross references
তাহার উপরে বহুমূল্য প্রস্তর, পরিমাণ অনুসারে তক্ষিত প্রস্তর ও এরসকাষ্ঠ ছিল।
গাঁথকেরা যে প্রস্তর অগ্রাহ্য করিয়াছে, তাহা কোণের প্রধান প্রস্তর হইয়া উঠিল।
এই কারণ প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমি সিয়োনে ভিত্তিমূলের নিমিত্ত এক প্রস্তর স্থাপন করিলাম; তাহা পরীক্ষাসিদ্ধ প্রস্তর বহুমূল্য কোণের প্রস্তর, অতি দৃঢ়রূপে বসান; যে ব্যক্তি বিশ্বাস করিবে, সে চঞ্চল হইবে না।
আর আমিও তোমাকে কহিতেছি, তুমি পিতর, আর এই পাথরের উপরে আমি আপন মণ্ডলী গাঁথিব, আর পাতালের পুরদ্বার সকল তাহার বিপক্ষে প্রবল হইবে না।
যীশু তাহাদিগকে কহিলেন, তোমরা কি কখনও শাস্ত্রে পাঠ কর নাই, “যে প্রস্তর গাঁথকেরা অগ্রাহ্য করিয়াছে, তাহাই কোণের প্রধান প্রস্তর হইয়া উঠিল; ইহা প্রভু হইতেই হইয়াছে, ইহা আমাদের দৃষ্টিতে অদ্ভুত”?
তোমরা কি এই শাস্ত্রীয় বচনও পাঠ কর নাই, “যে প্রস্তর গাঁথকেরা অগ্রাহ্য করিয়াছে, তাহাই কোণের প্রধান প্রস্তর হইয়া উঠিল;
কিন্তু তিনি তাহাদের প্রতি দৃষ্টাপাত করিয়া কহিলেন, তবে এ কি লেখা রহিয়াছে, “যে প্রস্তর গাঁথকেরা অগ্রাহ্য করিয়াছে, তাহাই কোণের প্রধান প্রস্তর হইয়া উঠিল”?
তিনিই সেই প্রস্তর, যাহা গাঁথকেরা যে আপনারা, আপনাদের দ্বারা অবজ্ঞাত হইয়াছিল, যাহা কোণের প্রধান প্রস্তর হইয়া উঠিল ।
কারণ আমরা ঈশ্বরেরই সহকার্য্যকারী; তোমরা ঈশ্বরেরই ক্ষেত্র, ঈশ্বরেরই গাঁথনি।
আর ঈশ্বর মণ্ডলীতে প্রথমতঃ প্রেরিতগণকে, দ্বিতীয়তঃ ভাববাদিগণকে, তৃতীয়তঃ উপদেশকগণকে স্থাপন করিয়াছেন; তৎপরে নানাবিধ পরাক্রমকার্য্য, তৎপরে আরোগ্যসাধক অনুগ্রহ-দান, উপকার, শাসনপদ, নানাবিধ ভাষা [দিয়াছেন]।
যখন তাঁহারা আমাকে প্রদত্ত সেই অনুগ্রহ জ্ঞাত হইলেন, তখন যাকোব, কৈফা ও যোহন—যাঁহারা স্তম্ভরূপে মান্য—আমাকে ও বার্ণবাকে সহভাগিতার দক্ষিণ হস্ত দিলেন, যেন আমরা পরজাতিগণের কাছে যাই, আর তাঁহারা ছিন্নত্বক্দের কাছে যান;
আর তিনিই কয়েক জনকে প্রেরিত, কয়েক জনকে ভাববাদী, কয়েক জনকে সুসমাচার-প্রচারক ও কয়েক জনকে পালক ও শিক্ষাগুরু করিয়া দান করিয়াছেন,
তোমরা তাঁহারই নিকটে,—মনুষ্যকর্ত্তৃক অগ্রাহ্য, কিন্তু ঈশ্বরের দৃষ্টিতে মনোনীত ও মহামূল্য জীবন্ত প্রস্তরের নিকটে
অতএব তোমরা যাহারা বিশ্বাস করিতেছ, ঐ মহামূল্যতা তোমাদেরই জন্য; কিন্তু যাহারা বিশ্বাস করে না, তাহাদের জন্য “যে প্রস্তর গাঁথকেরা অগ্রাহ্য করিয়াছে, তাহাই কোণের প্রধান প্রস্তর হইয়া উঠিল;”
আর নগরের প্রাচীরের দ্বাদশ ভিত্তিমূল, সেগুলির উপরে মেষশাবকের দ্বাদশ প্রেরিতের দ্বাদশ নাম আছে।