কেননা বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমাদের পিতৃপুরুষেরা আমাকে ক্রুদ্ধ করাতে আমি যেমন তোমাদের অমঙ্গল সাধনের সঙ্কল্প করিলাম, অনুশোচনা করিলাম না,
Cross references
কিন্তু তাহারা ঈশ্বরের দূতদিগকে পরিহাস করিত, তাঁহার বাক্য তুচ্ছ করিত, ও তাঁহার ভাববাদিগণকে বিদ্রূপ করিত; তন্নিমিত্ত শেষে আপন প্রজাদের বিরুদ্ধে সদাপ্রভুর ক্রোধ উত্থিত হইল, অবশেষে আর প্রতীকারের উপায় রহিল না।
সদাপ্রভুর মন্ত্রণা চিরকাল স্থির থাকে, তাঁহার চিত্তের সঙ্কল্প পুরুষানুক্রমে স্থায়ী।
বাহিনীগণের সদাপ্রভু শপথ করিয়া বলিয়াছেন, অবশ্যই, আমি যেরূপ সঙ্কল্প করিয়াছি, তদ্রূপ ঘটিবে; আমি যে মন্ত্রণা করিয়াছি, তাহা স্থির থাকিবে।
এই জন্য পৃথিবী শোক করিবে, উপরিস্থ আকাশমণ্ডল কৃষ্ণবর্ণ হইবে; কারণ আমি ইহা বলিয়াছি, ইহা মনে স্থির করিয়াছি, এ বিষয়ে অনুশোচনা করি নাই, ইহা হইতে ফিরিব না।
তখন সদাপ্রভু আমাকে কহিলেন, যদ্যপি মোশি ও শমূয়েল আমার সম্মুখে দাঁড়াইত, তথাপি আমার প্রাণ এই জাতির অনুকূল হইত না; তুমি আমার সম্মুখ হইতে তাহাদিগকে বিদায় কর, তাহারা চলিয়া যাউক।
সদাপ্রভু ক্ষমা না করিয়া যে সকল নগর উৎসন্ন করিয়াছিলেন, ঐ ব্যক্তি সেই সকল নগরের ন্যায় হউক; সে প্রাতঃকালে ক্রন্দন ও মধ্যাহ্নকালে চীৎকার শুনুক।
কেননা, সদাপ্রভু বলেন, আমি তোমাদের পক্ষে যে সকল সঙ্কল্প করিতেছি, তাহা আমিই জানি; সে সকল মঙ্গলের সঙ্কল্প, অমঙ্গলের নয়, তোমাদিগকে শেষ ফল ও আশাসিদ্ধি দিবার সঙ্কল্প!
আর যেমন আমি তাহাদের উন্মূলন, উৎপাটন, নিপাত, বিনাশ ও অমঙ্গল করিতে জাগরূক ছিলাম, তেমনি তাহাদিগকে গাঁথিতে ও রোপন করিতেও জাগরূক হইব, ইহা সদাপ্রভু বলেন।
আমি সদাপ্রভু ইহা কহিলাম; ইহা সফল হইবে, আমি ইহা সাধন করিব, ক্ষান্ত হইব না, দয়া করিব না, অনুশোচনাও করিব না; তোমার যেরূপ আচরণ ও তোমার যেরূপ ক্রিয়া, সেইরূপ বিচার করা যাইবে, ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন।
সদাপ্রভু তোমাদের পিতৃপুরুষদের প্রতি অতিশয় ক্রোধাবিষ্ট হইয়াছিলেন।
কিন্তু আমি আপন দাস ভাববাদিগণকে যাহা যাহা আজ্ঞা করিয়াছিলাম, আমার সেই সকল বাক্য ও বিধান কি তোমাদের পিতৃপুরুষদের লাগাল পায় নাই? তখন তাহারা ফিরিয়া আসিয়া কহিল, বাহিনীগণের সদাপ্রভু আমাদের আচার ও ক্রিয়ানুসারে আমাদের প্রতি যেরূপ ব্যবহার করিতে মনস্থ করিয়াছিলেন, আমাদের প্রতি তদ্রূপ ব্যবহার করিয়াছেন।